। বুরাইদাহ (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কোন এক যুদ্ধাভিযানে যান। তিনি ফিরে এলে এক কৃষ্ণবর্ণা মেয়ে এসে বলে, হে আল্লাহর রাসূল! আমি মানৎ করেছিলাম যে, আপনাকে আল্লাহ তা'আলা হিফাযাতে (সুস্থাবস্থায়) ফিরিয়ে আনলে আপনার সম্মুখে আমি দফ বাজাব এবং গান করব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তুমি সত্যিই যদি মানৎ করে থাক তবে দফ বাজাও, তা না হলে বাজিও না। সে দফ (এক মুখ খোলা ঢোল) বাজাতে লাগল। এই অবস্থায় সেখানে আবূ বাকর (রাযিঃ) এলেন এবং সে দফ বাজাতে থাকে, তারপর ‘আলী (রাযিঃ) এলেন এবং সে ওটা বাজাতে থাকে। তারপর উসমান (রাযিঃ) এলেন, সে সময়ও সে তা বাজাতে থাকে। তারপর উমর (রাযিঃ) এসে প্রবেশ করলে সে দফটি তার নিতম্বের নীচে রেখে তার উপর অবস্থান করে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে উমার! তোমাকে দেখলে শাইতানও ভয় পায়। আমি উপবিষ্ট ছিলাম আর ঐ মেয়েটি দফ বাজাচ্ছিল। পরে আবূ বাকর এসে প্রবেশ করলে সে সময়ও সে তা বাজাতে থাকে। তারপর ‘আলী প্রবেশ করলে সে সময়ও সে তা বাজাতে থাকে। এরপর উসমান এসে প্রবেশ করলে তখনও সে তা বাজাতে থাকে। অবশেষে তুমি এসে যখন প্রবেশ করলে, হে উমার! সে সময় সে দফটি ফেলে দিল। সহীহঃ নাকুদুল কিত্তানী (৪৭-৪৮), সহীহাহ (২২৬১)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ এবং বুরাইদাহর বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে গারীব। এ অনুচ্ছেদে 'উমার, সা'দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস ও আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস 3691 — Jami At Tirmidhi 49:87
সহিহসহিহহাসান SahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ صَبَّاحٍ الْبَزَّارُ، قَالَ حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ابْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ رُومَانَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَالِسًا فَسَمِعْنَا لَغَطًا وَصَوْتَ صِبْيَانٍ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا حَبَشِيَّةٌ تُزْفِنُ وَالصِّبْيَانُ حَوْلَهَا فَقَالَ " يَا عَائِشَةُ تَعَالَىْ فَانْظُرِي " . فَجِئْتُ فَوَضَعْتُ لَحْيَىَّ عَلَى مَنْكِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَعَلْتُ أَنْظُرَ إِلَيْهَا مَا بَيْنَ الْمَنْكِبِ إِلَى رَأْسِهِ فَقَالَ لِي " أَمَا شَبِعْتِ أَمَا شَبِعْتِ " . قَالَتْ فَجَعَلْتُ أَقُولُ لاَ لأَنْظُرَ مَنْزِلَتِي عِنْدَهُ إِذْ طَلَعَ عُمَرُ قَالَ فَارْفَضَّ النَّاسُ عَنْهَا قَالَتْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنِّي لأَنْظُرُ إِلَى شَيَاطِينِ الإِنْسِ وَالْجِنِّ قَدْ فَرُّوا مِنْ عُمَرَ " . قَالَتْ فَرَجَعْتُ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ .
। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসা ছিলেন। সে সময় আমরা একটা সোরগোল ও শিশুদের হৈচৈ শুনতে পেলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে গিয়ে দেখলেন, এক হাবশী নারী নেচেকুদে খেলা দেখাচ্ছে আর শিশুরা তার চারদিকে ভীড় জমিয়েছে। তিনি বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! এসো এবং প্রত্যক্ষ কর। অতএব আমি গেলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাধের উপর আমার চিবুক রেখে তার খেলা প্রত্যক্ষ করতে লাগলাম। আমার চিবুক ছিল তার মাথা ও কাধের মধ্যবর্তী জায়গায়। (কিছুক্ষণ পর) আমাকে তিনি বললেনঃ তুমি কি তৃপ্ত হওনি, তোমার কি তৃপ্তি পূর্ণ হয়নি। তিনি বলেন, আমি না, না বলতে থাকলাম। আমার লক্ষ্য ছিল, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতটুকু খাতির করেন তা পর্যবেক্ষণ করা। ইত্যবসরে উমর (রাযিঃ) আবির্ভূত হন এবং মুহুর্তের মধ্যে সমস্ত লোক তার কাছ হতে সটকে পড়ে। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, সে সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি দেখলাম জিন ও মানববেশধারী শাইতানগুলো 'উমারকে দেখেই সরে যাচ্ছে। তিনি বলেন, তারপর আমি ফিরে এলাম। সহীহঃ মিশকাত (৬০৩৯)। আবূ ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার জন্যই প্রথমে (কবর) বিদীর্ণ করা হবে, তারপর আবূ বাকরের, তারপর উমারের জন্য। তারপর আমি আল-বাকী’র কবরবাসীদের নিকট আসব এবং তাদেরকে আমার সাথে হাশরের মাঠে সমবেত করা হবে। তারপর আমি মক্কাবাসীদের জন্য প্রতীক্ষা করব। পরিশেষে হারামাইন শরীফাইন (মক্কা ও মদীনা)-এর মধ্যবর্তী স্থানে আমাকে উঠানো হবে। যঈফ, যঈফা (২৯৪৯) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। (আমার মতে) আসিম ইবনু উমার হাফেজে হাদীস' নন।
হাদিস 3693 — Jami At Tirmidhi 49:89
হাসান Sahihহাসান Sahihহাসান Sahihসহিহ - Bukhari And Muslim
। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাবেক উম্মাতদের মাঝে মুহাদ্দাস’ (তীক্ষ্ণবুদ্ধি ও সূক্ষ্মদশী লোক) আবির্ভাব হতেন। আমার উম্মাতের মাঝে কেউ মুহাদ্দাস হলে তা উমার ইবনুল খাত্তাবই। হাসান সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি সহীহ। ইবনু উয়াইনার অপর এক শাগরিদ সুফইয়ান ইবনু উয়াইনার সনদে আমার কাছে রিওয়ায়াত করেছেন যে, তিনি বলেন, মুহাদ্দাসুন অর্থ মুফাহহামূন (আল্লাহ যাদেরকে ইসলামের পূর্ণ জ্ঞান দান করেন)।
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের সামনে জান্নাতীদের একজন আবির্ভূত হবেন। ইত্যবসরে আবূ বাকর (রাঃ) আবির্ভূত হন। তিনি আবার বলেনঃ তোমাদের সামনে জান্নাতীদের একজন আবির্ভূত হবেন। ইত্যবসরে উমর (রাঃ) আবির্ভূত হন। যঈফ, মিশকাত (৬০৮৫) এ অনুচ্ছেদে আবূ মূসা ও জাবির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর রিওয়ায়াত হিসেবে এ হাদীসটি গারীব।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একদিন এক লোক তার মেষ (বকরী) পাল চরাচ্ছিল। হঠাৎ একটি নেকড়ে বাঘ এসে একটি বকরী ধরে ফেলে। তার মালিক এসে নেকড়ের কাছ থেকে বকরীটি ছিনিয়ে নিল। নেকড়ে বলল, হিংস্র জন্তুর দিনে (যেদিন মানুষ মারা যাবে এবং হিংস্র জন্তুরা বাকি থাকবে) তুমি কি করবে, যেদিন আমি ছাড়া এদের কোন রাখাল থাকবে না? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি নিজে এবং আবূ বাকর ও উমার এতে (নেকড়ের মন্তব্যে) বিশ্বাস স্থাপন করলাম। আবূ সালামাহ্ (রাযিঃ) বলেন, সেই মজলিসে ঐ দিন তারা দু’জন হাযির ছিলেন না। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। এটি ৩৬৭৭ নং হাদীসের পূর্ণাঙ্গরূপ। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার-মুহাম্মাদ ইবনু জাফার হতে, তিনি শুবাহ হতে, তিনি সা'দ ইবনু ইবরাহীম (রাহঃ) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 3696 — Jami At Tirmidhi 49:92
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضى الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ عَلَى حِرَاءَ هُوَ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعَلِيٌّ وَعُثْمَانُ وَطَلْحَةُ وَالزُّبَيْرُ رضى الله عنهم فَتَحَرَّكَتِ الصَّخْرَةُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " اهْدَأْ إِنَّمَا عَلَيْكَ نَبِيٌّ أَوْ صِدِّيقٌ أَوْ شَهِيدٌ " .وَفِي الْبَابِ عَنْ عُثْمَانَ وَسَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَسَهْلِ بْنِ سَعْدٍ وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ وَبُرَيْدَةَ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ .
