Qurani·قرآني
বাংলা

ফযীলত সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

352 হাদিস · #3605–3956

হাদিস 3795 — Jami At Tirmidhi 49:194
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضى الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ نِعْمَ الرَّجُلُ أَبُو بَكْرٍ نِعْمَ الرَّجُلُ عُمَرُ نِعْمَ الرَّجُلُ أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ نِعْمَ الرَّجُلُ أُسَيْدُ بْنُ حُضَيْرٍ نِعْمَ الرَّجُلُ ثَابِتُ بْنُ قَيْسِ بْنِ شَمَّاسٍ نِعْمَ الرَّجُلُ مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ نِعْمَ الرَّجُلُ مُعَاذُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْجَمُوحِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ إِنَّمَا نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ سُهَيْلٍ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আবূ বাকর কতই না ভাল, উমার কতই না ভাল, আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ কতই না ভাল, উসাইদ ইবনু হুযাইর কতই না ভাল, সাবিত ইবনু কাইস ইবনু শামমাস কতই না ভাল, মু'আয ইবনু জাবাল কতই না ভাল এবং মুআয ইবনু আমর ইবনুল জামূহ কতই না ভাল। সহীহঃ হাদীসের প্রথমাংশ (৩৫১২) নং হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। আমরা শুধুমাত্র সুহাইলের হাদীস হিসেবে এটি অবগত হয়েছি।
হাদিস 3796 — Jami At Tirmidhi 49:195
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، قَالَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ، عَنْ حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ، قَالَ جَاءَ الْعَاقِبُ وَالسَّيِّدُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالاَ ابْعَثْ مَعَنَا أَمِينًا ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ فَإِنِّي سَأَبْعَثُ مَعَكُمْ أَمِينًا حَقَّ أَمِينٍ ‏"‏ ‏.‏ فَأَشْرَفَ لَهَا النَّاسُ فَبَعَثَ أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ الْجَرَّاحِ رضى الله عنه ‏.‏ قَالَ وَكَانَ أَبُو إِسْحَاقَ إِذَا حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ عَنْ صِلَةَ قَالَ سَمِعْتُهُ مُنْذُ سِتِّينَ سَنَةً ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏. حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ أَخْبَرَنَا سَلْمُ بْنُ قُتَيْبَةَ وَأَبُو دَاوُدَ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ قَالَ قَالَ حُذَيْفَةُ قَلْبُ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ مِنْ ذَهَبٍ ‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عُمَرَ وَأَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏"‏ لِكُلِّ أُمَّةٍ أَمِينٌ وَأَمِينُ هَذِهِ الأُمَّةِ أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ الْجَرَّاحِ ‏"‏ ‏.‏
। হুযাইফাহ ইবনুল ইয়ামান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নাজরানবাসীদের নেতা ও তার নায়েব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলে, আমাদের সঙ্গে আপনার বিশ্বস্ত লোককে প্রেরণ করেন। তিনি বললেনঃ আমি শীঘ্রই তোমাদের সঙ্গে একজন বিশ্বস্ত লোককেই প্রেরণ করব যিনি প্রকৃতই বিশ্বস্ত। লোকেরা এই সেবা আঞ্জাম দেয়ার আশা করতে থাকে। তিনি আবূ উবাইদাহ (রাযিঃ)-কে প্রেরণ করেন। অধঃস্তন বর্ণনাকারী আবূ ইসহাক যখনই সিলাহ হতে উক্ত হাদীস রিওয়ায়াত করতেন সে সময় বলতেন, আমি এ হাদীস সিলাহ হতে প্রায় ষাট বছর আগে শুনেছি। সহীহঃ মিশকাত, তাহকীক সানী (৬১২৩), বুখারী ও মুসলিম, দেখুন সহীহাহ (১৯৬৪)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীস ইবনু উমার ও