। আমর ইবনুল হারিস ইবনু মুস্তালিক (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কথিত আছে, দুই ব্যক্তির উপর সবচেয়ে ভয়াবহ শাস্তি হবেঃ যে নারী তার স্বামীর অবাধ্যাচরণ করে এবং কোন গোত্রের ইমাম যাকে তারা অপছন্দ করে। -সনদ সহীহ। হান্নাদ বলেন, জারীর বলেন যে, মানসূর বলেছেন, আমরা ইমাম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। আমাদেরকে বলা হল, এটা যালিম ইমাম সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে ইমাম সুন্নাত (ইসলামী বিধান) কায়িম করে, তাকে অপছন্দকারী গুনাহগার বলে গণ্য হবে।
। আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণনা আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন ব্যক্তির নামায তাদের কান ডিঙ্গায় না (কবুল হয় না)। পলায়নকারী দাস যে পর্যন্ত তার মালিকের নিকটে ফিরে না আসে; যে মহিলা তার স্বামীর বিরাগ নিয়ে রাত কাটায় এবং যে ইমামকে তার সম্প্রদায়ের লোকেরা পছন্দ করে না। -হাসান। মিশকাত- (১১২২)। আবু ঈসা বলেনঃ এ সূত্রে হাদীসটি হাসান গারীব। আবু গালিবের নাম হাযাওয়ার।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কোন এক সময়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে গিয়ে আহত হলেন। তিনি বসে বসে আমাদের নামায আদায় করালেন, আমরাও তার সাথে বসে বসে নামায আদায় করলাম। নামায হতে ফিরে তিনি বললেনঃ ইমাম এজন্যই নিযুক্ত করা হয় যাতে তার অনুসরণ করা হয়। যখন সে আল্লাহু আকবার বলবে তখন তোমরাও তাকবীর বলবে, যখন সে রুকূতে যাবে তোমরাও রুকূতে যাবে; যখন সে মাথা তুলবে তোমরাও মাথা তুলবে; যখন সে সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলে তোমরা তখন রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ বল; যখন তিনি সিজদাতে যান তোমরাও সিজদায় যাও; যখন তিনি বসে নামায আদায় করেন তোমরাও সবাই বসে নামায আদায় কর। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৩৮), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, আবু হুরাইরা, জাবির, ইবনু উমার ও মু'আবিয়া (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু সাহাবী এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তাদের মধ্যে জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ, উসাইদ ইবনু হুযাইর, আবু হুরাইরা (রাঃ) ও অন্যান্যরা রয়েছেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক একই রকম কথা বলেছেন। অপর একদল বিদ্বান বলেছেন, ইমাম বসে নামায আদায় করলেও মুক্তাদীগণ দাঁড়িয়ে নামায আদায় করবে। যদি তারা বসে নামায আদায় করে তবে তাদের নামায হবে না। ইমাম সুফিয়ান সাওরী, মালিক ইবনু আনাস, ইবনুল মুবারাক ও শাফিঈ একথা বলেছেন।
হাদিস 362 — Jami At Tirmidhi 2:214
সহিহসহিহহাসান SahihIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ فِي مَرَضِهِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ قَاعِدًا . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " إِذَا صَلَّى الإِمَامُ جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا " . وَرُوِيَ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ فِي مَرَضِهِ وَأَبُو بَكْرٍ يُصَلِّي بِالنَّاسِ فَصَلَّى إِلَى جَنْبِ أَبِي بَكْرٍ وَالنَّاسُ يَأْتَمُّونَ بِأَبِي بَكْرٍ وَأَبُو بَكْرٍ يَأْتَمُّ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرُوِيَ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ قَاعِدًا . وَرُوِيَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ وَهُوَ قَاعِدٌ .
। আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে রোগে অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন ঐ রোগে তিনি আবু বাকার (রাঃ)-এর পিছনে বসে বসে নামায আদায় করেছেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২৩২), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈস বলেনঃ আয়িশাহর হাদীসটি হাসান, সহিহ গারীব। وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " إِذَا صَلَّى الإِمَامُ جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا আয়িশাহ (রাঃ) হতে আরো বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “ইমাম যখন বসে নামায আদায় করে, তখন তোমরাও বসে নামায আদায় কর।” وَرُوِيَ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ فِي مَرَضِهِ وَأَبُو بَكْرٍ يُصَلِّي بِالنَّاسِ فَصَلَّى إِلَى جَنْبِ أَبِي بَكْرٍ وَالنَّاسُ يَأْتَمُّونَ بِأَبِي بَكْرٍ وَأَبُو بَكْرٍ يَأْتَمُّ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে আরো বর্ণিত আছে, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোগাক্রান্ত অবস্থায় মসজিদে আসলেন। আবু বাকার (রাঃ) তখন লোকদের নামায পড়াচ্ছিলেন। তিনি আবু বাকরের পাশে বসে নামায আদায় করলেন। লোকেরা আবু বাকারের অনুসরণে নামায আদায় করল" আর আবু বাকার (রাঃ) রাসূলের অনুসরণ করলেনঃ وَرُوِيَ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ قَاعِدًا আয়িশাহ (রাঃ) হতে আরো বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বকরের পিছনে বসে বসে নামায আদায় করেছেন। وَرُوِيَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم صَلَّى خَلْفَ أَبِي بَكْرٍ وَهُوَ قَاعِدٌ একইভাবে আনাস (রাঃ) হতেও বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবু বাকার (রাঃ)-এর পিছনে বসে বসে নামায আদায় করেছেন।
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোগাক্রান্ত অবস্থায় এক কাপড় পরে আবু বাকর (রাঃ)-এর পিছনে বসে বসে নামায আদায় করেছেন। —সহীহ। তা’লীকাত হাসসান-(৩/২৮৩/২১২২)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। অনুরূপভাবে ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব বর্ণনা করেছেন হুমাইদ হতে, তিনি সাবিত হতে তিনি আনাস হতে। আরো কয়েকটি সূত্রে এ হাদীসটি আনাস (রাঃ)-এর নিকট হতে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু সেসব বর্ণনায় সাবিতের নাম উল্লেখ করা হয়নি। যেসব বর্ণনাকারী সাবিতের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তাদের সূত্রটিই সবচাইতে সহীহ।
। শাবী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) আমাদের নামায আদায় করালেন। তিনি দ্বিতীয় রাকআতে (ভুলে) দাড়িয়ে গেলেন। মুক্তাদীগণ তাকে শুনিয়ে সুবহানাল্লাহ' বলল। তিনিও তাদের সাথে সুবহানাল্লাহ বললেন। নামায শেষ করে তিনি সালাম ফিরালেন তারপর তিনি বসা অবস্থায় সাহু (ভুলের) সিজদা করলেন। অতঃপর তাদেরকে বললেন, (নামাযে ভুল হওয়ায়) তিনি (মুগীরা) যেরূপ করলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে নিয়ে ঠিক এরূপই করেছেন -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১২০৮)। এ অনুচ্ছেদে উকবাহ ইবনু আমির, সা’দ ও আবদুল্লাহ ইবনু বুহাইনা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ মুগীরা (রাঃ)-এর হাদীসটি আরো কয়েকটি সূত্রে বর্ণনা হয়েছে। কিছু বিশেষজ্ঞ আবদুল্লাহ ইবনু আবী লাইলার স্মরণশক্তির সমালোচনা করেছেন। ইমাম আহমাদ বলেছেন, ইবনু আবী লাইলার হাদীস দলীল হিসাবে গ্রহণ করা যায় না। