Qurani·قرآني
বাংলা

দাফন-কাফন

58 হাদিস · #520–577

হাদিস 550 — Muwatta Malik 16:31
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ غَيْرِ، وَاحِدٍ، مِمَّنْ يَثِقُ بِهِ أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ وَسَعِيدَ بْنَ زَيْدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ نُفَيْلٍ تُوُفِّيَا بِالْعَقِيقِ وَحُمِلاَ إِلَى الْمَدِينَةِ وَدُفِنَا بِهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩১. মালিক (রহঃ) বর্ণনা করেন- সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) এবং সাঈদ ইবন যায়দ ইবন আমর ইবন নুফাইল (রাঃ) আকিক নামক স্থানে ওফাত পান। তাহাদিগকে মদীনায় আনা হয় এবং সেখানে দাফন করা হয়।
হাদিস 551 — Muwatta Malik 16:32
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ مَا أُحِبُّ أَنْ أُدْفَنَ، بِالْبَقِيعِ لأَنْ أُدْفَنَ بِغَيْرِهِ أَحَبُّ إِلَىَّ مِنْ أَنْ أُدْفَنَ بِهِ إِنَّمَا هُوَ أَحَدُ رَجُلَيْنِ إِمَّا ظَالِمٌ فَلاَ أُحِبُّ أَنْ أُدْفَنَ مَعَهُ وَإِمَّا صَالِحٌ فَلاَ أُحِبُّ أَنْ تُنْبَشَ لِي عِظَامُهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩২. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- তিনি [যুবায়র (রাঃ)] বলিয়াছেনঃ বাকীতে আমাকে দাফন করা হউক, তাহা আমি পছন্দ করি না, কারণ আমাকে বাকীতে দাফন করা অপেক্ষা অন্যত্র দাফন করা আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়। (কারণ সেই কবরওয়ালা) অবশ্য দুই ব্যক্তির এক ব্যক্তি বটে, হয়ত সে জালিম, তাই সেই ব্যক্তির সহিত আমাকে দাফন করা হউক তাহা আমি পছন্দ করি না অথবা তিনি সৎ ব্যক্তি, তাই আমার জন্য তাহার হাড় (কবর) খোলা হউক, ইহা আমি পছন্দ করি না। (বাকী কবরস্থানে নূতন কবরের জায়গা না থাকায় পুরাতন কবর খুলিয়া উহাতে কবর দেওয়া হইত।)
হাদিস 552 — Muwatta Malik 16:33
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ وَاقِدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سَعْدِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ نَافِعِ بْنِ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ، عَنْ مَسْعُودِ بْنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُومُ فِي الْجَنَائِزِ ثُمَّ جَلَسَ بَعْدُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৩. আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) হইতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাযার সম্মানার্থে দাঁড়াইতেন, পরবর্তী সময়ে তিনি দাঁড়াইতেন না বরং বসিয়া থাকিতেন।
হাদিস 553 — Muwatta Malik 16:34
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، كَانَ يَتَوَسَّدُ الْقُبُورَ وَيَضْطَجِعُ عَلَيْهَا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَإِنَّمَا نُهِيَ عَنِ الْقُعُودِ عَلَى الْقُبُورِ فِيمَا نُرَى لِلْمَذَاهِبِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) কবরকে তাকিয়া বানাইতেন আর উহার উপর শুইতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমরা যাহা জানি তাহা হইল, মলমূত্র ত্যাগের জন্য কবরের উপর বসিতে নিষেধ করা হইয়াছে।
হাদিস 554 — Muwatta Malik 16:35
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا أُمَامَةَ بْنَ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، يَقُولُ كُنَّا نَشْهَدُ الْجَنَائِزَ فَمَا يَجْلِسُ آخِرُ النَّاسِ حَتَّى يُؤْذَنُوا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৫. আবু বকর ইবন উসমান ইবন সাহল ইবনে হুনায়ফ (রহঃ) হইতে বর্ণিত- তিনি আবু উমামা ইবন সাহল ইবন হুনায়ফকে বলিতে শুনিয়াছেনঃ আমরা জানাযায় শরীক হইতাম, তবে লোকদের মধ্যে শেষ ব্যক্তিও বসিতেন না, যতক্ষণ না তাহাকে সকলে অনুমতি দিতেন।
হাদিস 555 — Muwatta Malik 16:36
সহিহ Lighairihi
