Qurani·قرآني
বাংলা

পবিত্রতার অধ্যায়

148 হাদিস · #1–148

হাদিস 21 — Jami At Tirmidhi 1:21
সহিহসহিহহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، وَأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى، مَرْدَوَيْهِ قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يَبُولَ الرَّجُلُ فِي مُسْتَحَمِّهِ ‏.‏ وَقَالَ ‏ "‏ إِنَّ عَامَّةَ الْوَسْوَاسِ مِنْهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مَرْفُوعًا إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ أَشْعَثَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَيُقَالُ لَهُ أَشْعَثُ الأَعْمَى ‏.‏ وَقَدْ كَرِهَ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ الْبَوْلَ فِي الْمُغْتَسَلِ وَقَالُوا عَامَّةُ الْوَسْوَاسِ مِنْهُ ‏.‏ وَرَخَّصَ فِيهِ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْهُمُ ابْنُ سِيرِينَ وَقِيلَ لَهُ إِنَّهُ يُقَالُ إِنَّ عَامَّةَ الْوَسْوَاسِ مِنْهُ فَقَالَ رَبُّنَا اللَّهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ ‏.‏ وَقَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ قَدْ وُسِّعَ فِي الْبَوْلِ فِي الْمُغْتَسَلِ إِذَا جَرَى فِيهِ الْمَاءُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدَّثَنَا بِذَلِكَ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الآمُلِيُّ عَنْ حِبَّانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ ‏.‏
। 'আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন ব্যক্তিকে নিজের গোসলখানায় পেশাব করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরো বলেছেনঃ (মানুষের মনে) বেশিরভাগ ওয়াসওয়াসা তা হতেই সৃষ্টি হয়। -প্রথম অংশ সহীহ, দ্বিতীয় অংশ যঈফ। ইবনু মাজাহ– (৩০৪)। এ অনুচ্ছেদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবী হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এটা গারীব হাদীস। শুধু আশ'আস ইবনু আবদিল্লাহ এটাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস বলে বর্ণনা করেছেন এবং তাকে অন্ধ আশ'আস বলা হয়। এক দল মনীষী গোসলখানায় পেশাব করা মাকরূহ বলেছেন। তাদের মতে, এর দ্বারা মানুষের সন্দেহপ্রবণতা সৃষ্টি হয়। অপর দলের মতে, তার অনুমতি আছে। এদের মধ্যে ইবনু সীরীন অন্যতম। কেউ তাকে প্রশ্ন করল, লোকেরা বলাবলি করছে, ‘বেশিরভাগ সন্দেহপ্রবণতা এখান হতেই সৃষ্টি হয় এটা কেমন করে? তিনি উত্তরে বলেছেনঃ আল্লাহ আমাদের প্রভু, তার কোন শারীক নেই। ইবনুল মুবারাকের মতে, যদি গোসলখানার পানি গড়িয়ে যায় তাহলে সেখানে পেশাব করার অনুমতি আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ আহমাদ ইবনু আবদাহ আল-আমুলী হিব্বানের সূত্রে আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারকের এই অভিমত বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 22 — Jami At Tirmidhi 1:22
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلاَةٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَحَدِيثُ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كِلاَهُمَا عِنْدِي صَحِيحٌ لأَنَّهُ قَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَذَا الْحَدِيثُ ‏.‏ وَحَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ إِنَّمَا صَحَّ لأَنَّهُ قَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ ‏.‏ وَأَمَّا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ فَزَعَمَ أَنَّ حَدِيثَ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ أَصَحُّ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ وَعَلِيٍّ وَعَائِشَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَحُذَيْفَةَ وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ وَأَنَسٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَابْنِ عُمَرَ وَأُمِّ حَبِيبَةَ وَأَبِي أُمَامَةَ وَأَبِي أَيُّوبَ وَتَمَّامِ بْنِ عَبَّاسٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْظَلَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ وَوَاثِلَةَ بْنِ الأَسْقَعِ وَأَبِي مُوسَى ‏.‏
