। সাফওয়ান ইবনু ইয়া'লা (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (ইয়া'লা) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বারের উপর দাড়িয়ে “ওয়া নাদাও ইয়া মালিকু.......” (সূরাঃ যুখরুফ- ৭৭) আয়াত পাঠ করতে শুনেছি। —সহীহ। ইরওয়া- ৩/৭৫), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা ও জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইয়া'লা ইবনু উমাইয়ার হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। একদল বিদ্বান জুমুআর খুতবায় কুরআনের আয়াত পাঠ করার নীতি অনুসরণ করেছেন। ইমাম শাফিঈ বলেছেন, ইমাম যদি তার খুতবার মধ্যে কুরআনের আয়াত পাঠ না করে থাকে তবে তাকে আবার খুতবা দিতে হবে।
হাদিস 509 — Jami At Tirmidhi 4:22
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ يَعْقُوبَ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ عَطِيَّةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا اسْتَوَى عَلَى الْمِنْبَرِ اسْتَقْبَلْنَاهُ بِوُجُوهِنَا . قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَحَدِيثُ مَنْصُورٍ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ عَطِيَّةَ . وَمُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ بْنِ عَطِيَّةَ ضَعِيفٌ ذَاهِبُ الْحَدِيثِ عِنْدَ أَصْحَابِنَا . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ يَسْتَحِبُّونَ اسْتِقْبَالَ الإِمَامِ إِذَا خَطَبَ . وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَلاَ يَصِحُّ فِي هَذَا الْبَابِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم شَيْءٌ .
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মিম্বারে উঠতেন তখন আমরা তার দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতাম। —সহীহ। সহীহাহ– (২০৮০), বুখারী অনুরূপ। এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। উল্লেখিত হাদীসটি যঈফ। কেননা এর এক বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল এবং তার স্মরণশক্তি ক্ষীণ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী ও অন্যরা খুতবা চলাকালে ইমামের দিকে মুখ করে বসা পছন্দ করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক একই রকম আমল করেছেন। আবু ঈসা বলেনঃ এ অনুচ্ছেদে কোন সহীহ হাদীস নেই।
হাদিস 510 — Jami At Tirmidhi 4:23
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ بَيْنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَصَلَّيْتَ " . قَالَ لاَ . قَالَ " قُمْ فَارْكَعْ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ أَصَحُّ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ .
। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু'আর খুতবা দিচ্ছিলেন। এমন সময় একটি লোক এসে উপস্থিত হল। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি (তাহিয়াতুল মাসজিদ) নামায আদায় করেছ? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ ওঠো এবং নামায আদায় কর। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১১২), বুখারী ও মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ অনুচ্ছেদে এটি সর্বাধিক সহীহ হাদীস।
। আবদুল্লাহ ইবনু আবু সারহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) জুমুআর দিন (মসজিদে) ঢুকলেন। মারওয়ান তখন খুতবা দিচ্ছিল। তিনি নামায আদায় করতে দাড়ালেন। মারওয়ানের চৌকিদার তাকে বসিয়ে দেওয়ার (নামায হতে বিরত রাখার) জন্য আসল। কিন্তু তিনি তা মানলেন না এবং নামায আদায় করলেন। তিনি অবসর হলে আমরা তার নিকট আসলাম। আমরা বললাম, আল্লাহ তা'আলা আপনার উপর দয়া করুন, তারা আপনাকে পরাজিত করার জন্য এসেছিল। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এটা করতে দেখেছি। এরপর আমি এ দুই রাকাআত কখনও ছাড়তে পারি না। তারপর তিনি উল্লেখ করলেন, জুমু'আর দিন এক ব্যক্তি তাড়াহুড়া করে উস্ক খুস্ক অবস্থায় মসজিদে আসল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন জুমু'আর খুতবা দিচ্ছিলেন। তিনি তাকে নির্দেশ দিলে সে দুই রাকাআত নামায আদায় করল। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবা দিতে থাকলেন। —হাসান সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১১৩)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসের এক রাবী ইবনু আবী উমার বলেন, ইবনু উআইনা মসজিদে এসে দুই রাকাআত নামায আদায় করতেন; ইমাম তখন খুতবা দিতে থাকতেন। তিনি এটা আদায় করার নির্দেশও দিতেন। আবু আবদুর রহমান আল-মাকবুরীও তাকে এরকম করতে দেখেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু আজলান একজন সিকাহ রাবী এবং হাদীসশাস্ত্রে তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন। এ অনুচ্ছেদে আবু হুরাইরা, জাবির এবং সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। একদল আলিম এ হাদীস অনুযায়ী আমল করেছেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক একই রকম মত দিয়েছেন। অপর একদল বিদ্বান বলেছেন, ইমাম যখন খুতবা দিতে থাকেন তখন কোন লোক আসলে সে বসে যাবে এবং নামায আদায় করবে না। সুফিয়ান সাওরী ও কুফাবাসীগণ এই মত পালন করেন। কিন্তু প্রথম মতই বেশি সহীহ। ‘আলী ইবনু খালিদ আল-কুরাশী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি হাসান আল-বাসরীকে জুমুআর দিন মসজিদে ঢুকতে দেখলাম, ইমাম তখন খুতবা দিচ্ছিলেন। তিনি দুই রাকাআত নামায আদায় করলেন, তারপর বসলেন। হাদীসের অনুসরণ করার জন্যই হাসান এরকমটি করলেন। তিনি এ সম্পর্কিত হাদীস জাবির (রাঃ)-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে বর্ণনা করেছেন।
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি জুমুআর দিনে ইমামের খুতবা দানকালে (অন্যকে) বলল, "চুপ কর সে অকারণে কথা বলল। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১১০), বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আবু আওফা ও জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আবু হুরাইরার হাদীসটি হাসান সহীহ। বিশেষজ্ঞগণ এ হাদীসের উপর আমল করেছেন। তারা ইমামের খুতবা চলাকালে কথা বলাকে মাকরূহ বলেছেন। যদি কেউ কথা বলে তবে হাত দিয়ে ইশারায় তাকে থামিয়ে দিবে। কিন্তু তারা সালামের উত্তর দেওয়া ও হাচির জবাব দেওয়ার ব্যাপারে মত পার্থক্য করেছেন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাক ইমামের খুতবা চলার সময়ে সালামের উত্তর দেওয়া ও হাচির উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলার সম্মতি দিয়েছেন। একদল তাবিঈ এটাকে মাকরুহ বলেছেন। ইমাম শাফিঈ এই মত গ্রহণ করেছেন।
। সাহাল ইবনু মুআয ইবনু আনাস (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (মুয়ায রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমু'আর দিন (নামাযের সময়) যে ব্যক্তি লোকের ঘাড় টপকিয়ে (কাতার ভেদ করে) সামনে যাবার চেষ্টা করল সে যেন (এই কাজ টিকে) জাহান্নামের পুল (সাঁকো) বানাল। যঈফ, ইবনু মাজাহ (১১১৬) এ অনুচ্ছেদে জাবির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। কেবল রিশদীন ইবনু সাদের সূত্রেই আমরা এ হাদীস জানতে পেরেছি। বিশেষজ্ঞগণ এ হাদীসের পরিপ্রেক্ষিতে লোকদের ঘাড় টপকিয়ে কোন ব্যক্তির সামনে যাওয়া মাকরুহ বলেছেন এবং কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন। এ হাদীসের রাবী রিশদীন ইবনু সাদকে কিছু হাদীস বিশারদ স্মরণশক্তির দিক হতে দুর্বল বলেছেন।
। সাহল ইবনু মুআয (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু'আর দিনে ইমামের খুতবা চলার সময়ে দুই হাতে (পায়ের) নলা জড়িয়ে ধরে বসতে নিষেধ করেছেন। -হাসান। মিশকাত— (১২৯৩), সহীহ আবু দাউদ- (১০১৭) আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান। একদল বিদ্বান জুমুআর দিনে ইমাম খুৎবা দান কালে পায়ের নলা জড়িয়ে ধরে বসাকে মাকরূহ বলেছেন, কিছু কিছু বিদ্বান এর অনুমতি দিয়েছেন। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার তাদের একজন। ইমাম আহমাদ ও ইসহাকের এটাই অভিমত।
