حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْخُزَاعِيُّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ وَاقِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الْعِشَاءِ الآخِرَةِ بِالشَّمْسِ وَضُحَاهَا وَنَحْوِهَا مِنَ السُّوَرِ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ وَأَنَسٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ بُرَيْدَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَرَأَ فِي الْعِشَاءِ الآخِرَةِ بِالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ . وَرُوِيَ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ أَنَّهُ كَانَ يَقْرَأُ فِي الْعِشَاءِ بِسُوَرٍ مِنْ أَوْسَاطِ الْمُفَصَّلِ نَحْوِ سُورَةِ الْمُنَافِقِينَ وَأَشْبَاهِهَا . وَرُوِيَ عَنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ أَنَّهُمْ قَرَءُوا بِأَكْثَرَ مِنْ هَذَا وَأَقَلَّ فَكَأَنَّ الأَمْرَ عِنْدَهُمْ وَاسِعٌ فِي هَذَا . وَأَحْسَنُ شَيْءٍ فِي ذَلِكَ مَا رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَرَأَ بِالشَّمْسِ وَضُحَاهَا وَالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ .
। আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (বুরাইদা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার নামাযে ‘ওয়াশ-শামসি ওয়া যুহাহা’ ও এ ধরনের সূরাগুলো পাঠ করতেন। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৯৭)। আবু ঈসা বলেনঃ বুরাইদার হাদীসটি হাসান। এ অনুচ্ছেদে বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার নামাযে ‘ওয়াত-তীনি ওয়ায-যাইতুন সূরা পাঠ করেছেন। উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ইশার নামাযে সূরা আল-মুনাফিকূন ও অনুরূপ ধরনের আওসাতি মুফাফসাল সূরা পাঠ করতেন। অন্যান্য সাহাবা ও তাবিঈদের প্রসঙ্গে বর্ণিত আছে, তারা কখনও উল্লেখিত পরিমাণের বেশিও পাঠ করেছেন আবার কখনও কম পাঠ করেছেন। তাদের মতে, সূরা পাঠের আকার-আয়তন ও পরিধি ব্যাপক। সূরা-কিরা'আত বড় বা ছোট করার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ)-এর বর্ণনাটি সবচাইতে ভাল। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার নামাযে ‘ওয়াশ-শামসি ওয়া যুহাহা’ ও ‘ওয়াত-তীনি ওয়ায-যাইতুন সূরা পাঠ করেছেন।
হাদিস 310 — Jami At Tirmidhi 2:162
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَرَأَ فِي الْعِشَاءِ الآخِرَةِ بِالتِّينِ وَالزَّيْتُونِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
। বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার নামাযে ‘ওয়াত-তীনি ওয়ায-যাইতুন সূরা পাঠ করেছেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৩৪), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
। উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকালে (ফযরের) নামায আদায় করলেন। কিন্তু কিরাআত পাঠ তার নিকট একটু শক্ত ঠেকল। তিনি নামায শেষে বললেন, আমার মনে হয় তোমরা তোমাদের ইমামের পিছনে কিরা'আত পাঠ কর। রাবী বলেন, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল, আল্লাহর শপথ হ্যা আমরা পাঠ করে থাকি। তিনি বললেনঃ সূরা ফাতিহা ছাড়া (ইমামের পিছনে) অন্য কোন কিরা'আত পাঠ করবে না। কেননা যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করে না তার নামায হয় না। —যঈফ। যঈফ আবু দাউদ- (১৪৬) এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, আনাস, আবু কাতাদা ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। "এ হাদীসটি ইমাম যুহরী (রহঃ) মাহমূদ ইবনু রাবী হতে, তিনি উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ)-এর সূত্রে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি।” —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৩৭), বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 312 — Jami At Tirmidhi 2:164
