Qurani·قرآني
বাংলা

পবিত্রতার অধ্যায়

148 হাদিস · #1–148

হাদিস 11 — Jami At Tirmidhi 1:11
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنْ عَمِّهِ، وَاسِعِ بْنِ حَبَّانَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ رَقِيتُ يَوْمًا عَلَى بَيْتِ حَفْصَةَ فَرَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَلَى حَاجَتِهِ مُسْتَقْبِلَ الشَّأْمِ مُسْتَدْبِرَ الْكَعْبَةِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি একদিন উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রাঃ)-এর ঘরের ছাদে উঠি। অতঃপর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সিরিয়ার দিকে মুখ করে এবং কাবাকে পেছনে রেখে মলত্যাগ করতে দেখি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩২২), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 12 — Jami At Tirmidhi 1:12
সহিহদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ شُرَيْحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَنْ حَدَّثَكُمْ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَبُولُ قَائِمًا فَلاَ تُصَدِّقُوهُ مَا كَانَ يَبُولُ إِلاَّ قَاعِدًا ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عُمَرَ وَبُرَيْدَةَ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَسَنَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ أَحْسَنُ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ وَأَصَحُّ ‏.‏ وَحَدِيثُ عُمَرَ إِنَّمَا رُوِيَ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ أَبِي الْمُخَارِقِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ عُمَرَ قَالَ رَآنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا أَبُولُ قَائِمًا فَقَالَ ‏ "‏ يَا عُمَرُ لاَ تَبُلْ قَائِمًا ‏"‏ ‏.‏ فَمَا بُلْتُ قَائِمًا بَعْدُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَإِنَّمَا رَفَعَ هَذَا الْحَدِيثَ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ أَبِي الْمُخَارِقِ وَهُوَ ضَعِيفٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ ضَعَّفَهُ أَيُّوبُ السَّخْتِيَانِيُّ وَتَكَلَّمَ فِيهِ ‏.‏ وَرَوَى عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ عُمَرُ رضى الله عنه مَا بُلْتُ قَائِمًا مُنْذُ أَسْلَمْتُ ‏.‏ وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْكَرِيمِ وَحَدِيثُ بُرَيْدَةَ فِي هَذَا غَيْرُ مَحْفُوظٍ ‏.‏ وَمَعْنَى النَّهْىِ عَنِ الْبَوْلِ قَائِمًا عَلَى التَّأْدِيبِ لاَ عَلَى التَّحْرِيمِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ إِنَّ مِنَ الْجَفَاءِ أَنْ تَبُولَ وَأَنْتَ قَائِمٌ ‏.‏
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যে লোক বলে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে পেশাব করেছেন, তার কথা তোমরা বিশ্বাস কর না। তিনি সব সময় বসেই পেশাব করতেন। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩০৭) এ অনুচ্ছেদে উমার ও বুরাইদা (রাঃ)-এর হাদীস রয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এ অনুচ্ছেদে আইশার হাদীস অধিকতর হাসান ও সবচাইতে সহীহ। উমারের বর্ণিত হাদীস হলঃ ১২/১। উমার (রাঃ) বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দাঁড়িয়ে পেশাব করতে দেখেন। তিনি বলেনঃ হে উমার! দাঁড়িয়ে পেশাব কর না। (উমার বলেন,) তারপর আমি আর কখনও দাঁড়িয়ে পেশাব করিনি।" যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩০৮) সিলসিলাহ আহাদীস যঈফাহ (৯৩৪) আবূ ঈসা বলেনঃ শুধুমাত্র আব্দুল কারীম ইবনুল মুখারিক এই হাদীসটিকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আর তিনি মুহাদ্দিসদের মতে যঈফ। আইয়ুব সাখতিয়ানী তাকে যঈফ বলেছেন এবং তার সমালোচনা করেছেন। অপর এক বর্ণনায় ইবনু উমার হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন,-উমার (রাঃ) বলেছেন, “আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর কখনও দাঁড়িয়ে পেশাব করিনি”। এ হাদীসটি আবদুল কারীমের বর্ণিত হাদীস হতে অধিক সহীহ। এ অনুচ্ছেদে বুরাইদার হাদীস অরক্ষিত। দাঁড়িয়ে পেশাব করা নিষিদ্ধ হওয়ার তাৎপর্য হল, এটা প্রচলিত নিয়ম বিরোধী, তবে হারাম নয়। “আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ তোমার দাঁড়িয়ে পেশাব করাটা একটা যুলুম ও বেয়াদবী।