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টদায়ক হবে মনে না করলে তাদেরকে প্রত্যেক নামাযের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (২৮৭), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম হতে তিনি আবু সালামাহ, হতে তিনি যাইদ ইবনু খালিদ হতে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন - আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরা ও যাইদ ইবনু খালিদ (রাঃ)-এর নিকট হতে আবু সালাম হতে বর্ণিত উভয় হাদীসই সহীহ। কেননা এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাইল (ইমাম বুখারীর) মতে যাইদ ইবনু খালিদের নিকট হতে আবু সালাম হতে বর্ণিত হাদীসটি বেশি সহীহ। এ অনুচ্ছেদে আবু বাকার সিদ্দীক, আলী, আইশাহ, ইবনু আব্বাস, হুযাইফা, যাইদ ইবনু খালিদ, আনাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, উম্মি হাবীব, ইবনু উমার, আবূ উম্মি সালামা, ওয়াসিলা ও আবু মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে।
হাদিস 23 — Jami At Tirmidhi 1:23
সহিহসহিহহাসান Sahihদাঈফ
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ صَلاَةٍ وَلأَخَّرْتُ صَلاَةَ الْعِشَاءِ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَكَانَ زَيْدُ بْنُ خَالِدٍ يَشْهَدُ الصَّلَوَاتِ فِي الْمَسْجِدِ وَسِوَاكُهُ عَلَى أُذُنِهِ مَوْضِعَ الْقَلَمِ مِنْ أُذُنِ الْكَاتِبِ لاَ يَقُومُ إِلَى الصَّلاَةِ إِلاَّ اسْتَنَّ ثُمَّ رَدَّهُ إِلَى مَوْضِعِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
। যাইদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ আমি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টদায়ক হবে মনে না করলে তাদেরকে সকল নামাযের সময় দাত মাজার নির্দেশ দিতাম এবং এশার নামাযের জামা'আত এক-তৃতীয়াংশ রাত পর্যন্ত দেরি করতাম। অধঃস্তন রাবী আবু সালামা বলেন, যাইদ ইবনু খালিদ (রাঃ) নামাযে আসতেন আর তার কানের গোড়ার ঠিক সেখানে মিসওয়াক থাকত যেখানে লেখকের কলম থাকে। যখনই তিনি নামাযে দাড়াতেন, মিসওয়াক করতেন, অতঃপর তা আবার সেখানে রাখতেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৩৭)। আবূ ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ।ا
হাদিস 24 — Jami At Tirmidhi 1:24
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، أَحْمَدُ بْنُ بَكَّارٍ الدِّمَشْقِيُّ - يُقَالُ هُوَ مِنْ وَلَدِ بُسْرِ بْنِ أَرْطَاةَ صَاحِبِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنِ الأَوْزَاعِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ وَأَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا اسْتَيْقَظَ أَحَدُكُمْ مِنَ اللَّيْلِ فَلاَ يُدْخِلْ يَدَهُ فِي الإِنَاءِ حَتَّى يُفْرِغَ عَلَيْهَا مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا فَإِنَّهُ لاَ يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَجَابِرٍ وَعَائِشَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ قَالَ الشَّافِعِيُّ وَأُحِبُّ لِكُلِّ مَنِ اسْتَيْقَظَ مِنَ النَّوْمِ قَائِلَةً كَانَتْ أَوْ غَيْرَهَا أَنْ لاَ يُدْخِلَ يَدَهُ فِي وَضُوئِهِ حَتَّى يَغْسِلَهَا فَإِنْ أَدْخَلَ يَدَهُ قَبْلَ أَنْ يَغْسِلَهَا كَرِهْتُ ذَلِكَ لَهُ وَلَمْ يُفْسِدْ ذَلِكَ الْمَاءَ إِذَا لَمْ يَكُنْ عَلَى يَدِهِ نَجَاسَةٌ ‏.‏ وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ إِذَا اسْتَيْقَظَ مِنَ النَّوْمِ مِنَ اللَّيْلِ فَأَدْخَلَ يَدَهُ فِي وَضُوئِهِ قَبْلَ أَنْ يَغْسِلَهَا فَأَعْجَبُ إِلَىَّ أَنْ يُهَرِيقَ الْمَاءَ ‏.‏ وَقَالَ إِسْحَاقُ إِذَا اسْتَيْقَظَ مِنَ النَّوْمِ بِاللَّيْلِ أَوْ بِالنَّهَارِ فَلاَ يُدْخِلْ يَدَهُ فِي وَضُوئِهِ حَتَّى يَغْسِلَهَا ‏.‏