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ أُكَيْمَةَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْصَرَفَ مِنْ صَلاَةٍ جَهَرَ فِيهَا بِالْقِرَاءَةِ فَقَالَ " هَلْ قَرَأَ مَعِي أَحَدٌ مِنْكُمْ آنِفًا " . فَقَالَ رَجُلٌ نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ " إِنِّي أَقُولُ مَا لِي أُنَازَعُ الْقُرْآنَ " . قَالَ فَانْتَهَى النَّاسُ عَنِ الْقِرَاءَةِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيمَا جَهَرَ فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الصَّلَوَاتِ بِالْقِرَاءَةِ حِينَ سَمِعُوا ذَلِكَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَعِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ . وَابْنُ أُكَيْمَةَ اللَّيْثِيُّ اسْمُهُ عُمَارَةُ . وَيُقَالُ عَمْرُو بْنُ أُكَيْمَةَ . وَرَوَى بَعْضُ أَصْحَابِ الزُّهْرِيِّ هَذَا الْحَدِيثَ وَذَكَرُوا هَذَا الْحَرْفَ قَالَ قَالَ الزُّهْرِيُّ فَانْتَهَى النَّاسُ عَنِ الْقِرَاءَةِ حِينَ سَمِعُوا ذَلِكَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . وَلَيْسَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ مَا يَدْخُلُ عَلَى مَنْ رَأَى الْقِرَاءَةَ خَلْفَ الإِمَامِ لأَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ هُوَ الَّذِي رَوَى عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَذَا الْحَدِيثَ وَرَوَى أَبُو هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " مَنْ صَلَّى صَلاَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ فَهِيَ خِدَاجٌ غَيْرُ تَمَامٍ " . فَقَالَ لَهُ حَامِلُ الْحَدِيثِ إِنِّي أَكُونُ أَحْيَانًا وَرَاءَ الإِمَامِ قَالَ اقْرَأْ بِهَا فِي نَفْسِكَ . وَرَوَى أَبُو عُثْمَانَ النَّهْدِيُّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ أَمَرَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ أُنَادِيَ أَنْ لاَ صَلاَةَ إِلاَّ بِقِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ . وَاخْتَارَ أَكْثَرُ أَصْحَابِ الْحَدِيثِ أَنْ لاَ يَقْرَأَ الرَّجُلُ إِذَا جَهَرَ الإِمَامُ بِالْقِرَاءَةِ وَقَالُوا يَتَتَبَّعُ سَكَتَاتِ الإِمَامِ . وَقَدِ اخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي الْقِرَاءَةِ خَلْفَ الإِمَامِ فَرَأَى أَكْثَرُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ وَمَنْ بَعْدَهُمُ الْقِرَاءَةَ خَلْفَ الإِمَامِ وَبِهِ يَقُولُ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ . وَرُوِيَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ أَنَّهُ قَالَ أَنَا أَقْرَأُ خَلْفَ الإِمَامِ وَالنَّاسُ يَقْرَءُونَ إِلاَّ قَوْمًا مِنَ الْكُوفِيِّينَ وَأَرَى أَنَّ مَنْ لَمْ يَقْرَأْ صَلاَتُهُ جَائِزَةٌ . وَشَدَّدَ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي تَرْكِ قِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَإِنْ كَانَ خَلْفَ الإِمَامِ فَقَالُوا لاَ تُجْزِئُ صَلاَةٌ إِلاَّ بِقِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَحْدَهُ كَانَ أَوْ خَلْفَ الإِمَامِ . وَذَهَبُوا إِلَى مَا رَوَى عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَقَرَأَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ بَعْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم خَلْفَ الإِمَامِ وَتَأَوَّلَ قَوْلَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " لاَ صَلاَةَ إِلاَّ بِقِرَاءَةِ فَاتِحَةِ الْكِتَابِ " . وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَإِسْحَاقُ وَغَيْرُهُمَا . وَأَمَّا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ فَقَالَ مَعْنَى قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ " . إِذَا كَانَ وَحْدَهُ . وَاحْتَجَّ بِحَدِيثِ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ حَيْثُ قَالَ مَنْ صَلَّى رَكْعَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَلَمْ يُصَلِّ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ وَرَاءَ الإِمَامِ . قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ فَهَذَا رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَأَوَّلَ قَوْلَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " لاَ صَلاَةَ لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ " . أَنَّ هَذَا إِذَا كَانَ وَحْدَهُ . وَاخْتَارَ أَحْمَدُ مَعَ هَذَا الْقِرَاءَةَ خَلْفَ الإِمَامِ وَأَنْ لاَ يَتْرُكَ الرَّجُلُ فَاتِحَةَ الْكِتَابِ وَإِنْ كَانَ خَلْفَ الإِمَامِ .