আনাস (রাযিঃ) হতে, তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদেও বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেনঃ “প্রত্যেক উম্মাতেরই একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি থাকে। এ উন্মাতের বিশ্বস্ত লোক হল আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ।” মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার সালম ইবনু কুতাইবাইহ ও আবূ দাউদ হতে, তারা শুবাহ হতে, তিনি আবূ ইসহাক হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, হুযইফাহ্ (রাযিঃ) বলেছেন, সিলাহ্ ইবনু যুফারের হৃদয় স্বর্ণের মত। সনদ সহীহ, মাওকুফ।
হাদিস 3797 — Jami At Tirmidhi 49:196
দাঈফদাঈফহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ أَبِي رَبِيعَةَ الإِيَادِيِّ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ الْجَنَّةَ تَشْتَاقُ إِلَى ثَلاَثَةٍ عَلِيٍّ وَعَمَّارٍ وَسَلْمَانَ ‏"‏ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ ‏.‏
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাত তিনজন লোকের জন্য খুবই আগ্রহীঃ আলী, আম্মার ও সালমান (রাঃ)। যঈফ, যঈফা (২৩২৯) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা এ হাদীস শুধু হাসান ইবনু সালিহ্-এর সূত্রেই জেনেছি।
হাদিস 3798 — Jami At Tirmidhi 49:197
সহিহসহিহহাসান Sahihহাসান
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ هَانِىءِ بْنِ هَانِىءٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ جَاءَ عَمَّارٌ يَسْتَأْذِنُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ ائْذَنُوا لَهُ مَرْحَبًا بِالطَّيِّبِ الْمُطَيَّبِ ‏"‏ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
। আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাযিঃ) এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে দেখার জন্য অনুমতি প্রার্থনা করেন। তিনি বলেনঃ তোমরা তাকে আসার অনুমতি দাও। স্বাগতম পবিত্র সত্তা ও পবিত্র স্বভাবের ব্যক্তিকে। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৪৬)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 3799 — Jami At Tirmidhi 49:198
সহিহসহিহ
। আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখনই আম্মারকে দু’টি বিষয়ের মাঝে একটি গ্রহণের এখতিয়ার দেয়া হয়েছে সে সময় সে প্রত্যেকটির মাঝে সর্বোত্তমটিকে (অপেক্ষাকৃত মজবুতটিকে) এখতিয়ার করেছে। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৪৮)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। কেননা আবদুল আযীয ইবনু সিয়াহ-এর রিওয়ায়াত ছাড়া আমরা এ হাদীস প্রসঙ্গে অবহিত নই। তিনি হলেন কুফার শাইখ। লোকেরা তার নিকট হতে হাদীস রিওয়ায়াত করেছে। তার এক পুত্র ছিল, যিনি ইয়াযীদ ইবনু আবদুল আযীয নামে পরিচিত এবং যিনি সিকাহ বর্ণনাকারী ছিলেন। ইয়াহইয়া ইবনু আদম তার সনদে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। হুযইফাহ ইবনুল ইয়ামান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আমরা বসা ছিলাম। তিনি বললেনঃ আমার জানা নেই, আর কত দিন আমি তোমাদের মাঝে জীবিত থাকব। সুতরাং তোমরা আমার পরের দু'জন লোকের অনুসরণ কর এবং তিনি আবূ বাকর ও উমার (রাযিঃ)-এর দিকে ইশারা করেন। আর তোমরা আম্মারের অনুসৃত পন্থা অনুসরণ কর এবং যে হাদীস ইবনু মাসউদ তোমাদের কাছে রিওয়ায়াত করে তা বিশ্বাস কর। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (৯৭)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। এ হাদীস ইবরাহীম ইবনু সা'দ সুফইয়ান সাওরী হতে, তিনি আবদুল মালিক ইবনু উমাইর হতে, তিনি রিবঈর মুক্তদাস হিলাল হতে, তিনি রিবাঈ হতে, তিনি হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদে একই রকম রিওয়ায়াত করেছেন। রিবঈ ইবনু হিরাশ হতে, তিনি হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদে একই রকম রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস 3800 — Jami At Tirmidhi 49:200