হাদিস 13 — Jami At Tirmidhi 1:13
সহিহসহিহসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَتَى سُبَاطَةَ قَوْمٍ فَبَالَ عَلَيْهَا قَائِمًا فَأَتَيْتُهُ بِوَضُوءٍ فَذَهَبْتُ لأَتَأَخَّرَ عَنْهُ فَدَعَانِي حَتَّى كُنْتُ عِنْدَ عَقِبَيْهِ فَتَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَسَمِعْتُ الْجَارُودَ يَقُولُ سَمِعْتُ وَكِيعًا يُحَدِّثُ بِهَذَا الْحَدِيثِ عَنِ الأَعْمَشِ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ وَكِيعٌ هَذَا أَصَحُّ حَدِيثٍ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْحِ ‏.‏ وَسَمِعْتُ أَبَا عَمَّارٍ الْحُسَيْنَ بْنَ حُرَيْثٍ يَقُولُ سَمِعْتُ وَكِيعًا فَذَكَرَ نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَكَذَا رَوَى مَنْصُورٌ وَعُبَيْدَةُ الضَّبِّيُّ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ حُذَيْفَةَ مِثْلَ رِوَايَةِ الأَعْمَشِ ‏.‏ وَرَوَى حَمَّادُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ وَعَاصِمُ بْنُ بَهْدَلَةَ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَحَدِيثُ أَبِي وَائِلٍ عَنْ حُذَيْفَةَ أَصَحُّ ‏.‏ وَقَدْ رَخَّصَ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي الْبَوْلِ قَائِمًا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَعَبِيدَةُ بْنُ عَمْرٍو السَّلْمَانِيُّ رَوَى عَنْهُ إِبْرَاهِيمُ النَّخَعِيُّ ‏.‏ وَعَبِيدَةُ مِنْ كِبَارِ التَّابِعِينَ يُرْوَى عَنْ عَبِيدَةَ أَنَّهُ قَالَ أَسْلَمْتُ قَبْلَ وَفَاةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِسَنَتَيْنِ ‏.‏ وَعُبَيْدَةُ الضَّبِّيُّ صَاحِبُ إِبْرَاهِيمَ هُوَ عُبَيْدَةُ بْنُ مُعَتِّبٍ الضَّبِّيُّ وَيُكْنَى أَبَا عَبْدِ الْكَرِيمِ ‏.‏
। হুযাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সম্প্রদায়ের আবর্জনা রাখার স্থানে আসেন এবং সেখানে দাঁড়িয়ে পেশাব করেন। অতঃপর আমি তার জন্য পানি আনি। আমি অপেক্ষা করার জন্য একটু দূরে সরে দাঁড়াই। তিনি আমাকে ডাকলেন এবং আমি এসে তার পায়ের সামনে দাঁড়ালাম। তিনি ওযু করলেন এবং মোজার উপর মসিহ করলেন। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩০৫)। আবু ঈসা বলেনঃ আমি জারুদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ আমি ওয়াকী'কে এই হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি আমাশ হতে। অতঃপর ওয়াকী' বলেন, এটাই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে মাসিহ’র ক্ষেত্রে বর্ণিত সর্বাধিক সহীহ হাদীস। আবু আম্মার হুসাইন ইবনু হুরাইসকেও অনুরূপ কথা বলতে শুনেছি। আবু ঈসা বলেনঃ হুযাইফার সূত্রে আবু ওয়ায়েল হতে মানসূর এবং উবাইদা আযবাব্বী ও আ'মাশের বর্ণনায় অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং মুগীরা ইবনু শু’বার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আবু ওয়াইলের বরাতে হাম্মাদ ইবনু সুলাইমান এবং আসিম ইবনু বুহদালাহ বর্ণনা করেছেন। হু্যাইফার সূত্রে আবু ওয়াইলের হাদীস অধিকতর সহীহ্। কিছু বিদ্বান ব্যক্তি দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার অনুমতি দিয়েছেন। আবু ঈসা বলেনঃ উবাইদাহ ইবনু আমর আসসালমানী হতে ইবরাহীম নাখয়ী হাদীস বর্ণনা করেছেন। উবাইদাহ উচু স্তরের তাবেয়ীদের অন্তর্ভুক্ত। উবাইদাহ হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর দুই বছর পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করেছি। উবাইদাহ ইবনু মুয়াত্তিব আযবাব্বী, তার উপনাম ‘আব্দুল করীম।
