Qurani·قرآني
বাংলা

কুরআনের ফযীলত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

52 হাদিস · #2875–2926

হাদিস 2915 — Jami At Tirmidhi 45:41
হাসানহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ يَجِيءُ الْقُرْآنُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَيَقُولُ يَا رَبِّ حَلِّهِ فَيُلْبَسَ تَاجَ الْكَرَامَةِ ثُمَّ يَقُولُ يَا رَبِّ زِدْهُ فَيُلْبَسَ حُلَّةَ الْكَرَامَةِ ثُمَّ يَقُولُ يَا رَبِّ ارْضَ عَنْهُ فَيَرْضَى عَنْهُ فَيُقَالُ لَهُ اقْرَأْ وَارْقَ وَيُزَادُ بِكُلِّ آيَةٍ حَسَنَةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَهْدَلَةَ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، نَحْوَهُ وَلَمْ يَرْفَعْهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا أَصَحُّ عِنْدَنَا مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الصَّمَدِ عَنْ شُعْبَةَ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরআন কিয়ামত দিবসে হাযির হয়ে বলবে, হে আমার প্রভু! একে (কুরআনের বাহককে) অলংকার পরিয়ে দিন। তারপর তাকে সম্মান ও মর্যাদার মুকুট পরানো হবে। সে আবার বলবে, হে আমার প্রভু! তাকে আরো পোশাক দিন। সুতরাং তাকে মর্যাদার পোশাক পরানো হবে। সে আবার বলবে, হে আমার প্রভু! তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন। কাজেই তিনি তার উপর সন্তুষ্ট হবেন। তারপর তাকে বলা হবে, তুমি এক এক আয়াত পাঠ করতে থাক এবং উপরের দিকে উঠতে থাক। এমনিভাবে প্রতি আয়াতের বিনিময়ে তার একটি করে সাওয়াব (মর্যাদা) বাড়ানো হবে। হাসানঃ তা’লীকুর রাগীব (২/২০৭)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার-মুহাম্মাদ ইবনু জাফার হতে, তিনি শু'বাহ হতে, তিনি আসিম ইবনু বাহদালা হতে, তিনি আবূ সালিহ হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসের সমর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি এটি এ সূত্রে মারফুরূপে বর্ণনা করেননি। আবূ ঈসা বলেন, ‘আবদুস সামাদ হতে শুবাহ (রাহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসের তুলনায় এটিই আমাদের মতে অনেক বেশী সহীহ। বুনদার আবদুর রাহমান ইবনু মাহদী হতে, তিনি সুফইয়ান হতে, তিনি আসিমের সূত্রে উপরে বর্ণিত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 2916 — Jami At Tirmidhi 45:42
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ الْحَكَمِ الْوَرَّاقُ الْبَغْدَادِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَجِيدِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْطَبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عُرِضَتْ عَلَىَّ أُجُورُ أُمَّتِي حَتَّى الْقَذَاةِ يُخْرِجُهَا الرَّجُلُ مِنَ الْمَسْجِدِ وَعُرِضَتْ عَلَىَّ ذُنُوبُ أَمَّتِي فَلَمْ أَرَ ذَنْبًا أَعْظَمَ مِنْ سُورَةٍ مِنَ الْقُرْآنِ أَوْ آيَةٍ أُوتِيهَا رَجُلٌ ثُمَّ نَسِيَهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ قَالَ وَذَاكَرْتُ بِهِ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ فَلَمْ يَعْرِفْهُ وَاسْتَغْرَبَهُ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدٌ وَلاَ أَعْرِفُ لِلْمُطَّلِبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْطَبٍ سَمَاعًا مِنْ أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ قَوْلَهُ حَدَّثَنِي مَنْ شَهِدَ خُطْبَةَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ وَسَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَقُولُ لاَ نَعْرِفُ لِلْمُطَّلِبِ سَمَاعًا مِنْ أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ وَأَنْكَرَ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ أَنْ يَكُونَ الْمُطَّلِبُ سَمِعَ مِنْ أَنَسٍ ‏.‏
