। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই মর্মে হুকুম করতেন যে, আমাদের কেউ ঘুমানোর জন্য যখন বিছানাগত হয় সে সময় সে যেন বলেঃ “হে আল্লাহ! আকাশমণ্ডলীর প্রভু, মাটিসমূহের প্রভু, আমাদের প্রভু, প্রতিটি বস্তুর প্রভু, শস্যবীজ ও আঁটির অংকুরোদগমনকারী এবং তাওরাত, ইনজীল ও কুরআন অবতীর্ণকারী! আমি প্রত্যেক অনিষ্টকারীর ক্ষতি হতে তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি। এগুলো তোমারই আয়ত্তাধীন, তুমিই শুরু, তোমার আগে কিছুই নেই। আর তুমিই শেষ, তোমার পরে কিছুই নেই। তুমিই প্রকাশিত, তোমার উপরে কিছুই নেই। তুমিই লুকায়িত, তোমার হতে কিছুই গোপন নয়। সুতরাং তুমি আমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দাও এবং দরিদ্রতা হতে আমাকে সাবলম্বী করে দাও"। সহীহঃ আল-কালিমুত তাইয়্যিব (হাঃ ৪০), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার বিছানা হতে উঠার পর আবার বিছানায় প্রত্যাবর্তন করলে সে যেন তার লুঙ্গীর শেষাংশ দিয়ে বিছানাটি তিনবার পরিষ্কার করে নেয়। কারণ সে জানে না, তার অনুপস্থিতিতে তাতে কি পতিত হয়েছে (ময়লা বা ক্ষতিকর কিছু)। আর যখন সে শুয়ে পড়ে সে সময় যেন বলেঃ “হে আমার প্রতিপালক! তোমার নামে আমার পাশ্বদেশ আমি বিছানায় সোপর্দ করলাম এবং আবার তোমার নামেই তা উঠাব। যদি আমার জান তুমি রেখে দাও (মৃত্যু দান কর) তবে তার প্রতি দয়া কর, আর যদি তাকে ছেড়ে দাও তবে তা সেভাবে প্রতিরক্ষা কর যেভাবে তুমি তোমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাদের প্রতিরক্ষা কর”। আর ঘুম হতে জেগে উঠে সে যেন বলেঃ “সকল প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার যিনি আমার দেহকে হিফাযাত করেছেন এবং আমার জান আবার আমাকে ফেরত দিয়েছেন এবং তাকে স্মরণ করারও অনুমতি (তাওফীক) দান করেছেন”। হাসানঃ আল-কালিমুত তাইয়্যিব (হাঃ ৩৪), বুখারী ও মুসলিম “আর ঘুম থেকে জেগে” অংশ বাদে। এই অনুচ্ছেদে জাবির ও আয়িশাহ (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ)-এর হাদীসটি হাসান। কোন কোন বর্ণনাকারী এই হাদীসের বর্ণনায় বলেছেনঃ “সে যেন তার লুঙ্গির (বিছানার) অভ্যন্তর ভাগ ঝেড়ে নেয়”।
। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি রাতে যখন বিছানায় যেতেন, সে সময় “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ”, “কুল আউযূ বিরব্বিল ফালাক" ও "কুল আউযূ বিরব্বিন নাস" (সূরা তিনটি) পাঠ করে হাত যথাসম্ভব সারা শরীরে মলতেন। তিনি মাথা, চেহারা ও দেহের সম্মুখের অংশ হতে আরম্ভ করতেন। তিনি তিনবার এরূপ করতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব সহীহ।
হাদিস 3403 — Jami At Tirmidhi 48:34
সহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ فَرْوَةَ بْنِ نَوْفَلٍ، رضى الله عنه أَنَّهُ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ عَلِّمْنِي شَيْئًا أَقُولُهُ إِذَا أَوَيْتُ إِلَى فِرَاشِي قَالَ " اقْرَأْْ : ( قلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ) فَإِنَّهَا بَرَاءَةٌ مِنَ الشِّرْكِ " . قَالَ شُعْبَةُ أَحْيَانًا يَقُولُ مَرَّةً وَأَحْيَانًا لاَ يَقُولُهَا . حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ حِزَامٍ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ فَرْوَةَ بْنِ نَوْفَلٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ نَحْوَهُ بِمَعْنَاهُ وَهَذَا أَصَحُّ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَرَوَى زُهَيْرٌ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ فَرْوَةَ بْنِ نَوْفَلٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ وَهَذَا أَشْبَهُ وَأَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ شُعْبَةَ . وَقَدِ اضْطَرَبَ أَصْحَابُ أَبِي إِسْحَاقَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ . وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ قَدْ رَوَاهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ نَوْفَلٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ هُوَ أَخُو فَرْوَةَ بْنِ نَوْفَلٍ .
