মুজাহিদ ইবন মূসা ও ইয়াকূব ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, লাব্বায়কা উমরাতান ওয়া হাজ্জান, লাব্বায়কা উমরাতান ওয়া হাজ্জান।
হাদিস 2730 — Sunan an Nasai 24:112
সহিহসহিহসহিহ
أَخْبَرَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُلَبِّي بِهِمَا .
হান্নাদ ইবন সারী (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ দুয়ের জন্য তালবিয়া পড়তে শুনেছি।
হাদিস 2731 — Sunan an Nasai 24:113
সহিহসহিহসহিহ - Agreed Upon
أَخْبَرَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، قَالَ أَنْبَأَنَا بَكْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا، يُحَدِّثُ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُلَبِّي بِالْعُمْرَةِ وَالْحَجِّ جَمِيعًا فَحَدَّثْتُ بِذَلِكَ ابْنَ عُمَرَ فَقَالَ لَبَّى بِالْحَجِّ وَحْدَهُ . فَلَقِيتُ أَنَسًا فَحَدَّثْتُهُ بِقَوْلِ ابْنِ عُمَرَ فَقَالَ أَنَسٌ مَا تَعُدُّونَا إِلاَّ صِبْيَانًا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لَبَّيْكَ عُمْرَةً وَحَجًّا مَعًا " .
ইয়াকুব ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... বকর ইবন আবদুল্লাহ্ মুযানী (রহঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ) থেকে বলতে শুনেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হজ্জ ও উমরার একত্রে তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি। রাবী বলেন, আনাস (রাঃ)-এর কথা ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবলমাত্র হজ্জের তালবিয়া পাঠ করেছেন। এরপর আমি আনাসের সঙ্গে সাক্ষাত করেছি। ইবন উমরের এই উক্তি তার নিকট ব্যক্ত করলে তিনি বললেন, ইবন উমর কি আমাদেরকে বালক মনে করেন? আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে লাব্বাইকা উমরাতান ওয়া হাজ্জান অর্থাৎ উমরা ও হজ্জের তালবিয়া একত্রে পড়তে শুনেছি।
হাদিস 2732 — Sunan an Nasai 24:114
ShadhShadhসহিহ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ الْمُخَرِّمِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا حُجَيْنُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، رضى الله عنهما قَالَ تَمَتَّعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ بِالْعُمْرَةِ إِلَى الْحَجِّ وَأَهْدَى وَسَاقَ مَعَهُ الْهَدْىَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ وَبَدَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَهَلَّ بِالْعُمْرَةِ ثُمَّ أَهَلَّ بِالْحَجِّ وَتَمَتَّعَ النَّاسُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْعُمْرَةِ إِلَى الْحَجِّ فَكَانَ مِنَ النَّاسِ مَنْ أَهْدَى فَسَاقَ الْهَدْىَ وَمِنْهُمْ مَنْ لَمْ يُهْدِ فَلَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَكَّةَ قَالَ لِلنَّاسِ " مَنْ كَانَ مِنْكُمْ أَهْدَى فَإِنَّهُ لاَ يَحِلُّ مِنْ شَىْءٍ حَرُمَ مِنْهُ حَتَّى يَقْضِيَ حَجَّهُ وَمَنْ لَمْ يَكُنْ أَهْدَى فَلْيَطُفْ بِالْبَيْتِ وَبِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ وَلْيُقَصِّرْ وَلْيَحْلِلْ ثُمَّ لْيُهِلَّ بِالْحَجِّ ثُمَّ لْيُهْدِ وَمَنْ لَمْ يَجِدْ هَدْيًا فَلْيَصُمْ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ فِي الْحَجِّ وَسَبْعَةً إِذَا رَجَعَ إِلَى أَهْلِهِ " . فَطَافَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ قَدِمَ مَكَّةَ وَاسْتَلَمَ الرُّكْنَ أَوَّلَ شَىْءٍ ثُمَّ خَبَّ ثَلاَثَةَ أَطْوَافٍ مِنَ السَّبْعِ وَمَشَى أَرْبَعَةَ أَطْوَافٍ ثُمَّ رَكَعَ حِينَ قَضَى طَوَافَهُ بِالْبَيْتِ فَصَلَّى عِنْدَ الْمَقَامِ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ فَانْصَرَفَ فَأَتَى الصَّفَا فَطَافَ بِالصَّفَا وَالْمَرْوَةِ سَبْعَةَ أَطْوَافٍ ثُمَّ لَمْ يَحِلَّ مِنْ شَىْءٍ حَرُمَ مِنْهُ حَتَّى قَضَى حَجَّهُ وَنَحَرَ هَدْيَهُ يَوْمَ النَّحْرِ وَأَفَاضَ فَطَافَ بِالْبَيْتِ ثُمَّ حَلَّ مِنْ كُلِّ شَىْءٍ حَرُمَ مِنْهُ وَفَعَلَ مِثْلَ مَا فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ أَهْدَى وَسَاقَ الْهَدْىَ مِنَ النَّاسِ .
মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন মুবারক মুখাররামী (রহঃ) ... সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জাতুল বিদা বা বিদায় হজ্জের উমরাহ ও হজ্জ একত্রে পর্যায়ক্রমে আদায় করে তামাত্তু করেন। আর তিনি যুল হুলায়াফায় তার সাথে কুরবানীর পশু নিয়ে আসেন এবং তা পাঠিয়ে দেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ দিনে হজ্জের কাজ আরম্ভ করেন। তিনি প্রথমে উমরাহর ইহরাম বাঁধলেন। তারপর হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। আর অন্যান্য লোক তাঁর সাথে পর্যায়ক্রমে উমরাহ ও হজ্জের ইহরাম বঁধলো। লোকদের মধ্যে কতিপয় ব্যক্তি কুরবানীর পশু সাথে নিয়ে এসেছিল তারা তো কুরবানীর পশু পাঠিয়ে দিল। আর তাদের মধ্যে কতক এমন ছিল যারা কুরবানীর পশু নিয়ে আসেনি। তারপর যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় আগমন করলেন, তখন তিনি লোকদেরকে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কুরবানীর পশু পাঠিয়েছে, সে যেন হজ্জ আদায় করা পর্যন্ত তার জন্য যা হারাম করা হয়েছে তদ্বারা ইহরাম ভঙ্গ না করে। আর যে ব্যক্তি কুরবানীর জন্তু পাঠায়নি, সে যেন কা'বার তাওয়াফ করে এবং সাফা মারওয়ার সাঈ করে এবং মাথার চুল ছাঁটে এবং ইহরাম ভঙ্গ করে। তারপর সে যেন হজ্জের ইহরাম বাঁধে এবং কুরবানীর জন্তু পাঠায়। আর যে ব্যক্তি কুরবানীর জন্তু পাঠাতে সমর্থ না হয়, সে যেন হজ্জের মাসে তিন দিন সিয়াম পালন করে, এবং পরিবার-পরিজনের নিকট ফিরে আসার পর সাতদিন সিয়াম পালন করে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় আগমন করলেন, সর্বপ্রথম তওয়াফ করলেন এবং রুকনে ইয়ামানী চুম্বন করলেন, তারপর তিনি সাত তওয়াফের তিন তাওয়াফে রমল করলেন এবং চার তাওয়াফে হাঁটলেন। তওয়াফ সমাপ্ত করে তিনি বায়তুল্লাহর নিকট মাকামে ইব্রাহীমে দু' রাকাআত সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি তথা হতে সাফা পাহাড়ে আগমন করলেন এবং সাফা ও মারওয়ায় সাতবার সাঈ করলেন। পরে হজ্জ আদায় করার পূর্বে যা তাঁর জন্য হারাম ছিল, তার কোনটি করে ইহরাম ভঙ্গ করেন নি। এরপর কুরবানীর দিন পশু কুরবানী করলেন এবং তথা হতে প্রত্যাবর্তন করে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করলেন। তারপর তাঁর জন্য যা হারাম ছিল তার প্রত্যেকটি দ্বারা তিনি ইহরাম ভঙ্গ করলেন। পরে লোকদের মধ্যে যারা কুরবানীর পশু পাঠিয়েছিল বা নিয়ে এসেছিল, তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করলেন তদ্রুপ করলো।
আমর ইবন আলী (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবন হারমালা (রহঃ) বলেন, সাঈদ ইবন মুসাইয়্যাব (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আলী ইবন উছমান (রাঃ) হজ্জ সমাপ্ত করলেন, আমরা যখন কোন রাস্তায় ছিলাম, তখন উছমান (রাঃ) তামাত্তু করতে নিষেধ করলেন। তখন আলী (রাঃ) বললেনঃ যখন তোমরা তাকে প্রত্যাবর্তন করতে দেখ তোমরাও প্রত্যাবর্তন কর। পরে আলী (রাঃ) এবং তাঁর অনুসারীগণ উমরার তালবিয়া পড়লেন। আর উছমান তাদেরকে নিষেধ করেন নি। আলী (রাঃ) বললেনঃ আমাকে কি খবর দেয়া হয়নি যে, আপনি তামাতু করতে নিষেধ করেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তখন আলী (রাঃ) তাকে বললেনঃ আপনি কি শুনেন নি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু করেছেন? তিনি বললনেঃ হ্যাঁ।
কুতায়াবা (রহঃ) ... সা'দ ইবন আবু ওয়াক্কাস এবং দাহহাক ইবন কায়সকে মুয়াবিয়া ইবন আবৃ সুফিয়ানের হজ্জের বছর বলতে শুনেছেনঃ তারা হজ্জ পর্যন্ত উমরাহ দ্বারা তামাত্তু করার ব্যাপারে আলাপ করেছিলেন। দাহহাক বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর আদেশের ব্যাপারে অজ্ঞ, সে ব্যতীত কেউই এরূপ করতে পারে না। সা'দ বলেন, হে ভ্রাতুষ্পপুত্ৰ! তুমি যা বললে তা অত্যন্ত মন্দ। তখন দাহহাক (রাঃ) বললেনঃ “উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) এরূপ করতে নিষেধ করেছেন। সা'দ (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছেন। আর আমরাও তার সাথে এরূপ করেছি।