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের সকল সাওয়াব আমার সামনে উপস্থাপন করা হয়, এমনকি মাসজিদ হতে জঞ্জাল দূর করার সাওয়াবও। আমার উম্মাতের গুনাহসমূহও আমার সামনে উপস্থাপন করা হয়। কাউকে কুরআনের কোন সূরা বা আয়াত প্রদান করার পর তা বিস্মৃত হওয়ার চাইতে বড় গুনাহ আমি আর দেখিনি। যঈফ, মিশকাত (৭২০), রওযুননায়ীর (৭২), যঈফ, আবূ দাউদ (৭১) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি। আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলের নিকট এ হাদীস উল্লেখ করলে তিনি তার অজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং হাদীসটিকে গারীব সংজ্ঞায়িত করেন। মুহাম্মাদ আরো বলেনঃ মুত্তালিব ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হানতাব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণের কারো নিকট হতে সোজাসুজি কিছু শুনেছেন বলে আমার জানা নেই। তার নিম্নোক্ত কথাটি ভিন্নঃ “যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভাষণে হাজির ছিলেন তিনি আমাকে বলেছেন" (এ কথা তার কোন সাহাবীর সাক্ষাত লাভ প্রমাণ করে, এ ছাড়া আর কোন দলিল পাওয়া যায় না)। আমি আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমানকে বলতে শুনেছি, মুত্তালিব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন সাহাবীর নিকট সোজাসুজি কিছু শুনেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আবদুল্লাহ (রহঃ) আরও বলেনঃ আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর নিকট মুত্তালিবের সরাসরি শোনার বিষয়টি আলী ইবনুল মাদীনী প্রত্যাখ্যান করেছেন।
হাদিস 2917 — Jami At Tirmidhi 45:43
হাসানহাসানহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ خَيْثَمَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّهُ مَرَّ عَلَى قَارِىءٍ يَقْرَأُ ثُمَّ سَأَلَ فَاسْتَرْجَعَ ثُمَّ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فَلْيَسْأَلِ اللَّهَ بِهِ فَإِنَّهُ سَيَجِيءُ أَقْوَامٌ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ يَسْأَلُونَ بِهِ النَّاسَ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ مَحْمُودٌ هَذَا خَيْثَمَةُ الْبَصْرِيُّ الَّذِي رَوَى عَنْهُ جَابِرٌ الْجُعْفِيُّ وَلَيْسَ هُوَ خَيْثَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَخَيْثَمَةُ هَذَا شَيْخٌ بَصْرِيٌّ يُكْنَى أَبَا نَصْرٍ قَدْ رَوَى عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَحَادِيثَ وَقَدْ رَوَى جَابِرٌ الْجُعْفِيُّ عَنْ خَيْثَمَةَ هَذَا أَيْضًا أَحَادِيثَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ لَيْسَ إِسْنَادُهُ بِذَاكَ ‏.‏
। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি জনৈক কুরআন তিলাওয়াতকারীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। লোকটি তখন কুরআন পাঠ করতে করতে (মানুষের নিকট) ভিক্ষা করছিল। তিনি “ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন” পাঠ করে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ কুরআন তিলাওয়াতকারী ব্যক্তি যেন এর দ্বারা শুধু আল্লাহ তা'আলার নিকট প্রার্থনা করে। কেননা অচিরেই এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা কুরআন পাঠের মাধ্যমে মানুষের নিকট ভিক্ষা করবে। হাসানঃ সহীহাহ (২৫৭)। মাহমুদ (রাহঃ) বলেন, এই খাইসামা আল-বাসর যার নিকট হতে জাবির আল-জুকী হাদীস বর্ণনা করেছেন ইনি খাইসামা ইবনু আবদুর রাহমান নন। এই খাইসামা হলেন বাসরার শাইখ এবং তার উপনাম আবূ নাসর। তিনি আনাস (রাযিঃ) হতে কিছু হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। জাবির আল-জুকী এই খাইসামা হতেও হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। এটির সানাদ তেমন শক্তিশালী নয়।
হাদিস 2918 — Jami At Tirmidhi 45:44