হাদিস 14 — Jami At Tirmidhi 1:14
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ الْمُلاَئِيُّ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَرَادَ الْحَاجَةَ لَمْ يَرْفَعْ ثَوْبَهُ حَتَّى يَدْنُوَ مِنَ الأَرْضِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَكَذَا رَوَى مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَنَسٍ هَذَا الْحَدِيثَ ‏.‏ وَرَوَى وَكِيعٌ وَأَبُو يَحْيَى الْحِمَّانِيُّ عَنِ الأَعْمَشِ قَالَ قَالَ ابْنُ عُمَرَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَرَادَ الْحَاجَةَ لَمْ يَرْفَعْ ثَوْبَهُ حَتَّى يَدْنُوَ مِنَ الأَرْضِ ‏.‏ وَكِلاَ الْحَدِيثَيْنِ مُرْسَلٌ ‏.‏ وَيُقَالُ لَمْ يَسْمَعِ الأَعْمَشُ مِنْ أَنَسٍ وَلاَ مِنْ أَحَدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ نَظَرَ إِلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ رَأَيْتُهُ يُصَلِّي ‏.‏ فَذَكَرَ عَنْهُ حِكَايَةً فِي الصَّلاَةِ ‏.‏ وَالأَعْمَشُ اسْمُهُ سُلَيْمَانُ بْنُ مِهْرَانَ أَبُو مُحَمَّدٍ الْكَاهِلِيُّ وَهُوَ مَوْلًى لَهُمْ ‏.‏ قَالَ الأَعْمَشُ كَانَ أَبِي حَمِيلاً فَوَرَّثَهُ مَسْرُوقٌ ‏.‏
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মলত্যাগ করার প্রয়োজন মনে করতেন, তিনি মাটির কাছাকাছি না হওয়া পর্যন্ত বস্ত্র তুলতেন না। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১১), সহীহাহ- (১০৭১)। আবু ঈসা বলেন, অনুরূপ একটি হাদীস মুহাম্মাদ ইবনু রাবীআ-আমাশের সূত্রে আনাস (রাঃ)-এর নিকট হতে বর্ণনা করেছেন। ওয়াকী’ এবং আবু ইয়াহ ইয়া আল-হিন্মানী আমাশের সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু আমাশ আনাসের জায়গায় ইবনু উমারের নাম উল্লেখ করেছেন। ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম মলত্যাগ করতে চাইলে মাটির কাছাকাছি না হওয়া পর্যন্ত পরিধানের বস্ত্র তুলতেন না। হাদীস দুটি মুরসাল। কেননা আমাশ- আনাস অথবা অন্য কোন সাহাবীর নিকট হতে কোন হাদীসের বর্ণনা শুনেননি, অবশ্য তিনি তাকে দেখেছেন। যেমন তিনি বলেছেন, আমি তাকে নামায পড়তে দেখেছি। আমাশের নাম সুলাইমান ইবনু মিহরান, তার উপনাম আবু মুহাম্মাদ আল-কাহিলী এবং তিনি কাহিল গোত্রের মুক্ত গোলাম ছিলেন। তিনি বলেন, আমার পিতাকে ছোটবেলা মুসলিম দেশে নিয়ে আসা হয়। মাসরূক তাকে নিজের উত্তোরাধিকারী করেন।
হাদিস 15 — Jami At Tirmidhi 1:15
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يَمَسَّ الرَّجُلُ ذَكَرَهُ بِيَمِينِهِ ‏.‏ وَفِي هَذَا الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَسَلْمَانَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَسَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو قَتَادَةَ الأَنْصَارِيُّ اسْمُهُ الْحَارِثُ بْنُ رِبْعِيٍّ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ عَامَّةِ أَهْلِ الْعِلْمِ كَرِهُوا الاِسْتِنْجَاءَ بِالْيَمِينِ ‏.‏
। আবদুল্লাহ ইবনু আবী কাতাদা (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কোন ব্যক্তিকে ডান হাত দিয়ে নিজের লজ্জাস্থান স্পর্শ করতে নিষেধ করেছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩১০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, সালমান, আবু হুরাইরা ও সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। আবু কাতাদাহ আনসারী তার নাম হারিস ইবনু রিবীয়ী। বিদ্বান বা পণ্ডিত ব্যক্তিগণ ডান হাত দিয়ে শৌচ করা মাকরূহ বলেছেন।
হাদিস 16 — Jami At Tirmidhi 1:16
