। আবূ ক্বিলাবাহ সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আবূ সুলায়মান মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস (রাঃ) আমাদের মসজিদে এসে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায়ের মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে পদ্ধতিতে সালাত আদায় করতেন তা তোমাদেরকে দেখাতে চাই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি আবূ ক্বিলাবাহকে বললাম, তিনি কিভাবে সালাত আদায় করতেন? জবাবে তিনি বললেন, আমাদের শায়খ ‘আমর ইবনু সালামাহ (রহঃ)-এর সালাতের অনুরূপ, যিনি তাদের ইমাম ছিলেন। বর্ণনাকারী আরো বলেন, তিনি প্রথম রাক‘আতের শেষ সিজদা্ হতে মাথা উঠানোর পর একটু বসতেন, অতঃপর উঠে দাঁড়াতেন।[1] সহীহ : বুখারী।
। আবূ ক্বিলাবাহ সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আবূ সুলায়মান মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস (রাঃ) আমাদের মসজিদে এসে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি এখন সালাত আদায় করবো, কিন্তু সালাত আদায়ের উদ্দেশে নয়। বরং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখেছি তা তোমাদেরকে দেখাতে চাই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি প্রথম রাক‘আতের দ্বিতীয় সিজদা্ হতে মাথা উঠানোর পর একটু বসতেন।[1] সহীহ।
হাদিস 844 — Sunan Abu Dawud 2:454
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Bukhari (823)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ فِي وِتْرٍ مِنْ صَلاَتِهِ لَمْ يَنْهَضْ حَتَّى يَسْتَوِيَ قَاعِدًا .
। মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি দেখেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের বিজোড় রাক‘আত সমূহে সোজা হয়ে না বসা পর্যন্ত দাঁড়াতেন না।[1] সহীহ : বুখারী।
। ইবনু জুরাইজ সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ জুবাইর ত্বাউস থেকে শুনে আমাকে বলেছেন যে, আমরা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে দু’ সাজদার মাঝে দু’ পায়ের গোড়ালির উপর পাছা রেখে বসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে তিনি বলেন, এটি সুন্নাত। ত্বাউস বলেন, আমরা বললাম, আমরা এরূপ করাকে পায়ের জন্য কষ্টকর মনে করি। জবাবে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, এরূপ করা তোমার নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুন্নাত।[1] সহীহ : মুসলিম।
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকু‘ হতে মাথা উঠিয়ে বলতেনঃ ‘‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ্ আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ, মিলআস-সামাওয়াতি ওয়া মিলআল আরদি ওয়া মিলআ মা শি’তা মিন শাইয়িন বা‘দু’’।[1] সহীহ : মুসলিম। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সুফয়ান ও শু‘বাহ হাদীসটি ‘উবাইদ আবুল হাসান হতে বর্ণনা করেছেন। তাতে ‘‘রুকূ‘র পরে’’ কথাটি উল্লেখ নেই। সুফয়ান সাওরী বলেন, আমরা শায়খ ‘উবাইদ আবুল হাসানের সাথে সাক্ষাত করেছি। তিনিও তাতে ‘রুকুর পরে’ কথাটি উল্লেখ করেননি। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, শু‘বাহ (রহঃ) আবু ‘ইসমাহ হতে, তিনি আ‘মাশ হতে, তিনি ‘উবাইদ হতে এ হাদীস বর্ণনার সময় ‘‘রুকুর পরে’’ কথাটি উল্লেখ করেন।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমাম ‘‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ্’’ বললে তোমরা বলবেঃ ‘‘আল্লাহুম্মা রব্বানা লাকাল হামদ’’। কেননা যার এ উক্তি ফিরিশতাদের উক্তির সাথে একই সময়ে উচ্চারিত হবে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।