Qurani·قرآني
বাংলা

তাফসীর সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

774 হাদিস · #2950–3723

হাদিস 3190 — Jami At Tirmidhi 47:242
Very Daif IsnaadVery Daif Isnaadদাঈফ
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ السَّهْمِيُّ، عَنْ حَاتِمِ بْنِ أَبِي صَغِيرَةَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أُمِّ هَانِئٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي قَوْلِهِ تَعَالَى ‏:‏ ‏(‏أتَأْتُونَ فِي نَادِيكُمُ الْمُنْكَرَ ‏)‏ قَالَ ‏"‏ كَانُوا يَخْذِفُونَ أَهْلَ الأَرْضِ وَيَسْخَرُونَ مِنْهُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ إِنَّمَا نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ حَاتِمِ بْنِ أَبِي صَغِيرَةَ عَنْ سِمَاكٍ ‏.‏ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الضَّبِّيُّ، حَدَّثَنَا سُلَيْمُ بْنُ أَخْضَرَ، عَنْ حَاتِمِ بْنِ أَبِي صَغِيرَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏
। উম্মু হানী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, আল্লাহ্ তা'আলার বাণীঃ “তোমরাই তো নিজেদের মাজলিসসমূহে প্রকাশ্যে গৰ্হিত কাজ কর"। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এই লোকেরা (কাওমে লুত) দুনিয়াবাসীদের উপর কাকর ছুড়ে মারতো এবং তাদের সাথে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করত। সনদ অত্যন্ত দুর্বল আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। আমরা শুধুমাত্র হাতিম ইবনু আবূ সাগীরার সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি এবং তিনি সিমাকের বরাতে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। আহমাদ ইবনু আবদাহ সুলাইম ইবনু আখযার হাতিম ইবনু আবূ সাগীরা এই সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 3191 — Jami At Tirmidhi 47:243
দাঈফদাঈফহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى، مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَثْمَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ شِهَابٍ الزُّهْرِيُّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لأَبِي بَكْرٍ فِي مُنَاحَبَةٍ ‏:‏ ‏(‏ الم* غُلِبَتِ الرُّومُ ‏)‏ ‏"‏ أَلاَّ احْتَطْتَ يَا أَبَا بَكْرٍ فَإِنَّ الْبِضْعَ مَا بَيْنَ الثَّلاَثِ إِلَى التِّسْعِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম “আলিফ, লাম, মীম, গুলিবাতির রূম" শীর্ষক আয়াতের সাথে সংশ্লিষ্ট আবূ বাকর (রাঃ)-এর বাজি প্রসঙ্গে বলেছেনঃ আবূ বাকর! তুমি সাবধানতা গ্রহণ করলে না কেন? কেননা ... শব্দটি তো তিন হতে নয় পর্যন্ত সংখ্যা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। যঈফ, যঈফা (৩৩৫৪) আবূ ঈসা বলেনঃ উল্লেখিত সনদসূত্রে অর্থাৎ যুহরীর সনদে এ হাদীস হাসান ও গারীব। তিনি উবাইদুল্লাহ হতে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে তা বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 3192 — Jami At Tirmidhi 47:244
সহিহ Lighairihiসহিহহাসানহাসান
