ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ঋতুবতী নারী ও নাপাক ব্যক্তি (যার উপর গোসল ফরয) কুরআনের কোন অংশ তিলাওয়াত করবে না। মুনকার, ইবনু মাজাহ (৫৯৫) এ অনুচ্ছেদে আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি ইসমাঈল ইবনু আইয়াশ একটি মাত্র সনদ সূত্রেই বর্ণনা করেছেন যে, নাপাক ব্যক্তি ও হায়িযগ্রস্তা নারী কুরআন তিলাওয়াত করবে না। এ সূত্র ব্যতীত অন্য কোন সূত্রে আমরা উপরোক্ত হাদীস জানতে পারিনি। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাবিঈ এটাই বলেছেন। তাদের পরবর্তীগণ যেমন, সুফইয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক বলেনঃ নাপাক ও হায়িয অবস্থায় কুরআনের কোন অংশ তিলাওয়াত করবে না; কিন্তু কোন আয়াতের অংশবিশেষ অথবা শব্দ ইত্যাদি পাঠ করতে পারবে। তারা নাপাক ব্যক্তি ও হায়িযগ্রস্তা নারীকে তাসবীহ-তাহলীল (সুবহানাল্লাহ, লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ ইত্যাদি) পড়ার অনুমতি দিয়েছেন। ইমাম তিরমিয়ী বলেনঃ আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী)-কে বলতে শুনেছি, এ হাদীসের এক রাবী ইসমাঈল ইবনু আইয়াশ, হিজায ও ইরাকবাসীদের হতে অস্বীকৃত (মুনকার) হাদীসগুলো বর্ণনা করে থাকে। ইমাম বুখারী তাদের সূত্রে বর্ণিত তার এ ধরনের একক বর্ণনাগুলোকে য'ঈফ বলতে চান। তিনি আরো বলেছেন, সিরিয়াবাসীদের নিকট হতে বর্ণিত ইসমাঈল ইবনু আইয়াশের হাদীসগুলো শক্তিশালী। আহমাদ ইবনু হাম্বাল বলেছেনঃ ইসমাঈল ইবনু আইয়াশ বাকিয়ার তুলনায় অনেক ভাল। কেননা বাকিয়া সিকাহ রাবীদের বরাতে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেনঃ আহমাদ ইবনু হাসান আমাকে এ কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, আমি আহমাদ ইবনু হাম্বালকে এ কথা বলতে শুনেছি।
হাদিস 132 — Jami At Tirmidhi 1:132
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا حِضْتُ يَأْمُرُنِي أَنْ أَتَّزِرَ ثُمَّ يُبَاشِرُنِي . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ وَمَيْمُونَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَهُوَ قَوْلُ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ .
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি যখন ঋতুবতী হতাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নির্দেশ দিতেনঃ তুমি শক্ত করে পাজামা বেঁধে নাও। অতঃপর তিনি আমাকে আলিঙ্গন করতেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (২৬০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে উম্মু সালামাহ ও মাইমূনাহ (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। একাধিক বিশেষজ্ঞ সাহাবা ও তাবিঈ এটাই বলেছেন (ঋতুবতীর সাথে একত্রে ঘুমানো যাবে)। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ এবং ইসহাকও এই মত দিয়েছেন।
আবদুল্লাহ ইবনু সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি হায়িযগ্রস্তা নারীর সাথে একত্রে পানাহার সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেনঃ তার সাথে খাও। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৫১)। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ এবং আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। জামহুর উলামাদের মতে, হায়িযগ্রস্তার সাথে একত্রে পানাহারে কোন দোষ নেই। কিন্তু স্ত্রীলোকদের ওযু করার পর অবশিষ্ট পানি ব্যবহার করা সম্পর্কে মতের অমিল আছে। কেউ কেউ এটা ব্যবহার করার পক্ষে অভিমত দিয়েছেন, আবার কেউ কেউ মাকরূহ বলেছেন।
। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) আমাকে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নির্দেশ দিলেনঃ “হাত বাড়িয়ে মাসজিদ হতে আমাকে মাদুরটি এনে দাও।" তিনি (আয়িশাহ) বলেন, আমি বললাম, আমি হায়িযগ্রস্তা। তিনি বললেনঃ তোমার হায়িয তো তোমার হাতে নয়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৩২), মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার ও আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, 'আয়িশাহ (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। হাইযগ্রস্থা নারী মাসজিদ হতে হাত বাড়িয়ে কোন কিছু তুলে আনতে পারে, এ ব্যাপারে আলিমদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নেই।
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি ঋতুবতী নারীর সাথে সহবাস করে অথবা স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে সহবাস করে অথবা গণক ঠাকুরের নিকটে যায়- সে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তা (কুরআন) অবিশ্বাস করে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ- (৬৩৯)। আবু ঈসা বলেন, এ হাদীসটি আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে আবৃ তামীমা, তার হতে হাকীম আল-আসরাম— এই সূত্র ছাড়া অন্য কোন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে কি না তা আমার জানা নেই। (আবু তামীমার বিশ্বস্ততা সম্পর্কে কোন কোন হাদীস বিশারদ সন্দেহ প্রকাশ করেছেন -অনুবাদক)। মনীষীগণ এ হাদীসের ব্যাখ্যায় বলেছেন, "অবতীর্ণ করা জিনিসের প্রতি অবিশ্বাস করে- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা তিরস্কার ও ধমকের সুরে বলেছেন। কেননা উল্লেখিত কাজ করলে কেউ কাফির হয়ে যায় না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে এরূপ বর্ণনাও আছে, তিনি বলেনঃ “যে ব্যক্তি ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সহবাস করে সে যেন একটি দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) সাদকা করে।” হায়িযগ্রস্তার সাথে সহবাস করা যদি কুফরীর পর্যায়ভুক্ত হত, তাহলে এর পরিবর্তে সাদকা করার নির্দেশ দেয়া হত না। ইমাম বুখারীও সনদের দৃষ্টিকোণ হতে হাদীসটি য'ঈফ বলেছেন। আবু তামীম আল-হুজাইমী’র নাম তারীফ ইবনু মুজালিদ।
হাদিস 136 — Jami At Tirmidhi 1:136
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنْ خُصَيْفٍ، عَنْ مِقْسَمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الرَّجُلِ يَقَعُ عَلَى امْرَأَتِهِ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ " يَتَصَدَّقُ بِنِصْفِ دِينَارٍ " .
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে হায়িয চলাকালীন সময়ে সহবাস করে তার সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “সে অর্ধ দীনার সাদকা করবে”। —সহীহ। এই শব্দে “এক দীনার বা অর্ধ দীনার" সহীহ আবু দাউদ (২৫৬), ইবনু মাজাহ– (৬৪০)। হাদীসে বর্ণিত অর্ধ দীনার এই শব্দে হাদীসটি য’ঈফ, য’ঈফ আবু দাউদ– (৪২)।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন রক্ত লাল থাকে তখন (সহবাস করলে) এক দীনার, আর যখন রক্ত পীতবর্ণ ধারণ করে তখন অর্ধ দীনার। য’ঈফ। এই বিশ্লেষণ সহীহ সনদে মাওকুফ, সহীহ আবু দাউদ- (২৫৮)। আবু ঈসা বলেন, ঋতুবতীর সাথে সহবাস করার কাফফারা’ সম্পর্কিত হাদীস ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর সূত্রে দুইভাবে অর্থাৎ মাওকুফ এবং মারফু’ হিসাবে বর্ণিত হয়েছে। কিছু বিশেষজ্ঞ কাফফারা আদায়ের পক্ষে মত দিয়েছেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক এই মতের সমর্থক। ইবনুল মুবারাক বলেন, সহবাসকারীকে কোন কাফফারা দিতে হবে না, বরং সে আল্লাহ তা'আলার নিকটে তাওবা করবে। কিছু তাবিঈও তার অনুরূপ মত দিয়েছেন। সাঈদ ইবনু জুবাইর ও ইবরাহীম নাখঈও তাদের অন্তর্ভুক্ত। এটাই অধিকাংশ বিদ্বানগণের অভিমত।
