حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ نَهَى عَنْ أَكْلِ لُحُومِ الضَّحَايَا بَعْدَ ثَلاَثٍ ثُمَّ قَالَ بَعْدُ " كُلُوا وَتَزَوَّدُوا وَادَّخِرُوا " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি তিনদিনের পরেও কুরবানীর গোশত খেতে বারণ করেছেন। তারপর পরবর্তীকালে তিনি বলেছেন, এখন তোমরা খেতে পার, পাথেয় হিসেবে ব্যবহার করতে পার এবং সঞ্চয় করে রাখতে পার। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মিনায় তিনদিনের বেশি কুরবানীর গোশত খেতাম না। পরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমতি দিয়ে বললেনঃ তোমরা খেতে পার এবং অতিরিক্ত হিসেবে রাখতেও পার। (ইবনু জুরায়জ বললেন) আমি 'আতাকে বললাম, জাবির (রাযিঃ) কি 'মাদীনায় আগমন করা পর্যন্ত' কথাটি বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ….. জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা তিনদিনের বেশি কুরবানীর গোশত জমা করে রাখতাম না। পরে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনদিনের পরেও এ থেকে খাওয়ার এবং পাথেয় হিসেবে ব্যবহার করার জন্য আমাদের অনুমতি দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 5107 — Sahih Muslim 35:44
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ كُنَّا نَتَزَوَّدُهَا إِلَى الْمَدِينَةِ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, সুফইয়ান ইবনু উয়াইনাহ্ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময় মাদীনায় পৌছা পর্যন্ত কুরবানীর গোশত পাথেয় হিসেবে নিয়ে আসতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে, অন্য সানাদে আবদুল আ'লা (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে মাদীনার লোকেরা! তোমরা যেন তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত না খাও। ইবনুল মুসান্না (রহঃ) (তিনদিন) শব্দ উল্লেখ করেছেন। তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে অভিযোগ (আপত্তি) করলো যে, তাদের পরিবার-পরিজন, কাজের লোক ও সেবক রয়েছে। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে তোমরা নিজেরা খাও, অন্যকে খাওয়াও এবং জমা করে রাখো। ইবনুল মুসান্না (রহঃ) বলেন, আবদুল আলী (রহঃ) সন্দেহ করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামوَاحْبِسُوا শব্দ বলেছেন, নাادَّخِرُوا শব্দ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... সালামাহ্ ইবনু আকওয়া (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে যে ব্যক্তি কুরবানী করবে, সে যেন ঈদের তৃতীয় রাতের পর তার বাড়িতে কুরবানীর পশুর কোন কিছু সঞ্চিত না রাখে। আগামী বছর যখন আগত হলো, তখন লোকজনেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি গত বছরের মতো করবো? তিনি বললেন, না। সে বছর তো মানুষ খুব দুর্দশায় ছিল, তাই আমি চেয়েছিলাম যাতে সকলের কাছে কুরবানীর (গোশত) পৌছে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... সাওবান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কুরবানীর জন্তু যাবাহ করলেন। তারপর বললেন, হে সাওবান! এর গোশত উত্তমভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করো। তারপর থেকে তিনি মাদীনায় আগমন করা পর্যন্ত আমি তাকে উক্ত গোশত হতে খাওয়াতে থাকি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু আব্দুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু হামযাহ্ (রহঃ) হতে উল্লেখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বিদায় হাজ্জের সময় কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৫১, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু আব্দুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু হামযাহ্ (রহঃ) হতে উল্লেখিত সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বিদায় হাজ্জের সময় কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৯৫১, ইসলামিক সেন্টার)