। উমারা ইবনু রুওয়াইবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, একদিন বিশর ইবনু মারওয়ান জুমুআর খুতবা দেওয়াকালে দু'আ করার সময় উভয় হাত উপরে তুললেন। এতে উমারা বললেন, আল্লাহ এই বেঁটে হাত দুটিকে কুৎসিত করুন। আমি নিশ্চিতরূপে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি, তিনি নিজের হাত দিয়ে এর বেশি কিছু করতেন না। (অধঃস্তন রাবী) হুশাইম এ কথা বলার সময় নিজের তর্জনী দ্বারা ইঙ্গিত করলেন। —সহীহ। সহীহ আবু দাউদ- (১০১২), মুসলিম। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 516 — Jami At Tirmidhi 4:29
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ خَالِدٍ الْخَيَّاطُ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ كَانَ الأَذَانُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ إِذَا خَرَجَ الإِمَامُ وَإِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلَمَّا كَانَ عُثْمَانُ رضى الله عنه زَادَ النِّدَاءَ الثَّالِثَ عَلَى الزَّوْرَاءِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
। সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বাকর ও উমর (রাঃ)-এর যুগে ইমাম বের হয়ে আসলে এবং নামায শুরু হওয়ার সময় জুমুআর আযান হত। উসমান (রাঃ) খালীফা হওয়ার পর 'যাওরায় তৃতীয় আযানের প্রচলন করেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৩৫), বুখারী। আবু ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 517 — Jami At Tirmidhi 4:30
ShadhShadhদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُكَلَّمُ بِالْحَاجَةِ إِذَا نَزَلَ عَنِ الْمِنْبَرِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ . قَالَ وَسَمِعْتُ مُحَمَّدًا يَقُولُ وَهِمَ جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ فِي هَذَا الْحَدِيثِ وَالصَّحِيحُ مَا رُوِيَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَأَخَذَ رَجُلٌ بِيَدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَمَا زَالَ يُكَلِّمُهُ حَتَّى نَعَسَ بَعْضُ الْقَوْمِ . قَالَ مُحَمَّدٌ وَالْحَدِيثُ هُوَ هَذَا . وَجَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ رُبَّمَا يَهِمُ فِي الشَّىْءِ وَهُوَ صَدُوقٌ . قَالَ مُحَمَّدٌ وَهِمَ جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ فِي حَدِيثِ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلاَ تَقُومُوا حَتَّى تَرَوْنِي " . قَالَ مُحَمَّدٌ وَيُرْوَى عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ قَالَ كُنَّا عِنْدَ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ فَحَدَّثَ حَجَّاجٌ الصَّوَّافُ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلاَ تَقُومُوا حَتَّى تَرَوْنِي " . فَوَهِمَ جَرِيرٌ فَظَنَّ أَنَّ ثَابِتًا حَدَّثَهُمْ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মিম্বার হতে নামতেন তখন প্রয়োজনবোধে কথা বলতেন। শাজ, ইবনু মাজাহ (১১১৭) আমি (তিরমিয়ী) এ হাদীসটি কেবলমাত্র জারীর ইবনু হাযিমের সূত্রে জানতে পেরেছি। আমি মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছি, জারীর ইবনু হাযিম এ হাদীসে সংশয়ে পড়ে গেছেন। আনাসের সূত্রে সাবিত যে বর্ণনা করেছেন সেটাই সহীহ। তাতে আছেঃ “নামাযের জন্য ইকামাত দেওয়া হল। এমন সময় এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাত ধরে কথা বলতে থাকল। এমনকি লোকেরা নিদ্রার আবেশে আচ্ছন্ন হতে লাগল।" মুহাম্মাদ বলেন, আসলে হাদীস হল এটি। কখনও কখনও জারীর ইবনু হাযিম অনুমানে লিপ্ত হন কিন্তু তিনি সত্যবাদী। যেমন এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “নামাযের জন্য ইকামাত হয়ে গেলেও আমাকে না দেখা পর্যন্ত তোমরা নামাযে দাড়াবে না।" জারীরের বর্ণিত সনদের পরিপ্রেক্ষিতে এ হাদীসটি ভুল কিন্তু অন্য সনদে সহীহ হাদীস। তিনি রাবীদের সনদ বর্ণনায় ত্রুটি করে ফেলেন। যেমন হাদীসটি সাবিত আল-বুনানী আবূ কাতাদা (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু জারীর সংশয়ের বশবর্তী হয়ে আনাস (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত বলেছেন।