। আসমা বিনতু আবী বাকার সিদীক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হায়িযের রক্ত • লাগা কাপড়ের বিধান সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আঙ্গুল দিয়ে খুঁটে খুঁটে তা তুলে ফেল, অতঃপর পানি দিয়ে তা আংগুলের মাধ্যমে মলে নাও, অতঃপর তাতে পানি গড়িয়ে দাও, অতঃপর তা পরে নামায আদায় কর। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬২৯), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা ও উম্মু কাইস (রাঃ)-এর হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, আসমা (রহঃ)-এর এ হাদীসটি হাসান সহীহ। কাপড়ে হায়িযের রক্ত লেগে গেলে তা না ধুয়ে নামায আদায় করা যাবে কি-না এ ব্যাপারে বিদ্বানদের মধ্যে মতের অমিল রয়েছে। তাবিঈদের মধ্যে কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি কাপড়ের রক্ত এক দিরহাম পরিমাণ হয় এবং তা না ধুয়ে ঐ কাপড় পরেই নামায আদায় করা হয় তাহলে আবার নামায আদায় করতে হবে। অপর দল বলেছেন, রক্তের পরিমাণ এক দিরহামের বেশি হলেই আবার নামায আদায় করতে হবে। সুফিয়ান সাওরী, ও ইবনুল মুবারাক একথা বলেছেন। কিছু সংখ্যক তাবেঈ এবং আহমাদ ও ইসহাকের মতে রক্তের পরিমাণ এক দিরহামের বেশি হলেও নতুন করে নামায আদায় করতে হবে না। ইমাম শাফিঈর মতে, কাপড়ে এক দিরহামের কম পরিমাণ রক্ত লাগলেও তা ধুয়ে নেয়া ওয়াজিব। তিনি এ ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করেছেন।
উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে নিফাসগ্রস্তা মহিলারা চল্লিশ দিন বসে থাকত। আমরা ওয়ারস ঘাস পিষে তা দিয়ে আমাদের চেহারার দাগ তুলতাম। -হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৬৪৮)। আবু ঈসা বলেন, এ হাদীসটি আমরা শুধুমাত্র আবু সাহলের সূত্রে মুসসাহ আল-আজ দিয়াহ এর বরাতে উম্মু সালামাহ হতে জানতে পেরেছি। ইমাম বুখারী বলেন, আলী ইবনু আবদুল আ'লা ও আবু সাহল সিকাহ রাবী। মুহাম্মাদও (বুখারী) এ হাদীসটি আবু সাহলের সূত্রে জেনেছেন। আবু সাহলের নাম কাহীর ইবনু যিয়াদ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবা, তাবিঈন ও তাদের পরবর্তীদের মধ্যে এ ব্যাপারে অভিন্ন মত রয়েছে যে, নিফাসগ্রস্তা মহিলারা চল্লিশ দিন পর্যন্ত নামায আদায় করবে না। হ্যাঁ, যদি চল্লিশ দিনের পূর্বে পবিত্র হয়ে যায় তবে গোসল করে নামায শুরু করে দেবে। যদি চল্লিশ দিন পরও রক্তস্রাব চলতে থাকে, তবে বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞের মতে চল্লিশ দিন পর আর নামায ছাড়া যাবে না। বেশিরভাগ ফিকহবিদেরও এই ফাতোয়া। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (এবং ইমাম আবু হানীফাও) এ কথাই বলেছেন। হাসান বাসরী পঞ্চাশ দিন এবং আতা ইবনু আবু রাবাহ ও শা'বী ষাট দিন নামায ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন, যদি ঋতুস্রাব চলতেই থাকে।
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই গোসলে তার স্ত্রীদের নিকট যেতেন (একাধিক স্ত্রীর সাথে সহবাস করে একবারেই গোসল করতেন)। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৫৮৮), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু রাফি (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, আনাস (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। একাধিক বিশেষজ্ঞ এই মত দিয়েছেন যে, ওযু না করে দ্বিতীয়বার সহবাস করায় কোন দোষ নেই। হাসান বাসরী তাদের অন্তর্ভুক্ত। আনাস (রাঃ)-এর এ হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ সুফইয়ান হতে, তিনি আবু উরওয়া হতে তিনি আবুল খাত্তাব হতে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আর আবু উরওয়া হলেন মামার ইবনু রাশিদ। আবুল খাত্তাব হলেন, কাতাদা ইবনু দি'আমাহ। আবু ঈসা বলেনঃ কেউ কেউ হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ হতে, তিনি সুফইয়ান হতে, তিনি ইবনু আবী উরওয়া হতে, তিনি আবুল খাত্তাব হতে বর্ণনা করেছেন। আর এই বর্ণনাটি ভুল। সঠিক হলো আবু উরওয়া।