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেরা পর্বতে ছিলেন এবং তার সঙ্গে ছিলেন আবূ বাকর, উমার, উসমান, ‘আলী, ত্বালহা ও আয-যুবাইর (রাযিঃ)। (তাদের পদতলের) পাথরটি নড়াচড়া করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ স্থির হয়ে থাক। কেননা তোমার উপর একজন নবী কিংবা একজন সিদ্দীক অথবা একজন শহীদ রয়েছেন। সহীহঃ সহীহাহ (২/৫৬২), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি সহীহ। এ অনুচ্ছেদে উসমান, সাঈদ ইবনু যাইদ, ইবনু আব্বাস, সাহল ইবনু সাদ, আনাস ইবনু মালিক ও বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 3697 — Jami At Tirmidhi 49:93
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسَ حَدَّثَهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَعِدَ أُحُدًا وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ فَرَجَفَ بِهِمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اثْبُتْ أُحُدُ فَإِنَّمَا عَلَيْكَ نَبِيٌّ وَصِدِّيقٌ وَشَهِيدَانِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর, উমার ও উসমান (রাযিঃ)-সহ উহুদ পাহাড়ে আরোহণ করেন। তাদেরকে নিয়ে পাহাড় কেঁপে উঠে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (পদাঘাত করে) বললেনঃ হে উহুদ শান্ত হও। তোমার উপরে একজন নবী, একজন সিদ্দীক (পরম সত্যবাদী) ও দু'জন শহীদ রয়েছেন। সহীহঃ সহীহাহ (৮৭৫), বুখারী। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
। তালহা ইবনু উবাইদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীর একজন করে ঘনিষ্ঠ বন্ধু আছে। জান্নাতে আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু হবেন উসমান (রাঃ)। যঈফ, ইবনু মাজাহ (১০৯) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। এর সনদসূত্র তেমন সুদৃঢ় নয় এবং এটি মুনকাতে হাদীস।
। আবূ আবদুর রহমান আস-সুলামী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যখন উসমান (রাযিঃ) বিদ্রোহীদের মাধ্যমে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন, সে সময় তিনি তার ঘরের উপরিতলে (ছাদে) উঠলেন, তারপর বললেন, আজ আল্লাহর কসম করে আমি তোমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছি তোমরা কি অবহিত আছ যে, হেরা পর্বত কম্পিত হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ হে হেরা! শান্ত হয়ে যাও, কেননা তোমার উপর রয়েছেন একজন নবী কিংবা একজন সিদ্দীক কিংবা একজন শহীদ? লোকেরা বলল, হ্যাঁ। তিনি পুনরায় বললেন, আমি আল্লাহ তা'আলার নামে কসম করে তোমাদেরকে মনে করিয়ে দিচ্ছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উসরা বাহিনীর (তাবুকের যুদ্ধের) জন্য বলেছিলেনঃ কে একটা পছন্দনীয় বা কবুল হওয়ার যোগ্য (অধিক পরিমাণের) খরচ দিতে তৈরী আছে? সে সময় লোকেরা চরম আর্থিক সংকট ও কঠিন পরিস্থিতির মুকাবিলা করছিল। অতএব সেই বাহিনীর প্রয়োজনীয় ব্যয় আমিই বহন করেছি। লোকেরা বলল, হ্যাঁ। আবার আরও মনে করিয়ে দিতে চাই, তোমরা কি জ্ঞাত আছ যে, রুমা কূপের পানি কেউই ক্রয় করা ব্যতীত পান করতে পারত না? সেই কূপ আমি ক্রয় করে ধনী, দরিদ্র ও মুসাফিরদের জন্য ওয়াকফ করে দিয়েছি। লোকেরা বলল, ইয়া আল্লাহ! হ্যাঁ (আমরা জানি)। তিনি তার আরো কিছু (জনহিতকর) সমাজকল্যাণমূলক কথা মনে করিয়ে দেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১০৯)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ এবং উপর্যুক্ত সূত্রে গারীব।