আবূ রাবী' আয যাহরানী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু মালিক ইবনু বুহায়নাহ আল আযদী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন সালাতরত অবস্থায় যে দু' রাকাআত আদায় করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দাঁড়িয়ে পড়লেন। তিনি সালাত আদায় করতে লাগলেন। অবশেষে সালাতের শেষ পর্যায়ে পৌছে সালাম ফিরানোর পূর্বে দু'টি সিজদা করলেন। তারপর সালাম ফিরালেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৫১, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন রাকাআত আদায় করা হলো না চার রাকাআত আদায় করা হলো- সালাতের মধ্যে তোমাদের কারো এরূপ সন্দেহ হলে সে যে কয় রাক’আত আদায় করেছে বলে নিশ্চিত হবে (তিন রাকাআত) সে কয় রাকাআতকে ভিত্তি ধরে অবশিষ্ট করণীয় করবে। এরপর সালাম ফিরানোর পূর্বে দুটি সিজদা করবে। (এখন) সে যদি পাঁচ রাকাআত আদায় করে থাকে তাহলে এ দু' সিজদা দ্বারা তার সালাতের জোড়া পূর্ণ হয়ে যাবে। আর যদি তার সালাত চার রাকাআত হয়ে থাকে তাহলে (এই) সিজদা দুটি শাইতনের মুখে মাটি নিক্ষেপের শামিল হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৫২, ইসলামীক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ওয়াহব (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ) থেকে একই সানাদে উপরোক্ত অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। অতঃপর সুলায়মান ইবনু বিলাল এর মতই বর্ণনা করেছেন যে, সালাম ফিরানোর পূর্বে দু'টি সিজদা করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৫৩ ইসলামীক সেন্টার)
আবূ শায়বার দু' পুত্র আবূ বকর ও উসমান এবং ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করলেন। বর্ণনাকারী ইবরাহীমের বর্ণনা মতে, এ সালাতে তিনি কিছুই কম বা বেশী করে ফেললেন। সালাম ফিরানোর পর তাকে (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে) জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল! সালাতের ব্যাপারে কি নতুন কোন হুকুম দেয়া হয়েছে? এ কথা শুনে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, নতুন হুকুম আবার কেমন? তখন সবাই বললঃ আপনি সালাতে এরূপ করেছেন। এ কথা শুনে তিনি পা দু' খানা ভাজ করে কিবলামুখী হয়ে বসলেন এবং দুটি সিজদা করে তারপর সালাম ফিরালেন। এরপর আমাদের দিকে ঘুরে বললেনঃ সালাতের ব্যাপারে কোন নতুন হুকুম আসলে আমি তোমাদরকে জানতাম। (এটা তেমনি কিছু নয়) বরং আমি তো মানুষ বৈ কিছুই না। তোমাদের যেমন ভুল হয় আমারও তেমন ভুল হয়। সুতরাং আমি যদি কোন কিছু ভুলে যাই তাহলে তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দিও। আর সালাতের মধ্যে তোমাদের কারো কোন সন্দেহ হলে চিন্তা-ভাবনার ভিত্তিতে যেটি সঠিক বলে মনে হবে সেটিই করবে এবং এর উপর ভিত্তি করে সালাত শেষ করবে। অতঃপর দু'টি সিজদা করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৫৪, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ কুরায়ব, মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... মানসূর (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে ইবন বিশর এর বর্ণনায় فَلْيَنْظُرْ أَحْرَى ذَلِكَ لِلصَّوَابِ এবং ওয়াকী এর বর্ণনায়فَلْيَتَحَرَّ الصَّوَابَ কথাটি উল্লেখিত আছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৫৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... মানসূর (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে মানসূর বলেছেন, সঠিক হওয়ার ব্যাপারে সর্বাপেক্ষা সঠিক ধারণাটি গ্রহণ করতে হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৫৬, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) .... মনসুর (রহঃ) থেকে একই সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, চিন্তা-ভাবনা করে তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৫৬, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... মানসূর (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, চিন্তা-ভাবনা করে যেটি সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করবে সেটিই গ্রহণ করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৫৭, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... মানসূর (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, চিন্তা-ভাবনা করে যেটি সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে করবে সেটিই গ্রহণ করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৫৭, ইসলামীক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... মানসূর (রহঃ) তাদের সবার বর্ণিত সানাদ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। মানসূর (রহঃ) বলেছেনঃ চিন্তা-ভাবনা করে তার ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৫৭, ইসলামীক সেন্টার)