উমাইয়াহ্ ইবনু বিসতাম, আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... জাবির (রাযিঃ) হতে ইবনু উয়াইনাহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি "তোমার চোখ শীতল করব না" এ উক্তি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪১১, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আমর আন্ নাকিদ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখো এবং আমার উপনাম হিসেবে উপনাম রেখো না। আমর (রহঃ) তার বর্ণনাতে বলেছেন, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত এবং তিনি এ উক্তিটি করেননি বলতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪১২, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ সাঈদ আশাজ্জ ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না আনাযী (রহঃ) ..... আল মুগীরাহ ইবনু শু'বাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যে সময় নাজরান গমন করলাম, তখন সেখানকার ব্যক্তির আমাকে জিজ্ঞেস করল, আপনারা পড়েনيَا أُخْتَ هَارُونَ (হে হারূনের বোন) অথচ মূসা (আঃ) ছিলেন ঈসা (আঃ) এর এত দিন আগে? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আমি যখন ফিরে আসলাম তখন এ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, তারা (ইয়াহুদী-খ্ৰীষ্টানরা) তাদের পূর্ববর্তী নবী ও সালিহগণের নামে (বাচ্চাদের) নাম রাখতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪১৩, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... সামুরাহ ইবনু জুনদাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের গোলামদের চারটি নাম দ্বারা নামকরণ করতে বারণ করেছেনঃ আফলাহ, রাবাহ, ইয়াসার ও নাফি'। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪১৪, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5600 — Sahih Muslim 38:15
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الرُّكَيْنِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَمُرَةَ، بْنِ جُنْدَبٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تُسَمِّ غُلاَمَكَ رَبَاحًا وَلاَ يَسَارًا وَلاَ أَفْلَحَ وَلاَ نَافِعًا " .
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সামুরাহ ইবনু জুনদাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমার ক্রীতদাসের নাম রাবাহ, ইয়াসার, আফলাহ ও নাফি’ রেখো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪১৫, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... সামুরাহ ইবনু জুনদাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিকট বেশি পছন্দনীয় কালাম চারটি। سُبْحَانَ اللَّهِআল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি,وَالْحَمْدُ لِلَّهِ যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর,وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ (এক) আল্লাহ ছাড়া আর উপাস্য নেই এবংوَاللَّهُ أَكْبَرُ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। এগুলোর যে কোন শব্দ দ্বারা তুমি আরম্ভ কর, এতে তোমার কোন ক্ষতি নেই এবং কক্ষনো তোমার ক্রীতদাসের নাম ইয়াসার, রাবাহ, নাজীহ ও আফলাহ রাখবে না। কেননা, তুমি হয়তো বা ডাকবে- ওখানে সে আছে কি? আর সে (তখন) সেখানে নাও থাকতে পারে। তখন কেউ বলবে না এখানে নেই। (এ জবাবে কু-ধারণা তৈরি হতে পারে)। (বর্ণনাকারী বলেন), নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল এ চারটি নাম বলেছেন। অতঃপর কেউ যেন আমার চাইতে অধিক সংযোজন না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪১৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, উমাইয়াহ ইবনু বিসতাম, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) মানসূর (রহঃ) হতে যুহায়র (রহঃ) এর সানাদানুসারে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু জারীর (রহঃ) ও রাওহ্ (রহঃ) উল্লিখিত হাদীস যুহায়র (রহঃ) বর্ণিত সম্পূর্ণ ঘটনার বর্ণনা সম্বলিত হাদীসের অবিকল। তবে শু'বাহ (রহঃ) এর হাদীসে শুধু সন্তানের নাম রাখার কথা বর্ণনা আছে। তিনি أربع (চার-এর) কথাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪১৭, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5603 — Sahih Muslim 38:18
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ أَرَادَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَنْهَى عَنْ أَنْ يُسَمَّى بِيَعْلَى وَبِبَرَكَةَ وَبِأَفْلَحَ وَبِيَسَارٍ وَبِنَافِعٍ وَبِنَحْوِ ذَلِكَ ثُمَّ رَأَيْتُهُ سَكَتَ بَعْدُ عَنْهَا فَلَمْ يَقُلْ شَيْئًا ثُمَّ قُبِضَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَنْهَ عَنْ ذَلِكَ ثُمَّ أَرَادَ عُمَرُ أَنْ يَنْهَى عَنْ ذَلِكَ ثُمَّ تَرَكَهُ .
মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়া'লা, বারাকাহ, আফলাহ, ইয়াসার ও নাফি’ ইত্যাদি এ রকম নাম রাখা বারণ করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। অতঃপর তাকে আমি লক্ষ্য করলাম যে, এ ব্যাপারে তিনি নিশ্চুপ রইলেন, কিছু বললেন না। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে উঠিয়ে নেয়া হলো এবং তিনি তা (শক্তভাবে) বারণ করেননি। পরে উমার (রাযিঃ) তা বারণ করার ইচ্ছা পোষণ করলেন, তারপর তিনিও তা পরিত্যাগ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪১৮, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু হাম্বাল, যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না, উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামعَاصِيَةَ (অমান্যকারী) এর নাম পরিবর্তন করে দিলেন এবং বললেন, তুমিجَمِيلَةُ (সুন্দরী)। বর্ণনাকারী আহমাদ (রহঃ) এর সানাদেأَخْبَرَنِي এর স্থানেعَنْ দিয়ে উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪১৯, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5605 — Sahih Muslim 38:20
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ ابْنَةً لِعُمَرَ، كَانَتْ يُقَالُ لَهَا عَاصِيَةُ فَسَمَّاهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَمِيلَةَ .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, উমার (রাযিঃ) এর এক মেয়েকেعَاصِيَةُ (আসিয়াহ) নামে ডাকা হত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম রাখলেন, 'জামীলাহ্'। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪২০, ইসলামিক সেন্টার)