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ الْمَدَنِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضى الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَبْشِرْ عَمَّارُ تَقْتُلُكَ الْفِئَةُ الْبَاغِيَةُ ‏"‏ ‏. وَفِي الْبَابِ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَأَبِي الْيَسَرِ وَحُذَيْفَةَ ‏. وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আম্মার! সুখবর গ্রহণ কর, বিদ্রোহী দলটি তোমাকে হত্যা করবে। সহীহঃ সহীহাহু (৭১০)। আবূ ঈসা বলেন, এ অনুচ্ছেদে উম্মু সালামাহ, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আবূল ইয়াসার ও হুযইফাহ্ (রাযিঃ) কর্তৃকও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান, সহীহ এবং আ'লা ইবনু আবদুর রহমানের বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে গারীব।
হাদিস 3801 — Jami At Tirmidhi 49:201
সহিহসহিহহাসানহাসান
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عُمَيْرٍ، هُوَ أَبُو الْيَقْظَانِ عَنْ أَبِي حَرْبِ بْنِ أَبِي الأَسْوَدِ الدِّيلِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَا أَظَلَّتِ الْخَضْرَاءُ وَلاَ أَقَلَّتِ الْغَبْرَاءُ أَصْدَقَ مِنْ أَبِي ذَرٍّ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ وَأَبِي ذَرٍّ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏
। 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছিঃ আবূ যার হতে বেশি সত্যবাদী কাউকে আকাশ ছায়া দান করেনি এবং মাটি ও তার বুকে বহন করেনি। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৫৬)। আবূ ঈসা বলেন, এ অনুচ্ছেদে আবূদ দারদা ও আবূ যার (রাযিঃ) কর্তৃকও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান।
হাদিস 3802 — Jami At Tirmidhi 49:202
দাঈফদাঈফহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ الْعَنْبَرِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو زُمَيْلٍ، هُوَ سِمَاكُ بْنُ الْوَلِيدِ الْحَنَفِيُّ عَنْ مَالِكِ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا أَظَلَّتِ الْخَضْرَاءُ وَلاَ أَقَلَّتِ الْغَبْرَاءُ مِنْ ذِي لَهْجَةٍ أَصْدَقَ وَلاَ أَوْفَى مِنْ أَبِي ذَرٍّ شِبْهِ عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ كَالْحَاسِدِ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفَنَعْرِفُ ذَلِكَ لَهُ قَالَ ‏"‏ نَعَمْ فَاعْرِفُوهُ لَهُ ‏"‏ ‏. هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى بَعْضُهُمْ هَذَا الْحَدِيثَ فَقَالَ ‏"‏ أَبُو ذَرٍّ يَمْشِي فِي الأَرْضِ بِزُهْدِ عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ ‏"‏ ‏.‏
। আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ বাচনিক সত্যবাদিতায় ও সত্য প্রকাশে আবূ যারের তুলনায় উত্তম কাউকে আকাশ ছায়াদান করেনি এবং দুনিয়া তার বুকে আরোহন করেনি। সে ঈসা ইবনু মারইয়াম আলাইহিস সালাম অনুরূপ। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হিংসুটে লোকের মত বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি এটা তাকে জানাবোনা? (তাকে জানানো হবে)? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তোমরা তাকে জানিয়ে দাও। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (৬২৩০) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান এবং উপরোক্ত সূত্রে গারীব। কিছু রাবী এ হাদীস এভাবে বর্ণনা করেছেনঃ .... “বৈরাগ্য সাধনায় পৃথিবীর বুকে বিচরণকারী আবূ যার হলেন ঈসা ইবনু মারইয়াম আলাইহিস সালাম অনুরূপ”।