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْوَاسِطِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو فَرْوَةَ، يَزِيدُ بْنُ سِنَانٍ عَنْ أَبِي الْمُبَارَكِ، عَنْ صُهَيْبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَا آمَنَ بِالْقُرْآنِ مَنِ اسْتَحَلَّ مَحَارِمَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ لَيْسَ إِسْنَادُهُ بِالْقَوِيِّ وَقَدْ خُولِفَ وَكِيعٌ فِي رِوَايَتِهِ ‏.‏ وَقَالَ مُحَمَّدٌ أَبُو فَرْوَةَ يَزِيدُ بْنُ سِنَانٍ الرُّهَاوِيُّ لَيْسَ بِحَدِيثِهِ بَأْسٌ إِلاَّ رِوَايَةَ ابْنِهِ مُحَمَّدٍ عَنْهُ فَإِنَّهُ يَرْوِي عَنْهُ مَنَاكِيرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رَوَى مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ سِنَانٍ عَنْ أَبِيهِ هَذَا الْحَدِيثَ فَزَادَ فِي هَذَا الإِسْنَادِ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ صُهَيْبٍ وَلاَ يُتَابَعُ مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ عَلَى رِوَايَتِهِ وَهُوَ ضَعِيفٌ وَأَبُو الْمُبَارَكِ رَجُلٌ مَجْهُولٌ ‏.‏
। সুহাইব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরআনের হারামসমূহকে হালাল মনে করে সে কুরআনের প্রতি ঈমান আনেনি। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (২২০৩) আবূ ঈসা বলেনঃ উক্ত হাদীসের সনদ তেমন মজবুত নয়। ওয়াকীর রিওয়ায়াতের বিরোধিতা করা হয়েছে। মুহাম্মাদ বলেনঃ আবূ ফারওয়া ইয়াযীদ ইবনু সিনান আর-রাহাবীর হাদীস বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই। তবে তার পুত্র মুহাম্মাদ তার সূত্রে যে রিওয়ায়াত করেছেন সেগুলোর বক্তব্য আলাদা। কারণ তিনি তার আব্বার বরাতে অনেক মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু সিনান তার আব্বার সূত্রে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন এবং তার সনদে মুজাহিদ-সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব-সুহাইব (রাহঃ) অতিরিক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু ইয়ামীদের রিওয়ায়াতের সমর্থক কোন রিওয়ায়াত নেই। ইনি একজন দুর্বল রাবী। আর আবূল মুবারাক একজন অপরিচিত ব্যক্তি।
হাদিস 2919 — Jami At Tirmidhi 45:45
সহিহসহিহহাসানহাসান
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ الْجَاهِرُ بِالْقُرْآنِ كَالْجَاهِرِ بِالصَّدَقَةِ وَالْمُسِرُّ بِالْقُرْآنِ كَالْمُسِرِّ بِالصَّدَقَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَمَعْنَى هَذَا الْحَدِيثِ أَنَّ الَّذِي يُسِرُّ بِقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ أَفْضَلُ مِنَ الَّذِي يَجْهَرُ بِقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ لأَنَّ صَدَقَةَ السِّرِّ أَفْضَلُ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ صَدَقَةِ الْعَلاَنِيَةِ وَإِنَّمَا مَعْنَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ لِكَىْ يَأْمَنَ الرَّجُلُ مِنَ الْعُجُبِ لأَنَّ الَّذِي يُسِرُّ الْعَمَلَ لاَ يُخَافُ عَلَيْهِ الْعُجْبُ مَا يُخَافُ عَلَيْهِ مِنْ عَلاَنِيَتِهِ ‏.‏
। উকবাহ ইবনু আমির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ প্রকাশ্যে কুরআন পাঠকারী প্রকাশ্যে দান-খাইরাতকারীর সমতুল্য এবং গোপনে কুরআন পাঠকারী গোপনে দান-খাইরাতকারীর সমতুল্য। সহীহঃ মিশকাত তাহকীকু সানী (২২০২), সহীহ আবূ দাউদ (১২০৪)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীসের অর্থ হল গোপনে কুরআন পাঠকারীই প্রকাশ্যে পাঠকারীর চাইতে উত্তম। কেননা আলিমদের মতে প্রকাশ্যে (ঐচ্ছিক) দান-খাইরাতের তুলনায় গোপনে দান করা উত্তম। বিশেষজ্ঞ আলিমগণের মতে, হাদীসের তাৎপর্য এই যে, পাঠক যেন অহংকার হতে বেঁচে থাকে। আর যে আমল গোপনে করা হয়, তাতে অহংকারের ততটা আশংকা থাকে না যতটা থাকে প্রকাশ্যে ‘আমল করার মধ্যে।
হাদিস 2920 — Jami At Tirmidhi 45:46
সহিহহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَبِي لُبَابَةَ، قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لاَ يَنَامُ حَتَّى يَقْرَأَ بَنِي إِسْرَائِيلَ وَالزُّمَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَأَبُو لُبَابَةَ شَيْخٌ بَصْرِيٌّ قَدْ رَوَى عَنْهُ حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ غَيْرَ حَدِيثٍ وَيُقَالُ اسْمُهُ مَرْوَانُ ‏.‏ أَخْبَرَنِي بِذَلِكَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ فِي كِتَابِ التَّارِيخِ ‏.‏
। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, সূরা বনী ইসরাঈল ও সূরা আয-যুমার তিলাওয়াত না করা পর্যন্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমাতেন না। সহীহঃ সহীহাহ (৬৪১)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আবূ লুবাবা একজন বাসরার শাইখ। হাম্মাদ ইবনু যাইদ তার সূত্রে একাধিক হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তার নাম মারওয়ান বলে কথিত। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল উক্ত কথাটি তার কিতাবুত তারীখ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 2921 — Jami At Tirmidhi 45:47
হাসানহাসানহাসানহাসান
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بِلاَلٍ، عَنْ عِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ الْمُسَبِّحَاتِ قَبْلَ أَنْ يَرْقُدَ وَيَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ فِيهِنَّ آيَةً خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ آيَةٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏
। ইরবায ইবনু সারিয়া (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমানোর পূর্বে মুসাব্বিহাত সূরাসমূহ পাঠ করতেন এবং বলতেনঃ এ আয়াতসমূহের মধ্যে এমন একটি আয়াত আছে, যা হাজার আয়াতের চাইতেও উত্তম। সানাদ দুর্বলঃ তা’লীকুর রাগীব (১/২১০)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব।
হাদিস 2922 — Jami At Tirmidhi 45:48
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ طَهْمَانَ أَبُو الْعَلاَءِ الْخَفَّافُ، قَالَ حَدَّثَنِي نَافِعُ بْنُ أَبِي نَافِعٍ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ قَالَ حِينَ يُصْبِحُ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ الْعَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ وَقَرَأَ ثَلاَثَ آيَاتٍ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْحَشْرِ وَكَّلَ اللَّهُ بِهِ سَبْعِينَ أَلْفَ مَلَكٍ يُصَلُّونَ عَلَيْهِ حَتَّى يُمْسِيَ وَإِنْ مَاتَ فِي ذَلِكَ الْيَوْمِ مَاتَ شَهِيدًا وَمَنْ قَالَهَا حِينَ يُمْسِي كَانَ بِتِلْكَ الْمَنْزِلَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏
। মাকিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি সকালে উপস্থিত হয়ে তিনবার "আউযু বিল্লাহিস সামীঈল আলীমি মিনাশ শাইতানির রাজীম" তারপর সুরা আল হাশরের শেষের তিন আয়াত পাঠ করবে, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য সত্তর হাজার ফিরিশতা নিয়োজিত করবেন। তারা সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য দু'আ করতে থাকবেন। সে ঐ দিন ইন্তেকাল করলে তার শহীদী মৃত্যু হবে। যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় এরূপ পাঠ করবে, সেও একই রকম গৌরবের অধিকারী হবে। যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (২/২২৫) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সুত্রেই এ হাদীস জেনেছি।
হাদিস 2923 — Jami At Tirmidhi 45:49
দাঈফদাঈফহাসান SahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ مَمْلَكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ أُمَّ سَلَمَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَنْ قِرَاءَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَلاَتِهِ فَقَالَتْ مَا لَكُمْ وَصَلاَتَهُ كَانَ يُصَلِّي ثُمَّ يَنَامُ قَدْرَ مَا صَلَّى ثُمَّ يُصَلِّي قَدْرَ مَا نَامَ ثُمَّ يَنَامُ قَدْرَ مَا صَلَّى حَتَّى يُصْبِحَ ثُمَّ نَعَتَتْ قِرَاءَتَهُ فَإِذَا هِيَ تَنْعَتُ قِرَاءَةً مُفَسَّرَةً حَرْفًا حَرْفًا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ لَيْثِ بْنِ سَعْدٍ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ يَعْلَى بْنِ مَمْلَكٍ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى ابْنُ جُرَيْجٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُقَطِّعُ قِرَاءَتَهُ ‏.‏ وَحَدِيثُ لَيْثِ أَصَحُّ ‏.‏