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سُلَيْمَانَ الأَعْمَشِ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ لَمَّا كَانَ يَوْمُ بَدْرٍ ظَهَرَتِ الرُّومُ عَلَى فَارِسَ فَأَعْجَبَ ذَلِكَ الْمُؤْمِنِينَ فَنَزَلَتْ ‏:‏ ‏(‏ الم *غَلَبَتِ الرُّومُ ‏)‏ إِلَى قَوْلِهِ ‏:‏ ‏(‏يفْرَحُ الْمُؤْمِنُونَ بِنَصْرِ اللَّهِ ‏)‏ قَالَ فَفَرِحَ الْمُؤْمِنُونَ بِظُهُورِ الرُّومِ عَلَى فَارِسَ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ كَذَا قَرَأَ نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ ‏:‏ ‏(‏غَلَبَتِ الرُّومُ ‏)‏ ‏.‏
। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, যখন বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়, ঠিক এই সময়ে রূমের এশিয়া মাইনরে খৃষ্টান বাহিনী পারস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করে। এ বিষয়টি মুসলিমদেরকে খুবই আনন্দিত করে। এ প্রেক্ষিতে আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ): “আলিফ, লাম, মীম। রোমকগণ নিকটবর্তী ভূখণ্ডে পরাজিত হয়েছে। তাদের এই পরাজয়ের কয়েক বছরের মধ্যেই তারা আবার বিজয়ী হবে। আগের ও পরের ফাঈসালা আল্লাহ তা'আলারই। সেদিন আল্লাহ তা'আলার সাহায্যে মু’মিনগণ আনন্দিত হবে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন। তিনি মহা পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু”— (সূরা আর-রূম ১-৫)। বর্ণনাকারী বলেন, পরবর্তী হাদীসের সহায়তায় এ হাদীসটি সহীহ। আবূ ঈসা বলেন, উল্লেখিত সনদসূত্রে এ হাদীসটি হাসান গারীব। নাসর ইবনু আলী (গলাবাতির রূম) পাঠ করেছেন।
হাদিস 3193 — Jami At Tirmidhi 47:245
সহিহদাঈফহাসানহাসান
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْفَزَارِيِّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي عَمْرَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى ‏:‏ ‏(‏ الم * غُلِبَتِ الرُّومُ * فِي أَدْنَى الأَرْضِ ‏)‏ قَالَ غُلِبَتْ وَغَلَبَتْ كَانَ الْمُشْرِكُونَ يُحِبُّونَ أَنْ يَظْهَرَ أَهْلُ فَارِسَ عَلَى الرُّومِ لأَنَّهُمْ وَإِيَّاهُمْ أَهْلُ أَوْثَانٍ وَكَانَ الْمُسْلِمُونَ يُحِبُّونَ أَنْ يَظْهَرَ الرُّومُ عَلَى فَارِسَ لأَنَّهُمْ أَهْلُ كِتَابٍ فَذَكَرُوهُ لأَبِي بَكْرٍ فَذَكَرَهُ أَبُو بَكْرٍ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ أَمَا إِنَّهُمْ سَيَغْلِبُونَ ‏"‏ ‏.‏ فَذَكَرَهُ أَبُو بَكْرٍ لَهُمْ فَقَالُوا اجْعَلْ بَيْنَنَا وَبَيْنَكَ أَجَلاً فَإِنْ ظَهَرْنَا كَانَ لَنَا كَذَا وَكَذَا وَإِنْ ظَهَرْتُمْ كَانَ لَكُمْ كَذَا وَكَذَا فَجَعَلَ أَجَلَ خَمْسِ سِنِينَ فَلَمْ يَظْهَرُوا فَذَكَرُوا ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ أَلاَ جَعَلْتَهُ إِلَى دُونِ - قَالَ أُرَاهُ الْعَشْرِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ سَعِيدٌ وَالْبِضْعُ مَا دُونَ الْعَشْرِ قَالَ ثُمَّ ظَهَرَتِ الرُّومُ بَعْدُ ‏.