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ রাতের ঘুম হতে জেগে তার হাত দুই অথবা তিনবার না ধোয়া পর্যন্ত যেন তা পানির পাত্রে প্রবেশ না করায়। কেননা তার জানা নেই, রাতে তার হাত কোথায় ছিলো (ঘুমে থাকাবস্থায় লজ্জাস্থানে যেতে পারে)। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৩৯৩), বুখারী ও মুসলিম, বুখারীতে সংখ্যার উল্লেখ নেই। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার, জাবির ও ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। ইমাম শাফিঈ বলেন, দিনে অথবা রাতে ঘুম থেকে জেগে হাত না ধুয়ে তা ওযুর পানিতে ঢুকানোটা আমি মাকরূহ মনে করি। অবশ্য হাতে নাপাক না থাকা অবস্থায় যদি পাত্রে হাত ঢুকায় তবে পানি নাপাক হবে না। ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল বলেন, যদি কেউ রাতের ঘুম থেকে জেগে হাত না ধুয়ে পানির পাত্রে তা ঢুকায় তাহলে এ পানি ফেলে দিতে হবে। ইমাম ইসহাক বলেন, কেউ যেন রাতে অথবা দিনে ঘুম থেকে জেগে হাত ধোয়ার পূর্বে তা পানির পাত্রে না ঢুকায়।
হাদিস 25 — Jami At Tirmidhi 1:25
হাসানহাসানহাসানহাসান
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، وَبِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ الْعَقَدِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ، عَنْ أَبِي ثِفَالٍ الْمُرِّيِّ، عَنْ رَبَاحِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ بْنِ حُوَيْطِبٍ، عَنْ جَدَّتِهِ، عَنْ أَبِيهَا، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ وُضُوءَ لِمَنْ لَمْ يَذْكُرِ اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَأَبِي سَعِيدٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَسَهْلِ بْنِ سَعْدٍ وَأَنَسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ لاَ أَعْلَمُ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثًا لَهُ إِسْنَادٌ جَيِّدٌ ‏.‏ وَقَالَ إِسْحَاقُ إِنْ تَرَكَ التَّسْمِيَةَ عَامِدًا أَعَادَ الْوُضُوءَ وَإِنْ كَانَ نَاسِيًا أَوْ مُتَأَوِّلاً أَجْزَأَهُ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ أَحْسَنُ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثُ رَبَاحِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَرَبَاحُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ جَدَّتِهِ عَنْ أَبِيهَا ‏.‏ وَأَبُوهَا سَعِيدُ بْنُ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ ‏.‏ وَأَبُو ثِفَالٍ الْمُرِّيُّ اسْمُهُ ثُمَامَةُ بْنُ حُصَيْنٍ ‏.‏ وَرَبَاحُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ هُوَ أَبُو بَكْرِ بْنُ حُوَيْطِبٍ ‏.‏ مِنْهُمْ مَنْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ فَقَالَ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حُوَيْطِبٍ فَنَسَبَهُ إِلَى جَدِّهِ ‏.‏
