ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আগামীকাল শক্রর সঙ্গে মুকাবিলা করবো। অথচ আমাদের সঙ্গে কোন ছুরি নেই। (ধারালো) বাশের খোলস দ্বারা কি যাবাহ করবো? রাবী ইসমাঈল পুরো ঘটনাসহ হাদীসটি বর্ণনা করেন। তিনি [রাফি (রাযিঃ)] আরও বলেন, উক্ত উটগুলোর মধ্য হতে একটি উট ছুটে গেলে আমরা তীর ছুড়ে সেটাকে পাকড়াও করলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
আল-কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) ..... সা'ঈদ ইবনু মাসরুক (রহঃ) হতে উপরোক্ত সানাদে হাদীসটি শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গরূপে বর্ণিত হয়েছে। হাদীসে তিনি আমাদের সঙ্গে ছুরি নেই, আমরা কি বাঁশ দ্বারা যাবাহ করবো’ রাফি' এর এ উক্তিটি উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু ওয়ালীদ ইবনু আবদুল হামীদ (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আগামীকাল দুশমনদের সঙ্গে মুকাবিলা করবো, অথচ আমাদের কাছে কোন ছুরি নেই। শু'বাহ শেষ পর্যন্ত হাদীসটি উল্লেখ করেন। তবে তিনি এ কথাটি উল্লেখ করেননি, “কিছু লোক তাড়াতাড়ি করে, পরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদেশে সেগুলো (ডেগ বা পাতিলগুলো) উল্টিয়ে দেয়া হয়।” তবে (এ অংশটি ব্যতীত) তিনি পুরো ঘটনাই বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল জাববার ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আবূ উবায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) এর সাথে ঈদগাহে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুতবার আগে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন এবং বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে তিনদিনের পর কুরবানীর গোশত খেতে বারণ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৬, ইসলামিক সেন্টার)
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ উবায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি 'উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) এর সাথে ঈদগাহে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, (পরবর্তী সময়) আমি আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) এর সাথে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করেছি। তিনি খুতবার আগে আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। তারপর লোকজনের উদ্দেশে খুতবাহ দেন। (খুতবায়) তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনদিনের পর কুরবানীর গোশত আহার করতে তোমাদের বারণ করেছেন। অতএব তোমরা তা খেয়ো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব, হাসান হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ, যুহরী (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5100 — Sahih Muslim 35:37
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " لاَ يَأْكُلْ أَحَدٌ مِنْ لَحْمِ أُضْحِيَّتِهِ فَوْقَ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ " .
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে রিওয়ায়াত করেন যে, তিনি বলেছেনঃ কেউ যেন কুরবানীর গোশত তিনদিনের পরে না খায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন দিনের উপরে কুরবানীর গোশত আহার করতে বারণ করেছেন। সালিম (রহঃ) বলেন, এজন্য ইবনু উমার (রাযিঃ) তিনদিনের উপর কুরবানীর গোশত খেতেন না। ইবনু আবূ উমার 'তিনদিনের পর' কথাটি বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪১, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5103 — Sahih Muslim 35:40
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحَنْظَلِيُّ، أَخْبَرَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ، أَبِي بَكْرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ وَاقِدٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَكْلِ لُحُومِ الضَّحَايَا بَعْدَ ثَلاَثٍ . قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعَمْرَةَ فَقَالَتْ صَدَقَ سَمِعْتُ عَائِشَةَ تَقُولُ دَفَّ أَهْلُ أَبْيَاتٍ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ حِضْرَةَ الأَضْحَى زَمَنَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ادَّخِرُوا ثَلاَثًا ثُمَّ تَصَدَّقُوا بِمَا بَقِيَ " . فَلَمَّا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ النَّاسَ يَتَّخِذُونَ الأَسْقِيَةَ مِنْ ضَحَايَاهُمْ وَيَحْمِلُونَ مِنْهَا الْوَدَكَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَمَا ذَاكَ " . قَالُوا نَهَيْتَ أَنْ تُؤْكَلَ لُحُومُ الضَّحَايَا بَعْدَ ثَلاَثٍ . فَقَالَ " إِنَّمَا نَهَيْتُكُمْ مِنْ أَجْلِ الدَّافَّةِ الَّتِي دَفَّتْ فَكُلُوا وَادَّخِرُوا وَتَصَدَّقُوا " .
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াকিদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিন দিনের উপরে কুরবানীর গোশত খেতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (রহঃ) বলেন, আমি বিষয়টি আমরাহ (রাযিঃ) এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ইবনু ওয়াকিদ সত্যই বলেছেন। আমি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় ঈদুল আযহার সময় বেদুঈনদের কিছু পরিবার শহরে আগমন করে, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তিনদিনের পরিমাণ জমা রেখে বাকী গোশতগুলো সাদাকাহ করে দাও। পরবর্তী সময়ে লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! মানুষেরা তো কুরবানীর পশুর চামড়া দিয়ে পাত্র প্রস্তুত করছে এবং তার মাঝে চর্বি গলাচ্ছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাতে কি হয়েছে? তারা বলল, আপনিই তো তিনদিনের বেশি কুরবানীর গোশত খাওয়া হতে বারণ করেছেন। তিনি বললেনঃ আমি তো বেদুঈনদের আগমনের কারণে এ কথা বলেছিলাম। অতঃপর এখন তোমরা খেতে পার, জমা করে রাখতে পার এবং সাদাকাহ করতে পার। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪২, ইসলামিক সেন্টার)