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ قِيلَ لِسَلْمَانَ قَدْ عَلَّمَكُمْ نَبِيُّكُمْ صلى الله عليه وسلم كُلَّ شَيْءٍ حَتَّى الْخِرَاءَةَ فَقَالَ سَلْمَانُ أَجَلْ نَهَانَا أَنْ نَسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةَ بِغَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ وَأَنْ نَسْتَنْجِيَ بِالْيَمِينِ أَوْ أَنْ يَسْتَنْجِيَ أَحَدُنَا بِأَقَلَّ مِنْ ثَلاَثَةِ أَحْجَارٍ أَوْ أَنْ نَسْتَنْجِيَ بِرَجِيعٍ أَوْ بِعَظْمٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَخُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ وَجَابِرٍ وَخَلاَّدِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ أَبِيهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ سَلْمَانَ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ رَأَوْا أَنَّ الاِسْتِنْجَاءَ بِالْحِجَارَةِ يُجْزِئُ وَإِنْ لَمْ يَسْتَنْجِ بِالْمَاءِ إِذَا أَنْقَى أَثَرَ الْغَائِطِ وَالْبَوْلِ وَبِهِ يَقُولُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏
। আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, সালমান (রাঃ)-কে বলা হল, আপনাদের নবী প্রতিটি বিষয় আপনাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন; এমনকি পায়খানা-পেশাবের শিষ্টাচারও। সালমান (রাঃ) বলেন, হ্যাঁ, তিনি আমাদের কিবলামুখী হয়ে কাউকে তিনটি টিলার কম দিয়ে ইস্তিনজা করতে এবং শুকনা গোবর অথবা হাড় দিয়ে ইস্তিনজা করতে নিষেধ করেছেন। সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩১৬), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদ আয়িশাহ, খুযাইমা ইবনু সাবিত, জাবির ও সায়িব (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, সালমান (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীস হাসান সহীহ। বেশিরভাগ সাহাবা ও তাবিঈর মতে ইস্তিনজায় যদি চিলা দ্বারা সুন্দরভাবে পরিষ্কার হয়ে যায় তবে তাই যথেষ্ট, পানির দরকার নেই। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারক, ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকের এটাই মত।
হাদিস 17 — Jami At Tirmidhi 1:17
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، وَقُتَيْبَةُ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ خَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِحَاجَتِهِ فَقَالَ ‏"‏ الْتَمِسْ لِي ثَلاَثَةَ أَحْجَارٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَأَتَيْتُهُ بِحَجَرَيْنِ وَرَوْثَةٍ فَأَخَذَ الْحَجَرَيْنِ وَأَلْقَى الرَّوْثَةَ وَقَالَ ‏"‏ إِنَّهَا رِكْسٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَكَذَا رَوَى قَيْسُ بْنُ الرَّبِيعِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ نَحْوَ حَدِيثِ إِسْرَائِيلَ ‏.‏ وَرَوَى مَعْمَرٌ وَعَمَّارُ بْنُ رُزَيْقٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَرَوَى زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ عَنْ أَبِيهِ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَرَوَى زَكَرِيَّا بْنُ أَبِي زَائِدَةَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ فِيهِ اضْطِرَابٌ ‏.‏ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ الْعَبْدِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ قَالَ سَأَلْتُ أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ هَلْ تَذْكُرُ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ شَيْئًا قَالَ لاَ ‏.‏
। আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মলত্যাগ করতে যাওয়ার সময় (আমাকে) বললেনঃ আমার জন্য তিন টুকরা পাথর নিয়ে আস। রাবী বলেন, আমি দুটি পাথরের টুকরা এবং একটি শুকনা গোবরের টুকরা নিয়ে আসলাম। তিনি পাথরের টুকরা দু’টো রাখলেন এবং গোবরের টুকরাটা ফেলে দিলেন। তিনি বললেনঃ “এটা নোংরা জিনিস”। —সহীহ। বুখারী- (১৫৬)। আবু ঈসা বলেন, কাইস ইবনু রাবী' এ হাদীসটি আবু ইসহাক হতে, তিনি আবূ উবাইদা হতে, তিনি আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে ইসরাঈল বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। মা'মার এবং আম্মার ইবনু যুরাইক আবূ ইসহাক হতে, তিনি আলক্বামা হতে, তিনি আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। যুহাইর আবু ইসহাক হতে, তিনি আবদুর রাহমান ইবনু আসওয়াদ হতে, তিনি নিজ পিতা আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ হতে তিনি আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। যাকারিয়া ইবনু আবু যাইদাহ আবু ইসহাকের সুত্রে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনু ইয়াযীদের সূত্রে, তিনি আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির সনদে অমিল রয়েছে। আমর ইবনু মুররা বলেন, আমি আবু উবাদা ইবনু আব্দুল্লাহকে প্রশ্ন করলাম, আপনি কি 'আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে কোন হাদীস বর্ণনা করেছে? তিনি বললেন, না। আবু ঈসা বলেন আমি আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দুর রাহমান দারিমীকে প্রশ্ন করলাম, আবু ইসহাকের সূত্রে বর্ণিত এসব রিওয়াতের মধ্যে কোনটি সর্বাধিক সহীহ? তিনি এর কোন জবাব দিতে পারেননি। আমি এ সম্পর্কে মুহাম্মাদকে (বুখারী) প্রশ্ন করলাম। তিনিও এর কোন জবাব দেননি। আবু ইসহাকের সূত্রে যুহাইর হতে বর্ণিত হাদীসকে তিনি বেশি সহীহ বলে গ্রহণ করেছেন এবং সহীহ বুখারীতে তা সংকলন করেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ আমার মতে ইসহাকের সূত্রে ইসরাঈল ও কাইস হতে বর্ণিত হাদীস সবচাইতে সহীহ। কেননা আবু ইসহাক হতে বর্ণিত হাদীসসমূহ স্মরণ রাখার ব্যাপারে ইসরাঈল অন্যদের তুলনায় বেশি নির্ভরযোগ্য এবং সুপরিচিত রাবী। তাছাড়া কাইস ইবনু রাবী’ও তার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ আমি আবু মূসা মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্নাকে বলতে শুনেছি; তিনি বলেন, আমি আব্দুর রহমান ইবনু মাহদীকে বলতে শুনেছি, আবূ ইসহাক হতে সুফিয়ানের যে সমস্ত হাদীসের ক্ষেত্রে আমি ইসরাঈলের উপর নির্ভর করেছি সেক্ষেত্রে আমি অনেক হাদীস হারিয়ে ফেলেছি। কেননা সুফিয়ানের বর্ণনা অধিক পরিপূর্ণ। আবু ঈসা বলেনঃ আবু ইসহাকের সূত্রে যুহাইরের বর্ণনা খুব বেশি শক্তিশালী নয়। কেননা তিনি তার নিকট শেষ বয়সে হাদীস শুনেছেন। ইবনু হাম্বল বলেন, তুমি যদি যায়িদা ও যুহাইরের নিকট হাদীস শুনে থাক তাহলে অন্যের নিকট তা শুনার প্রয়োজন নেই। কিন্তু তুমি যদি যুহাইরকে আবূ ইসহাকের হাদীস বর্ণনা করতে শুন তাহলে তা অন্যের নিকট জিজ্ঞেস করে নিও। আবু ইসহাকের নাম 'আমর ইবনু আবদিল্লাহ সাবিয়ী হামদানী। আবু উবাইদা ইবনু আবদিল্লাহ ইবনি মাসউদ তার পিতার নিকটে কোন হাদীস শুনেননি। তার আসল নামও জানা যায়নি।
হাদিস 18 — Jami At Tirmidhi 1:18
সহিহদাঈফসহিহ - Bukhari And Muslim
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَسْتَنْجُوا بِالرَّوْثِ وَلاَ بِالْعِظَامِ فَإِنَّهُ زَادُ إِخْوَانِكُمْ مِنَ الْجِنِّ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَسَلْمَانَ وَجَابِرٍ وَابْنِ عُمَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ وَغَيْرُهُ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنِ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ كَانَ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لَيْلَةَ الْجِنِّ - الْحَدِيثَ بِطُولِهِ - فَقَالَ الشَّعْبِيُّ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ تَسْتَنْجُوا بِالرَّوْثِ وَلاَ بِالْعِظَامِ فَإِنَّهُ زَادُ إِخْوَانِكُمْ مِنَ الْجِنِّ ‏"‏ ‏.‏ وَكَأَنَّ رِوَايَةَ إِسْمَاعِيلَ أَصَحُّ مِنْ رِوَايَةِ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ وَابْنِ عُمَرَ رضى الله عنهما ‏.‏