। রাবাহ ইবনু আবদির রহমান ইবনি আবী সুফিয়ান ইবনি হুআইত্বিব হতে তার দাদীর সূত্রে, তিনি তার পিতার (সাঈদ ইবনুযায়িদ) সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি (সাঈদ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি ওযুর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলেনি তার ওযু হয়নি। -হাসান। ইবনু মাজাহ– (৩৯৯) এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, আবূ হুরাইরা, আবু সাঈদ খুদরী, সাহল ইবনু সাদ ও আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু "ঈসা বলেনঃ আহমাদ ইবনু হাম্বল বলেছেন, এ অনুচ্ছেদে এমন কোন হাদীস আমার জানা নেই যার সনদ শক্তিশালী। ইসহাক বলেন, যদি ইচ্ছাকৃতভাবে বিসমিল্লাহ না বলে তবে আবার ওযু করতে হবে। আর যদি ভুলে অথবা হাদীসের ভিন্ন ব্যাখ্যা করে বিসমিল্লাহ না বলে তাহলে প্রথম ওযুই যথেষ্ট। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) বলেন, এ অনুচ্ছেদে রাবাহ ইবনু আবদির রহমানের বর্ণিত হাদীস সবচেয়ে উত্তম। আবু ঈসা বলেনঃ রাবাহ ইবনু আব্দির রাহমান তার দাদী হতে, তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন, তার পিতার নাম সাঈদ ইবনু যাইদ ইবনু আমর ইবনু নুফাইল। আবু সিফাল মুররী এর নাম সুমামাহ ইবনু হুসাইন। আর রাবাহ ইবনু আদির রহমান হলেন আবূ বাকার ইবনু হুআইত্বিবি। কেউ কেউ এই হাদীস বর্ণনা করতে যেয়ে বলেছেন, আবূ বাকার ইবনু হুআইত্বিবি হতে অর্থাৎ হাদীসটির সম্পর্ক তার দাদার সাথে জুড়ে দিয়েছেন।
হাদিস 26 — Jami At Tirmidhi 1:26
হাসানহাসান
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عِيَاضٍ، عَنْ أَبِي ثِفَالٍ الْمُرِّيِّ، عَنْ رَبَاحِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ بْنِ حُوَيْطِبٍ، عَنْ جَدَّتِهِ بِنْتِ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ أَبِيهَا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏
। পূর্বের হাদীসের অনুরূপ।
হাদিস 27 — Jami At Tirmidhi 1:27
সহিহসহিহহাসান SahihIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، وَجَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ يِسَافٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا تَوَضَّأْتَ فَانْتَثِرْ وَإِذَا اسْتَجْمَرْتَ فَأَوْتِرْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عُثْمَانَ وَلَقِيطِ بْنِ صَبِرَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَالْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِيكَرِبَ وَوَائِلِ بْنِ حُجْرٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ سَلَمَةَ بْنِ قَيْسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَاخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِيمَنْ تَرَكَ الْمَضْمَضَةَ وَالاِسْتِنْشَاقَ فَقَالَتْ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ إِذَا تَرَكَهُمَا فِي الْوُضُوءِ حَتَّى صَلَّى أَعَادَ الصَّلاَةَ وَرَأَوْا ذَلِكَ فِي الْوُضُوءِ وَالْجَنَابَةِ سَوَاءً ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ ابْنُ أَبِي لَيْلَى وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَالَ أَحْمَدُ الاِسْتِنْشَاقُ أَوْكَدُ مِنَ الْمَضْمَضَةِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَالَتْ طَائِفَةٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ يُعِيدُ فِي الْجَنَابَةِ وَلاَ يُعِيدُ فِي الْوُضُوءِ وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَبَعْضِ أَهْلِ الْكُوفَةِ ‏.‏ وَقَالَتْ طَائِفَةٌ لاَ يُعِيدُ فِي الْوُضُوءِ وَلاَ فِي الْجَنَابَةِ لأَنَّهُمَا سُنَّةٌ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلاَ تَجِبُ الإِعَادَةُ عَلَى مَنْ تَرَكَهُمَا فِي الْوُضُوءِ وَلاَ فِي الْجَنَابَةِ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ مَالِكٍ وَالشَّافِعِيِّ فِي آخِرَةٍ ‏.‏