। ফরওয়াহ ইবনু নাওফাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে কিছু শিখিয়ে দিন, যা আমি বিছানাগত হওয়াকালে বলতে পারি। তিনি বললেনঃ তুমি "কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরূন" সূরাটি তিলাওয়াত কর। কারণ তা শিরক হতে মুক্তির ঘোষণা। সহীহঃ তা’লীকুর রাগীব (হাঃ ১/২০৯)। শুবাহ (রাহঃ) বলেন, তিনি (আবূ ইসহাক) কক্ষনো মাররাতান (একবার) শব্দটি সংযুক্ত করছেন, আরার কক্ষনো তা যোগ করেননি। তিনি আবূ ইসহাক হতে, তিনি ফারওয়াহ ইবনু নাওফাল হতে, তিনি তার বাবা হতে এই সনদে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে আসেন.....তারপর উক্ত মর্মে একই রকম রিওয়ায়াত করেছেন। এই সনদসূত্র অনেক বেশি সহীহ। এ হাদীস যুহাইর (রাহঃ) আবূ ইসহাক হতে, তিনি ফারওয়াহ ইবনু নাওফাল হতে, তিনি তার বাবা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। এ সনদসূত্র শু'বাহর বর্ণিত সনদের তুলনায়, বেশি নির্ভরযোগ্য ও সহীহ। আবূ ইসহাকের শাগরিদগণ এ হাদীসের সনদে গড়মিল করেছেন। এ হাদীস অন্যসূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। আবদুর রহমান ইবনু নাওফাল (রাহঃ) তার বাবা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদে এটি রিওয়ায়াত করেছেন। আবদুর রহমান হলেন ফরওয়া ইবনু নাওফালের ভাই।
হাদিস 3404 — Jami At Tirmidhi 48:35
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُونُسَ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُحَارِبِيُّ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، رضى الله عنه قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لاَ يَنَامُ حَتَّى يَقْرَأَ بِتَنْزِيلَ السَّجْدَةِ وَبِتَبَارَكَ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَكَذَا رَوَى سُفْيَانُ وَغَيْرُ وَاحِدٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ لَيْثٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ . وَرَوَى زُهَيْرٌ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ قَالَ قُلْتُ لَهُ سَمِعْتَهُ مِنْ جَابِرٍ قَالَ لَمْ أَسْمَعْهُ مِنْ جَابِرٍ إِنَّمَا سَمِعْتُهُ مِنْ صَفْوَانَ أَوِ ابْنِ صَفْوَانَ . وَرَوَى شَبَابَةُ عَنْ مُغِيرَةَ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ نَحْوَ حَدِيثِ لَيْثٍ .
। জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা তানূয়ীলুস সাজদা ও তাবারাকা (আল-মুলক) না পাঠ করা পর্যন্ত ঘুমাতেন না। সহীহঃ মিশকাত (হাঃ ২১৫৫), সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ৫৮৫), রাওবুন নাৰীৰ (হাঃ ২২৭)। সুফইয়ান সাওরী প্রমুখ হাদীসটি লাইস হতে, তিনি আবু্য যুবাইর হতে, তিনি জাবির (রাযিঃ) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদে একই রকম রিওয়ায়াত করেছেন। উক্ত হাদীস যুহাইর আবূয যুবাইরের সনদে আপনি এটি প্রত্যক্ষভাবে জাবির (রাযিঃ)-এর কাছে শুনেছেন কি? তিনি বললেন, না, প্রত্যক্ষভাবে আমি এটা জাবিরের নিকট হতে শুনিনি। আমি সাফওয়ান অথবা ইবনু সাফওয়ানের কাছে শুনেছি। শাবাবাহ (রাহঃ) মুগীরাহ ইবনু মুসলিম হতে, তিনি আবূয যুবাইর হতে, তিনি জাবির (রাষিঃ) হতে এই সনদে লাইসের হাদীসের একই রকম রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস 3405 — Jami At Tirmidhi 48:36
সহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي لُبَابَةَ، قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ رضى الله عنها كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لاَ يَنَامُ حَتَّى يَقْرَأَ الزُّمَرَ وَبَنِي إِسْرَائِيلَ . أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ قَالَ أَبُو لُبَابَةَ هَذَا اسْمُهُ مَرْوَانُ مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِيَادٍ وَسَمِعَ مِنْ عَائِشَةَ سَمِعَ مِنْهُ حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ .
। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয-যুমার ও বনী ইসরাঈল সূরাগুলো পাঠ না করা পর্যন্ত ঘুমাতেন না। সহীহঃ ২৯২০ নং হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) বলেছেন, আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে আবদুর রহমান ইবনু যিয়াদের মুক্তদাস মারওয়ান (রাহঃ) শুনেছেন এবং আবূ লুবাবাহ-এর নাম হল মারওয়ান তার নিকট হতে হাম্মাদ ইবনু যাইদ শুনেছেন।
। আল-ইরবায ইবনু সারিয়াহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী " মুসাব্বিহাত সূরাগুলো পাঠ না করা পর্যন্ত ঘুমাতেন না। তিনি বলতেনঃ এমন একটি আয়াত তাতে আছে যা হাজার আয়াত হতেও শ্রেষ্ঠ। হাসানঃ ২৯২১ নং হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব।
। বানী হানযালার কোন এক ব্যক্তি হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ আমি এক সফরে শাদ্দাদ ইবনু আওস (রাঃ)-এর সাথী হলাম। তখন তিনি বললেন, আমি কি তোমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দেব না যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বলতে শিখাতেন? “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট প্রার্থনা করি কাজে অবিচলতা, সৎপথে দৃঢ়তা, তোমার দেয়া নিয়ামাতের কৃতজ্ঞতা ও নিষ্ঠার সাথে তোমার ইবাদাত করার যোগ্যতা। আমি তোমার নিকট আরো প্রার্থনা করি সত্যবাদী জিহবা ও বিশুদ্ধ অন্তর। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাই তোমার জানা সকল মন্দ হতে এবং কামনা করি তোমার জানা সকল কল্যাণ। আমি ক্ষমা চাই তোমার জানা সর্বপ্রকারের অপকর্ম হতে। অবশ্যই তুমি অদৃশ্য সম্বন্ধে সম্যক জ্ঞাত"। যঈফ, মিশকাত (৯৫৫), আল-কালি-মুত তায়্যিব (১০৪/৬৫) রাবী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলতেনঃ কোন মুসলিম ব্যক্তি বিছানাগত হওয়ার সময় আল্লাহ্ তা'আলার কিতাবের একটি সূরা পাঠ করলে আল্লাহ তা'আলা তার নিরাপত্তার জন্য একজন ফিরিশতা নিযুক্ত করেন। ফলে তার ঘুমভঙ্গ হওয়া পর্যন্ত কোন ৷ ক্ষতিকর জিনিস তার নিকট পৌছাতে পারবে না। যঈফ, মিশকাত (২৪০৫), তা’লীকুর রাগীব (১/২১০) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি আমরা শুধু উক্ত সনদসূত্রে জেনেছি। জুরাইরীর নাম সাঈদ ইবনু ইয়াস আবূ মাসউদ আল-জুরাইরী। আবূল আ'লার নাম ইয়াযীদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনুশ শিখখীর।
। ‘আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমার কাছে ফাতিমাহ (রাযিঃ) অভিযোগ করে যে, গম পেষার চাকতি ঘুরানোর ফলে তার প্রত্যেক হাতে ফোস্কা পড়ে গেছে। আমি বললাম, তুমি তোমার বাবার (রাসূলুল্লাহর) কাছে গিয়ে যদি তার নিকট একটি খাদিম প্রদানের আবেদন করতে। (ফাতিমাহ আবেদন জানানোর পর) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি তোমাদের দু’জনকে এমন জিনিস কি বলে দিব না যা তোমাদের জন্য দাসের চেয়ে ভাল? তোমরা শয়নকালে ৩৩ বার "আলহামদুলিল্লাহ", ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ” এবং ৩৪ বার “আল্লাহু আকবার" বলবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। হাদীসে আরও ঘটনা আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান এবং ইবনু আওনের বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে গারীব। এ হাদীসটি আলী (রাযিঃ) হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 3409 — Jami At Tirmidhi 48:40
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَزْهَرُ السَّمَّانُ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبِيدَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، رضى الله عنه قَالَ جَاءَتْ فَاطِمَةُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَشْكُو مَجَلاً بِيَدَيْهَا فَأَمَرَهَا بِالتَّسْبِيحِ وَالتَّكْبِيرِ وَالتَّحْمِيدِ .
। আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে ফাতিমাহ (রাযিঃ) তার দু হাতে ফোস্কা পড়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন। তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুবহানাল্লাহ’, ‘আল্লাহু আকবর ও আলহামদুলিল্লাহ্ পাঠ করার হুকুম দেন। সহীহঃ যঈফ আদাবুল মুফরাদ (হাঃ ১০০/৬৩৫), বুখারী ও মুসলিম।