‏ قَالَ فَذَلِكَ قَوْلُهُ تَعَالَى ‏:‏ ‏(‏ الم * غُلِبَتِ الرُّومُ ‏)‏ إِلَى قَوْلِهِ ‏:‏ ‏(‏يفْرَحُ الْمُؤْمِنُونَ * بِنَصْرِ اللَّهِ يَنْصُرُ مَنْ يَشَاءُ ‏)‏ قَالَ سُفْيَانُ سَمِعْتُ أَنَّهُمْ ظَهَرُوا عَلَيْهِمْ يَوْمَ بَدْرٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ إِنَّمَا نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي عَمْرَةَ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ (অনুবাদ) আলিফ, লাম, মীম। রোমকগণ নিকটবর্তী ভূখণ্ডে পরাজিত হয়েছে, এ আয়াত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এতে দুই রকমের কিরআত আছে, “গুলিবাত” (পরাজিত হল) এবং “গালাবাত” (বিজয়ী হল)। তিনি আরো বলেন, মুশরিকরা চাইত যে, পারস্য শক্তি রোমান শক্তির উপরে জয়ী হোক। কেননা (মক্কার) মুশরিকরা এবং পারস্যের অধিবাসীরা উভয়ে ছিল পৌত্তলিক। আর মুসলিমরা আকাঙ্ক্ষা করত যে, রোমান শক্তি পারস্য শক্তির বিরুদ্ধে বিজয়ী হোক। কেননা তারা ছিল আহলে কিতাব। তারা ব্যাপারটি আবূ বাকর (রাযিঃ)-এর সামনে উল্লেখ করলে তিনি তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানান। তিনি বললেনঃ অচিরেই রোমান শক্তি পারস্য শক্তির উপরে বিজয়ী হবে। আবূ বাকর (রাযিঃ) এ কথা তাদের নিকট উল্লেখ করলে তারা বলল, আপনি আমাদের ও আপনার মাঝে এর একটি সময়সীমা নির্দিষ্ট করুন। এ সময়সীমার মধ্যে আমরা যদি বিজয়ী হই তবে (এত এত মাল আমাদেরকে) দিতে হবে। আর যদি আপনারা বিজয়ী হন তবে আমরা আপনাদেরকে এই এই (পরিমাণ মাল) দিব। তিনি পাঁচ বছরের সময়সীমা নির্দিষ্ট করেন। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে কোন বিজয় সূচিত হল না। লোকেরা তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ (হে আবূ বাকর!), তুমি কেন আর কিছু বেশি সময়সীমা ধার্য করলে না? বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি দশ বছরের কাছাকাছি সময়ের কথা বলেছেন। সাঈদ (রাহঃ) বলেন, বিযউ’ শব্দের অর্থ দশের চেয়ে কম। বর্ণনাকারী বলেন, পরবর্তীকালে রোমান শক্তি বিজয়ী হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এটাই আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ আলিফ, লাম, মীম!... ইয়াফরাহুল মুমিনুনা বিনাসরিল্লাহ" এর তাৎপর্য। সুফইয়ান বলেন, আমি শুনেছি, রোমান শক্তি ঠিক বদরের যুদ্ধের দিন পারস্য শক্তির উপরে বিজয়ী হয়। সহীহঃ যঈফাহ (২২৫৪) নং হাদীসের অধীনে। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান, সহীহ গারীব। আমরা শুধু সুফইয়ানের রিওয়ায়াত হিসেবে এ হাদীস জেনেছি। তিনি হাবীব ইবনু আবী আমর’র সনদে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 3194 — Jami At Tirmidhi 47:246
হাসানদাঈফহাসান SahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ نِيَارِ بْنِ مُكْرَمٍ الأَسْلَمِيِّ، قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ ‏:‏ ‏(‏ الم * غُلِبَتِ الرُّومُ * فِي أَدْنَى الأَرْضِ وَهُمْ مِنْ بَعْدِ غَلَبِهِمْ سَيَغْلِبُونَ * فِي بِضْعِ سِنِينَ ‏)‏ فَكَانَتْ فَارِسُ يَوْمَ نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ قَاهِرِينَ لِلرُّومِ وَكَانَ الْمُسْلِمُونَ يُحِبُّونَ ظُهُورَ الرُّومِ عَلَيْهِمْ لأَنَّهُمْ وَإِيَّاهُمْ أَهْلُ كِتَابٍ وَفِي ذَلِكَ قَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى ‏:‏ ‏(‏يوْمَئِذٍ يَفْرَحُ الْمُؤْمِنُونَ * بِنَصْرِ اللَّهِ يَنْصُرُ مَنْ يَشَاءُ وَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ ‏)‏ فَكَانَتْ قُرَيْشٌ تُحِبُّ ظُهُورَ فَارِسَ لأَنَّهُمْ وَإِيَّاهُمْ لَيْسُوا بِأَهْلِ كِتَابٍ وَلاَ إِيمَانٍ بِبَعْثٍ فَلَمَّا أَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى هَذِهِ الآيَةَ خَرَجَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ رضى الله عنه يَصِيحُ فِي نَوَاحِي مَكَّةَ ‏:‏ ‏(‏ الم * غُلِبَتِ الرُّومُ * فِي أَدْنَى الأَرْضِ وَهُمْ مِنْ بَعْدِ غَلَبِهِمْ سَيَغْلِبُونَ * فِي بِضْعِ سِنِينَ ‏)‏ قَالَ نَاسٌ مِنْ قُرَيْشٍ لأَبِي بَكْرٍ فَذَلِكَ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ زَعَمَ صَاحِبُكُمْ أَنَّ الرُّومَ سَتَغْلِبُ فَارِسًا فِي بِضْعِ سِنِينَ أَفَلاَ نُرَاهِنُكَ عَلَى ذَلِكَ قَالَ بَلَى ‏.‏ وَذَلِكَ قَبْلَ تَحْرِيمِ الرِّهَانِ فَارْتَهَنَ أَبُو بَكْرٍ وَالْمُشْرِكُونَ وَتَوَاضَعُوا الرِّهَانَ وَقَالُوا لأَبِي بَكْرٍ كَمْ تَجْعَلُ الْبِضْعُ ثَلاَثُ سِنِينَ إِلَى تِسْعِ سِنِينَ فَسَمِّ بَيْنَنَا وَبَيْنَكَ وَسَطًا تَنْتَهِي إِلَيْهِ ‏.‏ قَالَ فَسَمَّوْا بَيْنَهُمْ سِتَّ سِنِينَ قَالَ فَمَضَتِ السِّتُّ سِنِينَ قَبْلَ أَنْ يَظْهَرُوا فَأَخَذَ الْمُشْرِكُونَ رَهْنَ أَبِي بَكْرٍ فَلَمَّا دَخَلَتِ السَّنَةُ السَّابِعَةُ ظَهَرَتِ الرُّومُ عَلَى فَارِسَ فَعَابَ الْمُسْلِمُونَ عَلَى أَبِي بَكْرٍ تَسْمِيَةَ سِتِّ سِنِينَ لأَنَّ اللَّهَ تَعَالَى قَالَ ‏:‏ ‏(‏في بِضْعِ سِنِينَ ‏)‏ قَالَ وَأَسْلَمَ عِنْدَ ذَلِكَ نَاسٌ كَثِيرٌ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ نِيَارِ بْنِ مُكْرَمٍ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الزِّنَادِ ‏.‏
। নিয়ার ইবনু মুকরাম আল-আসলামী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যখন অবতীর্ণ হলঃ (অনুবাদ) “আলিফ, লাম, মীম; রোমকরা নিকটবর্তী ভূখণ্ডে পরাজিত হয়েছে; তাদের এই পরাজয়ের পর অচিরেই কয়েক বছরের মধ্যে তারা বিজয়ী হবে", তখন পারস্য শক্তি রোমকদের উপর প্রভুত্ব করছিল। মুসলিমরা আকাঙ্ক্ষা করত যে, রোমক শক্তি পারস্য শক্তির বিরুদ্ধে বিজয়ী হোক। কেননা মুসলিমরা ছিল আহলে কিতাব এবং রোমান খৃষ্টানরাও ছিল আহলে কিতাব। এ বিষয়ে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “সেদিন আল্লাহর দেয়া বিজয়ে মুমিনগণ আনন্দিত হবে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন। তিনি মহা পরাক্রমশালী পরম দয়াময়।” কুরাইশরা চাইতো যে, পারস্যশক্তি বিজয়ী হোক। কেননা এ দুই গোত্রের কেউই আহলে কিতাব ছিল না, তারা আখিরাতের প্রতিও বিশ্বাসী ছিল না। আল্লাহ তা'আলা এ আয়াতগুলো অবতীর্ণ করলে আবূ বাকর সিদ্দীক (রাযিঃ) মক্কার অলিতে গলিতে ঘুরে ঘুরে উচ্চ কণ্ঠে ঘোষণা করেনঃ আলিফ, লা-ম, মী-ম। রোমান শক্তি নিকটবর্তী অঞ্চলে পরাজিত হয়েছে। তাদের এ পরাজয়ের পর অচিরেই কয়েক বছরের মধ্যে তারা বিজয়ী হবে।” কুরাইশদের একদল লোক আবূ বাকর (রাযিঃ)-কে বলল, আমাদের ও তোমাদের মাঝে একটি চুক্তি হোক। তোমার সাথী (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন যে, রোমানরা কয়েক বছরের মধ্যেই পারস্য শক্তির উপরে বিজয়ী হবে। আমরা এ বিষয়ে তোমাদের সাথে বাজি রেখে মাল বন্ধক রাখি না কেন? আবূ বাকর (রাযিঃ) বলেন, ঠিক আছে। বর্ণনাকারী বলেন, বাজি হারাম ঘোষিত হওয়ার পূর্বে এই চুক্তি হয়েছিল। আবূ বাকর (রাযিঃ) এবং (রাযিঃ)-কে বলল, আপনি বিযুউ-কে কত নির্ধারণ করতে চান? এ তো তিন হতে নয় বছর পর্যন্ত বুঝা যায়। আপনি আমাদের এবং আপনার মধ্যে একটি মধ্যবর্তী সময় নির্দিষ্ট