। সালামা ইবনু কাইস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তুমি ওযু কর নাকে পানি দিয়ে ঝেড়ে ফেল এবং যখন (পায়খানায়) ঢিলা ব্যবহার কর বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার কর। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৪০৬)। এ অনুচ্ছেদে উসমান, লাকীত ইবনু সাবিরাহ, ইবনু আব্বাস, মিকদাম ইবনু মাদিকারিব, ওয়াইল ইবনু হুজর ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ সালামা ইবনু কাইসের হাদীস হাসান সহীহ। যে ব্যক্তি কুলি করেনি ও নাকে পানি দেয়নি তার ওযুর পূর্ণতা সম্পর্কে মনীষীদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাদের মধ্যে এক দলের বক্তব্য হল, যে ব্যক্তি ওযুর সময় কুলি করেনি ও নাকে পানি দেয়নি এ অবস্থায় সে নামায আদায় করলে তাকে দ্বিতীয়বার তা আদায় করতে হবে। তারা ওযু এবং (ওয়াযিব) গোসলের সময় কুলি করা ও নাকে পানি দেয়া অত্যাবশ্যকীয় মনে করেছেন। এ দলে রয়েছেন ইবনু আবী লাইলা, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল ও ইসহাক। ইমাম আহমাদ আরো বলেছেন, নাক পরিষ্কার করা কুলি করার চেয়ে বেশী জরুরী। আবু ঈসা বলেনঃ অন্য এক দল বলেছেন, যদি নাপাকির গোসলে কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়া না হয় তবে আবার নামায আদায় করতে হবে; আর যদি ওযুর সময় এটা ছাড়া হয় তাহলে নতুন করে নামায আদায় করতে হবে না। এটা সুফিয়ান সাওরী ও কুফার কিছু লোকের (ইমাম আবু হানীফা ও তার মতানুসারী) বক্তব্য। অপর এক দলের মতে, গোসল অথবা ওযুর সময় এ দুটি কাজ বাদ দিলে নামায নতুন করে আদায় করতে হবে না। কেননা এটা নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত। অতএব কেউ যদি ফরয গোসলে বা ওযুর সময় কুলি না করে এবং নাকে পানি না দেয় আর এই ওযু দিয়ে নামায আদায় করে নেয় তাহলে পুনরায় নামায আদায় করতে হবে না। ইমাম মালিক ও শাফিঈ সর্বশেষ এই অভিমত প্রকাশ করেছেন।
হাদিস 28 — Jami At Tirmidhi 1:28
সহিহসহিহসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ مِنْ كَفٍّ وَاحِدٍ فَعَلَ ذَلِكَ ثَلاَثًا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَحَدِيثُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زَيْدٍ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى مَالِكٌ وَابْنُ عُيَيْنَةَ وَغَيْرُ وَاحِدٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى وَلَمْ يَذْكُرُوا هَذَا الْحَرْفَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ مِنْ كَفٍّ وَاحِدٍ ‏.‏ وَإِنَّمَا ذَكَرَهُ خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَخَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ثِقَةٌ حَافِظٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ الْمَضْمَضَةُ وَالاِسْتِنْشَاقُ مِنْ كَفٍّ وَاحِدٍ يُجْزِئُ وَقَالَ بَعْضُهُمْ تَفْرِيقُهُمَا أَحَبُّ إِلَيْنَا ‏.‏ وَقَالَ الشَّافِعِيُّ إِنْ جَمَعَهُمَا فِي كَفٍّ وَاحِدٍ فَهُوَ جَائِزٌ وَإِنْ فَرَّقَهُمَا فَهُوَ أَحَبُّ إِلَيْنَا ‏.‏
। আবদুল্লাহ ইবনু যাইদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক আজলা পানি দিয়ে কুলি করতে ও নাক পরিষ্কার করতে দেখেছি। তিনি তিনবার এরকম করেছেন। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১১০), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু যাইদের সূত্রে বর্ণিত হাদীস হাসান এবং গারীব। মালিক, ইবনু উআইনা ও অন্যরাও আমর ইবনু ইয়াহইয়ার সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আঁজলা পানি দিয়ে কুলি করেছেন ও নাকে দিয়েছেন এ কথা উল্লেখ করেননি। খালিদ ইবনু আবদুল্লাহই একথা বর্ণনা করেছেন। হাদীস রিজালশাস্ত্র বিচারে তিনি সিকাহ রাবী এবং হাফিয। কিছু বিদ্বান বলেছেন, এক আঁজলা পানির কিছুটা দিয়ে কুলি করলে ও কিছুটা নাকে দিলে তাতে যথেষ্ট হবে। কেউ কেউ বলেছেন, মুখে এবং নাকে দেওয়ার জন্য পৃথকভাবে পানি নেয়াই উত্তম। ইমাম শাফিঈ বলেছেন, যদিও এক অজিলা পানি দিয়ে উভয় কাজ করা জায়িয তবুও আমার মতে মুখ ও নাকের জন্য পৃথকভাবে পানি লওয়াই উত্তম।