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা শুকনা গোবর দিয়ে আর হাড় দিয়ে ইস্তিনজা করবে না। কেননা এগুলো তোমাদের ভাই জিনদের খাদ্য। —সহীহ। আল-ইরওয়া— (৪৬), মিশকাত(৩৫০), যঈফাহ– (১০৩৮) এর অধীনে। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, সালমান, জাবির ও ইবনু উমার (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম ও অন্যরা দাউদ ইবনু আবী হিনদের সূত্রে, তিনি শাবী হতে, তিনি আলকামা হতে, তিনি আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি (আবদুল্লাহ) জ্বিনদের রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু "আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলেন। হাদীসটি বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। শা'বী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা শুকনা গোবর অথবা হাড় দিয়ে ইস্তিনজা কর না। কেননা এটা তোমাদের ভাই জিনদের খাদ্য।” হাফস ইবনু গিয়াসের বর্ণনা হতে ইসমাঈলের বর্ণনা বেশি সহীহ। এ হাদীসের উপরই মনীষীরা আমল করেন (গোবর ও হাড় দিয়ে শৌচ করেন না)। এ অনুচ্ছেদে জাবির ও ইবনু উমর (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।
হাদিস 19 — Jami At Tirmidhi 1:19
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ الْبَصْرِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ مُعَاذَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مُرْنَ أَزْوَاجَكُنَّ أَنْ يَسْتَطِيبُوا، بِالْمَاءِ فَإِنِّي أَسْتَحْيِيهِمْ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَفْعَلُهُ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَجَلِيِّ وَأَنَسٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَعَلَيْهِ الْعَمَلُ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ يَخْتَارُونَ الاِسْتِنْجَاءَ بِالْمَاءِ وَإِنْ كَانَ الاِسْتِنْجَاءُ بِالْحِجَارَةِ يُجْزِئُ عِنْدَهُمْ فَإِنَّهُمُ اسْتَحَبُّوا الاِسْتِنْجَاءَ بِالْمَاءِ وَرَأَوْهُ أَفْضَلَ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি (মহিলাদের) বললেন, তোমরা তোমাদের স্বামীদের পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করার নির্দেশ দাও। আমি (স্ত্রীলোক হিসাবে) তাদের (এ নির্দেশ দিতে) লজ্জাবোধ করছি। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও পানি দিয়ে ইস্তিনজা করতেন। -সহীহ। ইরওয়া- (৪২)। এ অনুচ্ছেদে জারীর ইবনু আবদিল্লাহ আল-বাজালী, আনাস ও আবু হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। মনীষীগণ এ হাদীসের উপরই আমল করেন। তারা পানি দিয়ে ইস্তিনজা করা পছন্দ করেন, যদিও তাদের মতে চিলা দ্বারা ইস্তিনজা করলেই যথেষ্ট। তারা সবাই পানি দ্বারা ইস্তিনজা করা উত্তম বলেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ইবনু হাম্বল ও ইসহাক এ মতই সঠিক মনে করেন।
হাদিস 20 — Jami At Tirmidhi 1:20
সহিহসহিহহাসান SahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ كُنْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَأَتَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم حَاجَتَهُ فَأَبْعَدَ فِي الْمَذْهَبِ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي قُرَادٍ وَأَبِي قَتَادَةَ وَجَابِرٍ وَيَحْيَى بْنِ عُبَيْدٍ عَنْ أَبِيهِ وَأَبِي مُوسَى وَابْنِ عَبَّاسٍ وَبِلاَلِ بْنِ الْحَارِثِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَيُرْوَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَرْتَادُ لِبَوْلِهِ مَكَانًا كَمَا يَرْتَادُ مَنْزِلاً ‏.‏ وَأَبُو سَلَمَةَ اسْمُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ الزُّهْرِيُّ ‏.‏
। মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি কোন এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের মলত্যাগের প্রয়োজন হলে তিনি অনেক দূরে চলে গেলেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩৩০১)। এ অনুচ্ছেদে আবদুর রাহমান ইবনু আবী কুরাদ, আবু ক্বাতাদা, জাবির, উবাইদ, আবু মূসা, ইবনু আব্বাস ও বিলাল ইবনুল হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে আরো বর্ণিত আছেঃ তিনি সফরে থাকার সময় যেমন আশ্রয়স্থল খুঁজতেন তেমনি পেশাবের জন্য নরম জায়গা খুঁজতেন। আবূ সালামার নাম আব্দুল্লাহ ইবনু আব্দর রহমান ইবনি আউফ আয্‌-যুহরী।
সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।