করুন। আমরা উভয়ে ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করব। বর্ণনাকারী বলেন, তারা নিজেদের মধ্যে ছয় বছরের সময়সীমা নির্ধারণ করে। বর্ণনাকারী বলেন, ছয় বছর পার হয়ে গেলেও কিন্তু রোমানরা পারসিকদের উপর বিজয়ী হয়নি। অতএব মুশরিকরা আবূ বাকর (রাযিঃ)-এর অর্থ নিয়ে নিল। কিন্তু সপ্তম বছরে রোমানরা পারসিকদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে। মুসলিমরা আবূ বাকর (রাযিঃ)-এর ছয় বছর বরাদ্ধ করাটাকে দোষারোপ করল। কেননা আল্লাহ তা'আলা “কয়েক বছরের মধ্যেই” বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় (ভবিষ্যদ্বাণী সত্য হলে) অনেক মানুষ ইসলাম গ্রহণ করে। হাসানঃ যঈফাহ (৩৩৫৪) নং হাদীসের অধীনে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ, নিয়ার ইবনু মুকরামের হাদীস হিসেবে গারীব। আবদুর রহমান ইবনু আবূয যিনাদের সনদেই শুধু আমরা এ হাদীস জেনেছি।
হাদিস 3195 — Jami At Tirmidhi 47:247
হাসানহাসানদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ زَحْرٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَهُوَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ تَبِيعُوا الْقَيْنَاتِ وَلاَ تَشْتَرُوهُنَّ وَلاَ تُعَلِّمُوهُنَّ وَلاَ خَيْرَ فِي تِجَارَةٍ فِيهِنَّ وَثَمَنُهُنَّ حَرَامٌ ‏"‏ ‏.‏ فِي مِثْلِ ذَلِكَ أُنْزِلَتْ عَلَيْهِ هَذِهِ الآيَةُ ‏:‏ ‏(‏ومِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ ‏)‏ إِلَى آخِرِ الآيَةِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ إِنَّمَا يُرْوَى مِنْ حَدِيثِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ ‏.‏ وَالْقَاسِمُ ثِقَةٌ وَعَلِيُّ بْنُ يَزِيدَ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيثِ قَالَ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ يَقُولُ الْقَاسِمُ ثِقَةٌ وَعَلِيُّ بْنُ يَزِيدَ يُضَعَّفُ ‏.‏
। আবূ উমামাহ্ (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা গায়িকা নারীদের ক্রয়-বিক্রয় করো না, তাদেরকে গান-বাজনা শিক্ষা দিও না, তাদের (ব্যবসায়িক পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা) ব্যবসায়ের মধ্যে কোন মঙ্গল নেই এবং এদের মূল্যও হারাম। এ প্রসঙ্গেই এই আয়াত অবতীর্ণ হয় (অনুবাদ) “এমনও কিছু লোক আছে, যারা বাতিল অশ্লীল কাহিনীসমূহ ক্রয় করে আনে, যেন লোকদের অজ্ঞতাবশত আল্লাহ্‌ তা'আলার পথ হতে আলাদা করতে পারে এবং এ পথকে ঠাট্টা-বিদ্ধপ করতে পারে। এ ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে অপমানকর আযাব"- (সূরা লুকমান ৬)। হাসানঃ (১২৮২) নং হাদীস পূর্বে উল্লেখ হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। এটি শুধুমাত্র আবূ উমামাহ (রাযিঃ) সূত্রে কাসিম হতে বর্ণিত হয়েছে। কাসিম নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী ‘আলী ইবনু ইয়াযীদ হাদীস শাস্ত্রে যঈফ। আমি মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছি আল-কাসিম নির্ভরযোগ্য এবং ‘আলী ইবনু ইয়াযীদ দুর্বল।
হাদিস 3196 — Jami At Tirmidhi 47:248