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম সশব্দে কিরাআত পাঠ করা নামায শেষ করে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ এখন কি আমার সাথে কিরা'আত পাঠ করেছিলো? এক ব্যক্তি বলল, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ আমি নামাযে মনে মনে বলছিলাম, আমার কি হল, কুরআন পাঠ করতে আমি বাধাগ্রস্ত হচ্ছি কেন? রাবী বলেন, লোকেরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখে এরূপ শুনল তখন তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের যেহরী (সশব্দে) কিরা'আত পাঠ করা নামাযে তার পিছনে কিরা'আত পাঠ করা হতে ক্ষান্ত থাকল। —সহীহ। সিফাতুস সালাত- (৭৯), সহীহ আবু দাউদ- (৭৮১)। এ অনুচ্ছেদে ইবনু মাসউদ, ইমরান ইবনু হুসাইন ও জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) হতেও হাদীস উল্লেখিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। ইবনু উকাইমা লাইসীর নাম 'উমারা, তাকে আমর ইবনু উকাইমাও বলা হয়ে থাকে। ইমাম যুহরীর কিছু ছাত্র এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন এবং তা নিম্নোক্ত বাক্যে উল্লেখ করেছেনঃ------- “যুহরী বলেছেন, লোকেরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এরূপ শুনল তখন হতে ইমামের পিছনে কিরা'আত পাঠ করা ছেড়ে দিল।” যারা ইমামের পিছনে কিরা'আত পাঠ করার স্বপক্ষে, এ হাদীসের আলোকে তাদের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলা যায় না। কেননা যে আবু হুরাইরা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে উপরোল্লিখিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন তিনিই আবার তার নিকট হতে এ হাদীসও বর্ণনা করেছেনঃ “যে ব্যক্তি নামাযে সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায ত্রুটিপূর্ণ ও অসম্পূর্ণ রয়ে গেল।” এ হাদীসের একজন বাহক তাকে (আবু হুরাইরাকে) বললেন, আমি কখনও ইমামের সাথে নামায আদায় করে থাকি। তিনি বললেন, নিজের মনে মনে তা পাঠ করে নাও। (হাদীসের বাহক বলতে আবু হুরাইরার কোন ছাত্রকে চিহ্নিত করা হয়েছে)। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৮৩৮), মুসলিম। আবু উসমান আন্নাহদী আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে এও বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এই আহবান জানাতে আদেশ দিলেন- “সূরা ফাতিহা পাঠ না করলে নামায হয় না।” হাদীস বিশারদগণ এই বিধান পছন্দ করেছেনঃ ইমাম যখন সশব্দে কিরাআত (সূরা ফাতিহা) পাঠ করবে, মুক্তাদীগণ তখন ফাতিহা পাঠ করবে না। বরং ইমাম যখন আয়াত পাঠ করে থামবে, সেই সুযোগে ফাঁকে ফাকে মুক্তাদীগণও ফাতিহা পাঠ করে নিবে। ইমামের পিছনে কিরাআত (সূরা ফাতিহা) পাঠ করার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। বেশিরভাগ সাহাবা, তাবিঈ ও তাদের পরবর্তীগণের মতে, মুক্তাদীগণ ইমামের পিছনে কিরাআত (সূরা ফাতিহা) পাঠ করবে। ইমাম মালিক, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক একই রকম কথা বলেছেন। ইবনুল মুবারাক বলেন, আমি ইমামের পিছনে কিরাআত (ফাতিহা) পাঠ করি এবং অন্যান্য লোকও পাঠ করে থাকে, কিন্তু কুফাবাসীদের একদল পাঠ করে না। আমি যদিও ইমামের পিছনে ফাতিহা পাঠ করে থাকি, তবুও যারা পাঠ করে না তাদের নামাযও আমি জায়িয মনে করি। বিশেষভাবে একদল বিশেষজ্ঞ আলিম এ ব্যাপারে আপোষহীনতা মত অবলম্বন করেছেন। তারা বলেছেন, কোন ব্যক্তি হয় একাকী না হয় জামাআতে নামায আদায় করুক না কেন, সে যদি সূরা ফাতিহা পাঠ না করে তবে তার নামাযই হবে না। তারা উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের ভিত্তিতে এ মত দিয়েছেন। উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পরও ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠ করেছেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের উপর আমল করেছেনঃ “যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি।" ইমাম শাফিঈ, ইসহাক এবং অন্যান্যরাও এমন কথা বলেছেন। আহমাদ ইবনু হাম্বল বলেন, “যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ বাণী একাকি নামায আদায়কারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ সে যদি একাকি নামায আদায় করে এবং সূরা ফাতিহা পাঠ না করে তবে তার নামায হবে না। তিনি তার এ দাবির সমর্থনে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীস পেশ করেছেন। জাবির (রাঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি নামায আদায় করল এবং তাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করল না, সে যেন নামাযই আদায় করল না, অবশ্য ইমামের পিছনে হলে অন্য কথা।” ইমাম আহমাদ বলেন, জাবির (রাঃ) ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী। তিনি তার হাদীস “যে সূরা ফাতিহা পাঠ করেনি তার নামায হয়নি" -এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, এ হুকুম একাকী নামায পাঠকারীর বেলায় প্রযোজ্য। এতদসত্ত্বেও ইমাম আহমাদ (রহঃ) ইমামের পেছনে সূরা ফাতিহা পাঠ করার নীতি অনুসরণ করেছেন এবং (বলেছেন) লোকেরা যেন ইমামের সাথে নামায আদায় করলেও সূরা ফাতিহা পাঠ করা ছেড়ে না দেয়।
। আবু নু'আইম ওয়াহব ইবনু কাইসান (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ যে ব্যক্তি নামায আদায় করল অথচ তাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করল না, সে নামাযই আদায় করেনি। হ্যাঁ ইমামের পিছনে হলে ভিন্ন কথা, সেক্ষেত্রে ফাতিহা পাঠের দরকার নাই। —সহীহ। মাওকুফ ইরওয়া— (২/২৩৭)। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
। ফাতিমা আল-কুবরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মসজিদে ঢুকতেন তখন মুহাম্মাদের (স্বয়ং নিজের) প্রতি দুরুদ ও সালাম পাঠ করতেন এবং বলতেনঃ “রকিবগফির লী যুনুবী ওয়াফতাহ লী আবওয়াবা রহমতিকা।” যখন তিনি মাসজিদ হতে বের হতেন তখনও মুহাম্মাদের (নিজের) প্রতি দুরুদ ও সালাম পাঠ করতেন এবং বলতেনঃ “রকিবগফির লী যুনুবী ওয়াফতাহ লী আবওয়াবা ফাদলিকা।” —রব্বিগ ফিরলী বাক্যবাদে সহীহ। ফজলুস সালাত আলান্নবী (৭২-৭৩), তামাতুল মিন্নাহ– (২৯০)।
। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) বলেন, ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম বলেছেন, আমি মক্কায় আবদুল্লাহ ইবনু হাসানের সাথে দেখা করে তাকে এ হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি আমার নিকট হাদীসটি এভাবে বর্ণনা করলেন- “যখন তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মসজিদে ঢুকতেন তখন বলতেনঃ “রব্বিফতাহলী বাবা রহমতিকা" এবং যখন বের হতেন তখন বলতেনঃ রব্বিফতাহলী বাবা ফাৰ্যলিকা। —সহীহ। পূর্বের হাদীসের শব্দগুলো অধিক সহীহ। এ অনুচ্ছেদে আবু হুমাইদ, আবু উসাইদ ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ফাতিমা (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান। ফাতিমার হাদীসের সনদ মুত্তাসিল (পরস্পর সংযুক্ত) নয়। কেননা হুসাইন (রাঃ)-এর কন্যা ফাতিমা তার দাদী ফাতিমাতুল কুবরা (রাঃ)-এর দেখা পাননি। কেননা ফাতিমা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর মাত্র কয়েক মাস বেঁচে ছিলেন।
। আবু কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি যখন মসজিদে আসে, তখন সে যেন বসার আগে দুই রাকাআত নামায আদায় করে নেয়। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০১৩), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে জাবির, আবু উমামা, আবু হুরাইরা, আবু যার ও কা'ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু কাতাদা’র হাদীসটি হাসান সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনু আজলান এবং আরো অনেকে আমির ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর হতে মালিক ইবনু আনাসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। সুহাইল ইবনু আবু সালিহ স্বীয় সনদে জাবির ইবনু আব্দুল্লাহর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এটি সুরক্ষিত নয়। আবু কাতাদা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিই সঠিক। আমাদের সংগীরা এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। কোন ব্যক্তির মসজিদে ঢুকার পর বসার আগে দুই রাকাআত নামায আদায় করাকে তারা মুস্তাহাব মনে করেন। তিরমিয়ী বলেনঃ ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আমাকে তথ্য দিয়েছেন যে, আলী ইবনু মাদীনী বলেন, সুহাইল ইবনু আবী সালিহ-এর হাদীসটি ভুল।
হাদিস 317 — Jami At Tirmidhi 2:169