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) বলেছেন, ইবনু আবী লাইলা একজন সত্যবাদী লোক। কিন্তু আমি তার নিকট হতে হাদীস বর্ণনা করি না। কেননা তিনি সহীহ এবং যঈফ হাদীসের মধ্যে কোন ভেদাভেদ করেন না। এ ধরনের যে কোন ব্যক্তির নিকট হতে আমি হাদীস বর্ণনা করি না। সুফিয়ান সাওরীও তার সনদ পরম্পরায় মুগীরার হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ সূত্রের একজন রাবী জাবির আল-জুকীকে কিছু হাদীস বিশারদ জ'ঈফ বলেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও আবদুর রহমান ইবনু মাহদী তাকে বাদ দিয়েছেন। আলিমগণ বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তি (ভুলে) দ্বিতীয় রাকআতে না বসেই দাড়িয়ে যায় তবে সে বাকী নামায আদায় করতে থাকবে এবং পরে দুটো সিজদা করে নিবে। একদল বলেছেন, সালাম ফিরানোর আগে সিজদা করবে। অন্যদল বলেছেন, সালাম ফিরানোর পর সিজদা করবে। যারা সালাম ফিরানোর আগে সাজদা করার মত দিয়েছেন তাদের হাদিস বেশি সহীহ। তাদের পক্ষের হাদীসটি যুহরী ও ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
। যিয়াদ ইবনু ইলাকা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) আমাদের নামায আদায় করালেন। তিনি দুই রাক’আত আদায় করে না বসে দাঁড়িয়ে গেলেন। তার পিছনের লোকেরা তাকে শুনিয়ে 'সুবহানাল্লাহ' বলল। তিনি তাদেরকে ইশারায় বললেন, দাঁড়িয়ে যাও। নামায শেষ করে তিনি সালাম ফিরালেন, তারপর দুটি ভুলের সিজদা করলেন এবং আবার সালাম ফিরালেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনটিই করেছেন। সহীহ। দেখুন পূর্বের হাদীস। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। আরো কয়েকটি সূত্রে এ হাদীসটি মুগীরা ইবনু শুবা হতে বর্ণিত হয়েছে।
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন প্রথম দুই রাক’আত আদায় করার পর বসতেন, তখন মনে হত যেন গরম পাথরের উপর বসেছেন (অল্প সময় বসতেন)। শুবা বলেন, সা’দ কিছু বলে ঠোঁট নাড়ছিলেন অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু পাঠ করতেন। আমি তখন বললাম, তারপর তিনি উঠে যেতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ তিনি তারপর উঠে যেতেন। যঈফ, মিশকাত (৯১৫), যঈফ আবূ দাউদ (১৭৭) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। কিন্তু আবূ উবায়দাহ তার পিতার নিকট হাদীস শুনেন নাই। আলিমগণ এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। তারা এ পদ্ধতিই অনুসরণ করেছেন, কোন লোক প্রথম দুই রাকআতের পরের বৈঠক যেন লম্বা না করে এবং তাশাহহুদের পর অন্য কিছু না পড়ে। তারা আরো বলেছেন, তাশাহহুদের পর বেশী কিছু পড়লে দুটি সাহু সিজদা করা ওয়াজিব হবে। শাবী ও অন্যান্যরা এমনই বলেছেন।
। সুহাইব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তিনি তখন নামাযে ছিলেন। আমি তাকে সালাম করলাম। তিনি ইশারায় আমার সালামের জবাব দিলেন। -সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (৮৫৮)। ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, আমি এটাই জানি যে, তিনি (সুহাইব) বলেছেন, তিনি আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করেছেন। এ অনুচ্ছেদে বিলাল, আবু হুরাইরা, আনাস ও আয়িশাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আমরা এ হাদীসটি বুকাইরের সূত্রে লাইছ হতে জেনেছি।
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বিলালকে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাযে থাকতেন তখন তাকে সাহাবাগণ সালাম দিলে তিনি কিভাবে জবাব দিতেন? তিনি বলেন, তিনি হাত দিয়ে ইশারা করতেন। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১০১৭)। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। যাইদ ইবনু আসলাম ইবনু উমার হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ “আমি বিলালকে প্রশ্ন করলাম, লোকেরা যখন আমর ইবনু আওফ গোত্রের মসজিদে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সালাম করত তখন তিনি কিভাবে তাদের সালামের জবাব দিতেন তিনি বললেন, তিনি ইশারায় জবাব দিতেন।” এ দুটি হাদীসই আমার নিকট সহীহ। কেননা সুহাইবের হাদীসের ঘটনা বিলালের হাদীসের ঘটনা হতে ভিন্ন। যদিও ইবনু উমার (রাঃ) উভয়ের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। হতে পারে তিনি দু'জনের নিকটই শুনেছেন।