সহিহসহিহহাসান SahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي زِيَادٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأُوَيْسِيُّ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلاَلٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ هَذِهِ الآيَةَ ‏:‏ ‏(‏ تتَجَافَى، جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ، ‏)‏ نَزَلَتْ فِي انْتِظَارِ هَذِهِ الصَّلاَةِ الَّتِي تُدْعَى الْعَتَمَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏
। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) কর্তৃক বর্ণিত আছে, “তাদের দেহপাশ বিছানা হতে আলগা হয়ে যায়..."— (সূরা সিজদা্ ১৬) আয়াতটি আতামার (ইশার) নামাযের জন্য অপেক্ষা করার ফায়ীলাত প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছে। সহীহঃ তা’লীকুর রাগীব (১/১৬০) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান, সহীহ গারীব। আমরা শুধু উল্লেখিত সনদেই এ হাদীস জেনেছি।
হাদিস 3197 — Jami At Tirmidhi 47:249
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى أَعْدَدْتُ لِعِبَادِي الصَّالِحِينَ مَا لاَ عَيْنٌ رَأَتْ وَلاَ أُذُنٌ سَمِعَتْ وَلاَ خَطَرَ عَلَى قَلْبِ بَشَرٍ وَتَصْدِيقُ ذَلِكَ فِي كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ‏:‏ ‏(‏ فلاَ تَعْلَمُ نَفْسٌ مَا أُخْفِيَ لَهُمْ مِنْ قُرَّةِ أَعْيُنٍ جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য এমন কিছু তৈরি করে রেখেছি, যা কোন চোখ কখনো দেখেনি, কোন কান (এর বর্ণনা) কখনো শুনেনি এবং মানুষের অন্তর তা কল্পনাও করতে পারবে না। এর সত্যতা আল্লাহ তা'আলার কিতাবেই বিদ্যমানঃ “তাদের ভাল কাজের ফল স্বরূপ তাদের চক্ষু শীতলকারী কী লুকায়িত রাখা হয়েছে তা কেউই জানে না”— (সূরা সিজদা ১৭)। সহীহঃ রাওয়ূন নায়ীর (১১০৬), বুখারী (৪৭৭৯), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 3198 — Jami At Tirmidhi 47:250
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ طَرِيفٍ، وَعَبْدِ الْمَلِكِ، وَهُوَ ابْنُ أَبْجَرَ سَمِعَا الشَّعْبِيَّ، يَقُولُ سَمِعْتُ الْمُغِيرَةَ بْنَ شُعْبَةَ، عَلَى الْمِنْبَرِ يَرْفَعُهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ مُوسَى عَلَيْهِ السَّلاَمُ سَأَلَ رَبَّهُ فَقَالَ أَىْ رَبِّ أَىُّ أَهْلِ الْجَنَّةِ أَدْنَى مَنْزِلَةً قَالَ رَجُلٌ يَأْتِي بَعْدَ مَا يَدْخُلُ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ فَيُقَالُ لَهُ ادْخُلِ الْجَنَّةَ ‏.‏ فَيَقُولُ كَيْفَ أَدْخُلُ وَقَدْ نَزَلُوا مَنَازِلَهُمْ وَأَخَذُوا أَخَذَاتِهِمْ ‏.‏ قَالَ فَيُقَالُ لَهُ أَتَرْضَى أَنْ يَكُونَ لَكَ مَا كَانَ لِمَلِكٍ مِنْ مُلُوكِ الدُّنْيَا فَيَقُولُ نَعَمْ أَىْ رَبِّ قَدْ رَضِيتُ ‏.‏ فَيُقَالُ لَهُ فَإِنَّ لَكَ هَذَا وَمِثْلَهُ وَمِثْلَهُ وَمِثْلَهُ فَيَقُولُ رَضِيتُ أَىْ رَبِّ ‏.‏ فَيُقَالُ لَهُ فَإِنَّ لَكَ هَذَا وَعَشْرَةَ أَمْثَالِهِ فَيَقُولُ رَضِيتُ أَىْ رَبِّ ‏.‏ فَيُقَالُ لَهُ فَإِنَّ لَكَ مَعَ هَذَا مَا اشْتَهَتْ نَفْسُكَ وَلَذَّتْ عَيْنُكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَرَوَى بَعْضُهُمْ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنِ الْمُغِيرَةِ وَلَمْ يَرْفَعْهُ وَالْمَرْفُوعُ أَصَحُّ ‏.‏
। মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাযিঃ) মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মূসা (আঃ) নিজ সৃষ্টিকর্তার নিকট আরজ করলেনঃ হে প্রভু! সর্বাপেক্ষা নিম্ন শ্রেণীর জান্নাতী কে? তিনি (আল্লাহ) বললেনঃ জান্নাতবাসীরা জান্নাতে চলে যাওয়ার পর এক লোক উপস্থিত হবে। তাকে বলা হবে, প্রবেশ কর। সে বলবে, আমি কি করে জান্নাতে প্রবেশ করব, লোকেরা তো নিজ নিজ স্থানে পৌছে তা দখল করে নিয়েছে! তখন তাকে বলা হবে, দুনিয়ার বাদশাদের মধ্যে একজন বাদশার যত বড় রাজত্ব হতে পারে, তোমাকে যদি ততটুকু দেয়া হয় তবে তুমি কি খুশি হবে? সে বলবে, হে প্ৰভু! হ্যাঁ আমি তাতে খুশি হব। তাকে বলা হবে, তোমাকে এ পরিমাণ এবং এর অতিরিক্ত তিন গুণ স্থান দেয়া হল। সে বলবে, হে প্ৰভু! আমি এতে খুশি আছি। তাকে বলা হবে, তোমাকে এই পরিমাণ দেয়া হল এবং তার দশ গুণ দেয়া হল। সে বলবে, হে প্ৰভু! আমি সন্তুষ্ট হলাম। তাকে বলা হবে, এ ব্যতীতও তোমার আত্মা যা কামনা করবে এবং তোমার চোখ যা পেয়ে শীতল হবে তাও তোমাকে দেয়া হবে। সহীহঃ মুসলিম (৬/৪৫-৪৬) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। কিছু বর্ণনাকারী শা'বী হতে, তিনি মুগীরাহ (রাযিঃ) হতে, এই সনদে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন, কিন্তু মারফুরূপে নয়। তবে মারফুরূপে বর্ণিত হাদীসটি অনেক বেশি সহীহ।
হাদিস 3199 — Jami At Tirmidhi 47:251
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadদাঈফ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا صَاعِدٌ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، أَخْبَرَنَا قَابُوسُ بْنُ أَبِي ظَبْيَانَ، أَنَّ أَبَاهُ، حَدَّثَهُ قَالَ قُلْنَا لاِبْنِ عَبَّاسٍ أَرَأَيْتَ قَوْلَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ‏:‏ ‏(‏ما جَعَلَ اللَّهُ لِرَجُلٍ مِنْ قَلْبَيْنِ فِي جَوْفِهِ ‏)‏ مَا عَنَى بِذَلِكَ قَالَ قَامَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا يُصَلِّي فَخَطَرَ خَطْرَةً فَقَالَ الْمُنَافِقُونَ الَّذِينَ يُصَلُّونَ مَعَهُ أَلاَ تَرَى أَنَّ لَهُ قَلْبَيْنِ قَلْبًا مَعَكُمْ وَقَلْبًا مَعَهُمْ ‏.‏ فَأَنْزَلَ اللَّهُ ‏:‏ ‏(‏ما جَعَلَ اللَّهُ لِرَجُلٍ مِنْ قَلْبَيْنِ فِي جَوْفِهِ ‏)‏ ‏.‏ حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏
। কাবুস ইবনু আবূ যাবইয়ান (রহঃ) বলেন যে, তার পিতা তাকে বলেছেন, আমরা ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলামঃ আপনি কি বলেন, আল্লাহ তা'আলার বাণী “আল্লাহ তা'আলা কোন ব্যক্তির বক্ষে দুটি হৃদয় তৈরী করেননি" (সূরাঃ আল-আহ্যাব-৪), এর অর্থ কি? তিনি বললেন, একদিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলেন। নামাযে তার কিছু (ওয়াসওয়াসা জাতীয়) ক্রটি হয়। যেসব মুনাফিক তার সাথে নামায আদায় করে তারা একে অপরকে বলল, তোমরা কি দেখতে পাচ্ছ না যে, তার দুটি হৃদয় আছে? একটি হৃদয় তোমাদের সাথে, অন্যটি হৃদয় তাদের সাথে থাকে। এই পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ “কোন ব্যক্তির বক্ষে আল্লাহ তা'আলা দুটি হৃদয় তৈরী করেননি”। সনদ দুর্বল আবদ ইবনু হুমাইদ-আহমাদ ইবনু ইউনুস হতে তিনি যুহাইর (রহঃ) সূত্রে উপরের হাদীসের মতই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান। এ সনদটিও দুর্বল
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।