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، وَأَبُو عَمَّارٍ الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ الْمَرْوَزِيُّ قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الأَرْضُ كُلُّهَا مَسْجِدٌ إِلاَّ الْمَقْبُرَةَ وَالْحَمَّامَ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَجَابِرٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَحُذَيْفَةَ وَأَنَسٍ وَأَبِي أُمَامَةَ وَأَبِي ذَرٍّ قَالُوا إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " جُعِلَتْ لِيَ الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا " . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي سَعِيدٍ قَدْ رُوِيَ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ رِوَايَتَيْنِ مِنْهُمْ مَنْ ذَكَرَهُ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَمِنْهُمْ مَنْ لَمْ يَذْكُرْهُ . وَهَذَا حَدِيثٌ فِيهِ اضْطِرَابٌ . رَوَى سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلٌ . وَرَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرَوَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ قَالَ وَكَانَ عَامَّةُ رِوَايَتِهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَكَأَنَّ رِوَايَةَ الثَّوْرِيِّ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَثْبَتُ وَأَصَحُّ مُرْسَلاً .
। আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কবরস্থান ও গোসলখানা ছাড়া সারা পৃথিবীই নামায আদায়ের উপযোগী। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৪৫)। এ অনুচ্ছেদে আলী, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর, আবু হুরায়রা, জাবির, ইবনু আব্বাস, হুযাইফা, আনাস, আবু উমামা ও আবু যার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। তারা বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ جُعِلَتْ لِيَ الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا "সারা পৃথিবীকে আমার জন্য মসজিদ এবং পবিত্র হওয়ার মাধ্যম বানানো হয়েছে।” আবু ঈসা বলেনঃ আবু সাঈদের হাদীসটি আবদুল আযীয ইবনু মুহাম্মাদের সূত্রে দুটি ধারায় বর্ণিত হয়েছে। একটি ধারায় আবু সাঈদের বরাত দিয়ে বর্ণনা করা হয়েছে, অপর ধারায় তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। এ হাদীসটিকে মুযতারিব (গোলমাল) বলা হয়েছে। সুফিয়ান সাওরী-আমর ইবনু ইয়াহইয়া হতে, তিনি তার পিতার সূত্রে এ হাদীসটি মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন। এ সূত্রটিই বেশি সহীহ ও সুপ্রতিষ্ঠিত।
হাদিস 318 — Jami At Tirmidhi 2:170
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ بَنَى لِلَّهِ مَسْجِدًا بَنَى اللَّهُ لَهُ مِثْلَهُ فِي الْجَنَّةِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَأَنَسٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَعَائِشَةَ وَأُمِّ حَبِيبَةَ وَأَبِي ذَرٍّ وَعَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ وَوَاثِلَةَ بْنِ الأَسْقَعِ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عُثْمَانَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَمَحْمُودُ بْنُ لَبِيدٍ قَدْ أَدْرَكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَمَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ قَدْ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهُمَا غُلاَمَانِ صَغِيرَانِ مَدَنِيَّانِ .
। উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার সুপ্রসন্নতা অর্জনের উদ্দেশ্যে একটি মাসজিদ তৈরী করে, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে অনুরূপ একটি ঘর তৈরী করেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (৭৩৬), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু বাকর, উমার, আলী, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আনাস ইবনু আব্বাস, আয়িশাহ, উম্মু হাবিবা, আবু যার, আমর ইবনু আবাসা, ওয়াসিলা ইবনুল আসকা', আবু হুরাইরা ও জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ উসমানের হাদীসটি হাসান সহীহ। মাহমূদ ইবনু লাবীদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পেয়েছেন এবং মাহমূদ ইবনু রাবী’ও নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছেন। তারা দু’জনই মাদীনার বালক ছিলেন।