ইয়ালা ইবনু মামলাক (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী উম্মু সালামা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের (রাতের) কিরাআত ও নামায কেমন ছিল? তিনি বললেনঃ তার নামাযের কথা শুনে তোমাদের কি ফায়দা? তিনি যতক্ষণ নামায আদায় করতেন ঠিক ততক্ষণ ঘুমাতেন, আবার উঠে যতক্ষণ ঘুমিয়েছেন ততক্ষণ নামায আদায় করতেন, আবার এ নামাযের সমপরিমাণ সময় ঘুমাতেন। এভাবে তার সকাল হত। তারপর তিনি তার কিরা'আতের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেনঃ তার পাঠ ছিল অত্যন্ত সহজবোধ্য তিনি প্রতিটি অক্ষর পৃথক করে পরিষ্কারভাবে উচ্চারণ করতেন। যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (২৬০), মিশকাত, তাহকীক ছানী (১২১০) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। আমরা শুধুমাত্র লাইস ইবনু সাদের রিওয়ায়াত হিসেবে এ হাদীস জেনেছি, যা তিনি ইবনু আবূ মুলাইকা হতে তিনি ইয়ালা ইবনু মামলাক হতে তিনি উম্মু সালামা (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইবনু জুরাইজ উপরোক্ত হাদীসটি ইবনু আবী মুলাইকার সূত্রে উম্মু সালামার বরাতে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিটি শব্দ আলাদা আলাদা করে উচ্চারণ করে কুরআন পাঠ করতেন। লাইস এর রিওয়ায়াতটিই অনেক বেশি সহীহ।
হাদিস 2924 — Jami At Tirmidhi 45:50
সহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَيْسٍ، هُوَ رَجُلٌ بَصْرِيٌّ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ وِتْرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَيْفَ كَانَ يُوتِرُ مِنْ أَوَّلِ اللَّيْلِ أَوْ مِنْ آخِرِهِ فَقَالَتْ كُلُّ ذَلِكَ قَدْ كَانَ يَصْنَعُ رُبَّمَا أَوْتَرَ مِنْ أَوَّلِ اللَّيْلِ وَرُبَّمَا أَوْتَرَ مِنْ آخِرِهِ ‏.‏ فَقُلْتُ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي جَعَلَ فِي الأَمْرِ سَعَةً فَقُلْتُ كَيْفَ كَانَتْ قِرَاءَتُهُ أَكَانَ يُسِرُّ بِالْقِرَاءَةِ أَمْ يَجْهَرُ قَالَتْ كُلُّ ذَلِكَ كَانَ يَفْعَلُ قَدْ كَانَ رُبَّمَا أَسَرَّ وَرُبَّمَا جَهَرَ قَالَ فَقُلْتُ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي جَعَلَ فِي الأَمْرِ سَعَةً قَالَ قُلْتُ فَكَيْفَ كَانَ يَصْنَعُ فِي الْجَنَابَةِ أَكَانَ يَغْتَسِلُ قَبْلَ أَنْ يَنَامَ أَمْ يَنَامُ قَبْلَ أَنْ يَغْتَسِلَ قَالَتْ كُلُّ ذَلِكَ قَدْ كَانَ يَفْعَلُ فَرُبَّمَا اغْتَسَلَ فَنَامَ وَرُبَّمَا تَوَضَّأَ فَنَامَ قُلْتُ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي جَعَلَ فِي الأَمْرِ سَعَةً ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏
। আবদুল্লাহ ইবনু আবূ কাইস (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিতরের নামায বিষয়ে আয়িশাহ (রাযিঃ)-কে প্রশ্ন করলাম যে, তিনি কি রাতের প্রথম ভাগে বিতর আদায় করতেন না শেষ ভাগে? তিনি বললেন, তিনি দুই সময়েই তা আদায় করতেন। তিনি কখনো তা রাতের প্রথম ভাগে আদায় করে নিতেন আবার কখনো শেষ রাতে আদায় করতেন। আমি বললাম, আলহামদুলিল্লাহ, সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি এ ব্যাপারে ব্যাপক সুবিধাজনক ব্যবস্থা রেখেছেন। আমি আবার প্রশ্ন করলাম, তার কিরআত পাঠ কেমন ছিল? তিনি কি তা চুপি চুপি পড়তেন না সশব্দে পড়তেন? তিনি বললেন, উভয়ভাবেই পড়তেন। কখনো তিনি তা চুপি চুপি পড়তেন, আবার কখনো সশব্দে পড়তেন। আমি বললাম, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার যিনি এ ব্যাপারে প্রশস্ততর ব্যবস্থা রেখেছেন। আমি আবার প্রশ্ন করলাম, তিনি জানাবাতের (স্ত্রীসহবাস জনিত গোসল) ব্যাপারে কি করতেন? তিনি কি ঘুমিয়ে যাওয়ার পূর্বেই গোসল সারতেন না গোসলের পূর্বেই ঘুমিয়ে যেতেন। তিনি বললেন, তিনি দু'টোই করতেন। তিনি কখনো গোসলের পর ঘুমাতেন আবার কখনো ওযু করে ঘুমিয়ে যেতেন (জাগ্রত হওয়ার পর গোসল করতেন)। আমি বললাম, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার যিনি এ ব্যাপারেও প্রশস্ততর ব্যবস্থা রেখেছেন। সহীহঃ সহীহ আবূ দাউদ (২২২, ১২৯১), মুসলিম, বুখারী শুধু বিতর সংক্রান্ত বিষয় আরো পূর্ণভাবে বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি উপরোক্ত সূত্রে হাসান গারীব।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।