হাদিস 3803 — Jami At Tirmidhi 49:203
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ سَعِيدٍ الْكِنْدِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُحَيَّاةَ يَحْيَى بْنُ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنِ ابْنِ أَخِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلاَمٍ، قَالَ لَمَّا أُرِيدَ قَتْلُ عُثْمَانَ جَاءَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلاَمٍ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ مَا جَاءَ بِكَ قَالَ جِئْتُ فِي نَصْرِكَ ‏.‏ قَالَ اخْرُجْ إِلَى النَّاسِ فَاطْرُدْهُمْ عَنِّي فَإِنَّكَ خَارِجًا خَيْرٌ لِي مِنْكَ دَاخِلاً ‏.‏ فَخَرَجَ عَبْدُ اللَّهِ إِلَى النَّاسِ فَقَالَ أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّهُ كَانَ اسْمِي فِي الْجَاهِلِيَّةِ فُلاَنٌ فَسَمَّانِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَبْدَ اللَّهِ وَنَزَلَتْ فِيَّ آيَاتٌ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ فَنَزَلَتْ فِيَّ ‏:‏ ‏(‏ وشهد شَاهِدٌ مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَى مِثْلِهِ فَآمَنَ وَاسْتَكْبَرْتُمْ إِنَّ اللَّهَ لاَ يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ ‏)‏ وَنَزَلَتْ فِيَّ ‏:‏ ‏(‏ قلْ كَفَى بِاللَّهِ شَهِيدًا بَيْنِي وَبَيْنَكُمْ وَمَنْ عِنْدَهُ عِلْمُ الْكِتَابِ ‏)‏ إِنَّ لِلَّهِ سَيْفًا مَغْمُودًا عَنْكُمْ وَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ قَدْ جَاوَرَتْكُمْ فِي بَلَدِكُمْ هَذَا الَّذِي نَزَلَ فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاللَّهَ اللَّهَ فِي هَذَا الرَّجُلِ أَنْ تَقْتُلُوهُ فَوَاللَّهِ لَئِنْ قَتَلْتُمُوهُ لَتَطْرُدُنَّ جِيرَانَكُمُ الْمَلاَئِكَةَ وَلَتَسُلُّنَّ سَيْفَ اللَّهِ الْمَغْمُودَ عَنْكُمْ فَلاَ يُغْمَدُ عَنْكُمْ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ‏.‏ قَالُوا اقْتُلُوا الْيَهُودِيَّ وَاقْتُلُوا عُثْمَانَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ إِنَّمَا نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى شُعَيْبُ بْنُ صَفْوَانَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ فَقَالَ عَنْ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلاَمٍ عَنْ جَدِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلاَمٍ ‏.‏
। আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)-এর ভাতিজা হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ উসমান (রাঃ)-কে যখন মেরে ফেলার চক্রান্ত করা হয় তখন আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) তার নিকট তার নিরাপত্তার জন্য আসেন। উসমান (রাঃ) তাকে বলেন, আপনি কেন এসেছেন? তিনি বললেন, আমি আপনাকে সাহায্য করতে এসেছি। উসমান (রাঃ) বললেন, তাহলে আপনি বাইরে বিদ্রোহীদের নিকট যান এবং তাদেরকে আমার নিকট হতে সরিয়ে দিন। আপনার বাড়ির ভেতরে থাকার চাইতে বাইরে থাকাই আমার জন্য উপকারী। অতএব আবদুল্লাহ (রাঃ) বাইরে লোকদের নিকট গিয়ে তাদের উদ্দেশ্যে বললেন, হে লোকেরা! জাহিলী যুগে আমার অমুক নাম ছিল। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নাম রাখেন আবদুল্লাহ। আমার সম্পর্কে আল্লাহ্ তা'আলার কিতাবে কয়েকটি আয়াতও অবতীর্ণ হয়। আমার সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়ঃ “এবং বনী ইসরাঈলের একজন এর মতই কিতাব প্রসঙ্গে সাক্ষ্য দিয়েছে এবং এতে ঈমান এনেছে, অথচ তোমরা অহংকার করছ। নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা যালিমদেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন না" (সূরাঃ আল-আহকাফ- ১০)। আরো অবতীর্ণ হয়ঃ “আপনি বলুন, আমার ও তোমাদের মাঝে আল্লাহ্ তা'আলার সাক্ষ্য এবং যার নিকট কিতাবের জ্ঞান আছে তার সাক্ষ্যই যথেষ্ট" (সূরাঃ রাদ- ৪৩)। তোমাদের জন্য আল্লাহ তা'আলার একখানা কোষবদ্ধ তলোয়ার আছে। আর তোমাদের এই যে শহরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হিজরাত করে) আসেন, এখানের ফিরিশতারা তোমাদের প্রতিবেশী। অতএব তোমরা এই ব্যক্তিকে হত্যা করার ব্যাপারে আল্লাহ্ তা'আলাকে ভয় কর। আল্লাহর কসম! যদি ফিরিশতারা তোমাদেরকে ছেড়ে চলে যাবে এবং আল্লাহ্ তা'আলার যে তলোয়ার তোমাদের হতে কোষবদ্ধ আছে তা কোষমুক্ত হলে কিয়ামত পর্যন্ত আর কোষবদ্ধ হবে না। বিদ্রোহীরা বলল, তোমরা এই ইয়াহুদীকেও হত্যা কর এবং উসমানকেও হত্যা কর। সনদ দুর্বল। ৩০৯৮ নং হাদীসে পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। কেননা আমরা শুধু আবদুল মালিক ইবনু উমাইরের রিওয়ায়াত হিসেবে এ হাদীস প্রসঙ্গে জেনেছি। শুআইব ইবনু সাফওয়ান এ হাদীস আবদুল মালিক ইবনু উমাইর হতে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেনঃ উমার ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু সালাম-তার দাদা আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) হতে।
হাদিস 3804 — Jami At Tirmidhi 49:204
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلاَنِيِّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَمِيرَةَ، قَالَ لَمَّا حَضَرَ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ الْمَوْتُ قِيلَ لَهُ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَوْصِنَا ‏.‏ قَالَ أَجْلِسُونِي ‏.‏ فَقَالَ إِنَّ الْعِلْمَ وَالإِيمَانَ مَكَانَهُمَا مَنِ ابْتَغَاهُمَا وَجَدَهُمَا يَقُولُ ذَلِكَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ وَالْتَمِسُوا الْعِلْمَ عِنْدَ أَرْبَعَةِ رَهْطٍ عِنْدَ عُوَيْمِرٍ أَبِي الدَّرْدَاءِ وَعِنْدَ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ وَعِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ وَعِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلاَمٍ الَّذِي كَانَ يَهُودِيًّا فَأَسْلَمَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّهُ عَاشِرُ عَشَرَةٍ فِي الْجَنَّةِ ‏"‏ ‏. وَفِي الْبَابِ عَنْ سَعْدٍ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ ‏.‏
। ইয়াযীদ ইবনু উমাইরাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মুআয ইবনু জাবাল (রাযিঃ)-এর মৃত্যু উপস্থিত হলে তাকে বলা হল, হে আবদুর রহমানের বাবা! আমাদেরকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন, তোমরা আমাকে বসাও। তিনি বললেন, ইলম ও ঈমান নিজস্ব জায়গায়ই বিদ্যমান আছে, যে তা অন্বেষণ করবে সে তা লাভ করবে। তিনি তিনবার এ কথা বললেন। তোমরা চার লোকের নিকট ইলম অনুসন্ধান করঃ উয়াইমির আবূদ দারদা (রাযিঃ)-এর নিকট, সালমান ফারসী (রাযিঃ)-এর নিকট, আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ)-এর নিকট এবং আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাযিঃ)-এর নিকট। শেষোক্তজন প্রথমে ইয়াহুদী ধর্মাবলম্বী ছিলেন, পরে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তার প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয়ই আবদুল্লাহ ইবনু সালাম জান্নাতের দশজনের মাঝে দশম লোক। সহীহঃ মিশকাত (৬২৩১)। এ অনুচ্ছেদে সা'দ (রাযিঃ) কর্তৃকও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।