মুহাম্মদ ইবন মুছান্না ও মুহাম্মদ বাশশার (রহঃ) ... আবু মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি হজ্জ-ই-তামাত্তু-এর ফতোয়া দিতেন। তাকে এক ব্যক্তি বললোঃ আপনি এ ধরনের ফতোয়া দান থেকে বিরত থাকুন। কেননা আপনি জানেন না আমীরুল মু'মিনীন হজ্জের আহকামে কি নতুন আবিষ্কার করেছেন। পরে আমি তার সাথে সাক্ষাৎ করে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করি। উত্তরে উমর (রাঃ) বলেনঃ আমি নিশ্চিতরূপে জানি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করেছেন। কিন্তু লোক আরাকে* স্ত্রীসহবাস করে হজ্জে গমন করবে, আর তাদের মাথা থেকে পানি পড়তে থাকবে, তা আমার পছন্দনীয় নয়।
মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন হাসান (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদেরকে তামাত্তু থেকে নিষেধ করছি অথচ তা আল্লাহর কিতাবে বিদ্যমান রয়েছে এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করেছেন। অর্থাৎ তিনি হজ্জের আগে উমরাহ করেছেন।
হাদিস 2737 — Sunan an Nasai 24:119
সহিহসহিহসহিহ Muslim
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حُجَيْرٍ، عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ قَالَ مُعَاوِيَةُ لاِبْنِ عَبَّاسٍ أَعَلِمْتَ أَنِّي قَصَّرْتُ مِنْ رَأْسِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ الْمَرْوَةِ قَالَ لاَ . يَقُولُ ابْنُ عَبَّاسٍ هَذَا مُعَاوِيَةُ يَنْهَى النَّاسَ عَنِ الْمُتْعَةِ وَقَدْ تَمَتَّعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم .
আবদুল্লাহ্ ইবন মুহাম্মদ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ... তাউস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুয়াবিয়া (রাঃ) ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে বললেন, আপনি জানেন কি, আমি মারওয়ায় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথার চুল ছেঁটেছিলাম? তিনি বললেনঃ না। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ মুয়াবিয়া (রাঃ) লোকদেরকে তামাত্তু করতে নিষেধ করেন, অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু করেছেন।
মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) ... আবু মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম। তখন তিনি বাতহায় ছিলেন। তিনি বলেনঃ কিসের তালবিয়া পাঠ করেছ? আমি বললামঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যার তালবিয়া পাঠ করেছেন, আমিও তার তালবিয়া পাঠ করেছি। তিনি বললেন, তুমি কি কুরবানীর পশু পাঠিয়েছ? আমি বললাম, না। তিনি বললেনঃ তা হলে তুমি প্রথমে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা মারওয়ার সাঈ কর, তারপর ইহরাম ভঙ্গ কর। আমি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ এবং সাফা মারওয়ার সাঈ করলাম। এরপর আমার বংশের একজন মহিলার নিকট গেলাম, সে আমার মাথা আঁচড়িয়ে ও মাথা ধুইয়ে দিল। আমি লোকদেরকে আবু বকর ও উমরের খেলাফতের সময় এই ফতোয়াই দিতাম। আমি এক হজ্জের মওসুমে দাঁড়িয়ে আছি, এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললোঃ আমীরুল মু'মিনীন হজ্জের ব্যাপারে যে নতুন কথা বলছেন, তা কি তুমি জান না? আমি বললামঃ হে লোকসকল! আমি যাকে কোন ব্যাপারে। ফতোয়া দিয়েছি সে যেন তাড়াহুড়া না করে। কেননা তোমাদের নিকট আমীরুল মুমিনীন শীঘ্রই আসছেন, তাঁর অনুসরণ কর। যখন তিনি আগমন করলেন, তখন আমি বললামঃ হে আমীরুল মুমিনীন! হজ্জের ব্যাপারে আপনি কি নূতনত্ব প্রবর্তন করেছেন? তিনি বললেনঃ আমরা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী কাজ করবো। আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেনঃ "তোমরা আল্লাহর জন্য হজ্জ এবং উমরাহ্ আদায় করা।" আর আমরা আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নত অনুযায়ী কাজ করবো। তিনি কুরবানী করার পূর্বে ইহরাম ভঙ্গ করেন নি।