হাদিস 29 — Jami At Tirmidhi 1:29
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ أَبِي الْمُخَارِقِ أَبِي أُمَيَّةَ، عَنْ حَسَّانَ بْنِ بِلاَلٍ، قَالَ رَأَيْتُ عَمَّارَ بْنَ يَاسِرٍ تَوَضَّأَ فَخَلَّلَ لِحْيَتَهُ فَقِيلَ لَهُ أَوْ قَالَ فَقُلْتُ لَهُ أَتُخَلِّلُ لِحْيَتَكَ قَالَ وَمَا يَمْنَعُنِي وَلَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُخَلِّلُ لِحْيَتَهُ ‏.‏
। আবদুল করীম ইবনু আবুল মুখারিক আবু উমাইয়া হতে হাসসান ইবনু বিলালের সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ)-কে ওযু করার সময় দাড়ি খিলাল করতে দেখলাম। তাকে বলা হল, অথবা তিনি (হাসসান) বলেছেন, আমি তাঁকে বললাম, আপনি দাঁড়ি খিলাল করছেন? তিনি (আম্মার) বললেনঃ (এ কাজে) কে আমাকে বাধা দিবে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার দাঁড়ি খিলাল করতে দেখেছি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৪২৯)।
হাদিস 30 — Jami At Tirmidhi 1:30
দাঈফ
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ حَسَّانَ بْنِ بِلاَلٍ، عَنْ عَمَّارٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عُثْمَانَ وَعَائِشَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ وَأَنَسٍ وَابْنِ أَبِي أَوْفَى وَأَبِي أَيُّوبَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَسَمِعْتُ إِسْحَاقَ بْنَ مَنْصُورٍ يَقُولُ قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ قَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ لَمْ يَسْمَعْ عَبْدُ الْكَرِيمِ مِنْ حَسَّانَ بْنِ بِلاَلٍ حَدِيثَ التَّخْلِيلِ ‏.‏ وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ أَصَحُّ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثُ عَامِرِ بْنِ شَقِيقٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ عُثْمَانَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَالَ بِهَذَا أَكْثَرُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ رَأَوْا تَخْلِيلَ اللِّحْيَةِ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ ‏.‏ وَقَالَ أَحْمَدُ إِنْ سَهَا عَنْ تَخْلِيلِ اللِّحْيَةِ فَهُوَ جَائِزٌ ‏.‏ وَقَالَ إِسْحَاقُ إِنْ تَرَكَهُ نَاسِيًا أَوْ مُتَأَوِّلاً أَجْزَأَهُ وَإِنْ تَرَكَهُ عَامِدًا أَعَادَ ‏.‏
। আম্মার (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন ..... এ সূত্রেও উপরের হাদীসের মতই বর্ণিত হয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, উম্মি সালামা, আনাস, ইবনু আবী আওফা ও আবু আইয়ূব (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেন, আমি ইসহাক ইবনু মানসূরকে বলতে শুনেছি, তিনি ' বলেনঃ আমি আহমাদ ইবনু হাম্বলকে বলতে শুনেছিঃ ইবনু উআইনা বলেছেন, আব্দুল কারীম 'দাঁড়ি খিলাল করা' সম্পর্কিত হাদিস হাসসান ইবনু বিলালের নিকট হতে শুনেননি। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) বলেছেন, এ অনুচ্ছেদে আমির ইবনু শাকীক হতে তিনি আবু ওয়াইল হতে তিনি উসমান হতে বর্ণিত হাদীসটি সবচাইতে সহীহ। সাহাবাই কিরাম ও পরবতী পর্যায়ের বেশিরভাগ মনীষীর মতে দাড়ি খিলাল করা উচিৎ। ইমাম শাফিঈরও এই মত। ইমাম আহমাদ বলেন, যে ব্যক্তি দাড়ি খিলাল করতে ভুলে গেছে তাতে তার ওযুর কোন লোকসান হয়নি। ইসহাক বলেন, যদি ইচ্ছাকৃতভাবে দাড়ি খিলাল না করা হয় এবং এই ওযু দিয়ে নামায আদায় করে থাকে তাহলে আবার নামায আদায় করতে হবে। আর যদি ভুলবশত অথবা হাদীসের ভিন্ন ব্যাখ্যা করে দাড়ি খিলাল করা ছেড়ে দেয় তবে নামায নতুন করে আদায় করতে হবে না।
সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।