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ، عَنْ عَتِيكِ بْنِ الْحَارِثِ، - وَهُوَ جَدُّ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَابِرٍ أَبُو أُمِّهِ - أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَتِيكٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَاءَ يَعُودُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ ثَابِتٍ فَوَجَدَهُ قَدْ غُلِبَ عَلَيْهِ فَصَاحَ بِهِ فَلَمْ يُجِبْهُ فَاسْتَرْجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ ‏"‏ غُلِبْنَا عَلَيْكَ يَا أَبَا الرَّبِيعِ ‏"‏ ‏.‏ فَصَاحَ النِّسْوَةُ وَبَكَيْنَ فَجَعَلَ جَابِرٌ يُسَكِّتُهُنَّ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ دَعْهُنَّ فَإِذَا وَجَبَ فَلاَ تَبْكِيَنَّ بَاكِيَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا الْوُجُوبُ قَالَ ‏"‏ إِذَا مَاتَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَتِ ابْنَتُهُ وَاللَّهِ إِنْ كُنْتُ لأَرْجُو أَنْ تَكُونَ شَهِيدًا فَإِنَّكَ كُنْتَ قَدْ قَضَيْتَ جِهَازَكَ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَوْقَعَ أَجْرَهُ عَلَى قَدْرِ نِيَّتِهِ وَمَا تَعُدُّونَ الشَّهَادَةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا الْقَتْلُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الشُّهَدَاءُ سَبْعَةٌ سِوَى الْقَتْلِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ الْمَطْعُونُ شَهِيدٌ وَالْغَرِقُ شَهِيدٌ وَصَاحِبُ ذَاتِ الْجَنْبِ شَهِيدٌ وَالْمَبْطُونُ شَهِيدٌ وَالْحَرِقُ شَهِيدٌ وَالَّذِي يَمُوتُ تَحْتَ الْهَدْمِ شَهِيدٌ وَالْمَرْأَةُ تَمُوتُ بِجُمْعٍ شَهِيدٌ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৬. জাবির ইবনে আতিক (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুল্লাহ ইবন সাবিত (রাঃ)-কে রোগশয্যায় দেখিতে আসিলেন। তাহাকে রোগে কাহিল অবস্থায় পাইলেন। তিনি তাহাকে ডাকিলেন, কিন্তু তিনি কোন উত্তর দিলেন না। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্নালিল্লাহি পাঠ করিলেন এবং বলিলেনঃ হে আবু রাবী’! আমরা তোমার ব্যাপারে পরাস্ত হইলাম। স্ত্রীলোকেরা তখন চিৎকার করিয়া উঠিল এবং কাঁদিতে লাগিল। জাবির ইবনে আতিক (রাঃ) তাহাদিগকে বারণ করিতে লাগিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তাহাদিগকে ছাড়, যখন সময় আসিবে তখন কোন ক্ৰন্দনকারিণী ক্ৰন্দন করিবে না। তাহারা বলিলেনঃ ইয়া রসূলাল্লাহ! وجوب বা সময় আসার অর্থ কি? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ যখন মৃত্যু হইবে। ইহা শুনিয়া তাহার কন্যা মৃত পিতাকে বলিলেনঃ আল্লাহর কসম, আমি আশা করিয়াছিলাম আপনি শহীদ হইবেন। কারণ আপনি (জিহাদের) আসবাব প্রস্তুত করিয়াছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তাহার নিয়ত অনুযায়ী আল্লাহ্ তা'আলা তাহার জন্য সওয়াব নির্ধারণ করিয়াছেন। তোমরা শাহাদত কাহাকে গণ্য করিয়া থাক? তাঁহারা বললেন- আল্লাহর রাস্তায় নিহত হওয়াকে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ আল্লাহর পথে নিহত হওয়া ছাড়াও শহীদ সাত প্রকারের- তাউনে (মহামারীতে) মৃত ব্যক্তি শহীদ, যে ডুবিয়া মরিয়াছে সে শহীদ, নিউমোনিয়া রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, পেটের পীড়ায় মৃত ব্যক্তি শহীদ, যে পুড়িয়া মরিয়াছে সে শহীদ, কোন কিছু চাপা পড়িয়া যে মরিয়াছে সে শহীদ, অন্তঃসত্ত্বায় মৃত মহিলা শহীদ।
হাদিস 556 — Muwatta Malik 16:37
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ أَنَّهَا، سَمِعَتْ عَائِشَةَ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ، تَقُولُ وَذُكِرَ لَهَا أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَقُولُ إِنَّ الْمَيِّتَ لَيُعَذَّبُ بِبُكَاءِ الْحَىِّ ‏.‏ فَقَالَتْ عَائِشَةُ يَغْفِرُ اللَّهُ لأَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَمَا إِنَّهُ لَمْ يَكْذِبْ وَلَكِنَّهُ نَسِيَ أَوْ أَخْطَأَ إِنَّمَا مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَهُودِيَّةٍ يَبْكِي عَلَيْهَا أَهْلُهَا فَقَالَ ‏ "‏ إِنَّكُمْ لَتَبْكُونَ عَلَيْهَا وَإِنَّهَا لَتُعَذَّبُ فِي قَبْرِهَا ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৭. আমরা বিনত আবদুর রহমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত- তিনি উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেন- তাহার নিকট উল্লেখ করা হয় যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, জীবিত ব্যক্তির ক্ৰন্দনের কারণে মৃত ব্যক্তিকে আযাব দেওয়া হয়। ইহা শুনিয়া আয়েশা (রাঃ) বললেনঃ আবু আবদুর রহমানকে আল্লাহ ক্ষমা করুন। ইহা সত্য যে, তিনি মিথ্যা বলেন নাই। অবশ্য তিনি ভুলিয়া গিয়াছেন অথবা ভুল করিয়াছেন। ঘটনা এই যে, এক ইহুদী মহিলার (কবরের) পাশ দিয়া একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাইতেছিলেন, তাহার পরিবারের লোকেরা তাহার জন্য কাঁদিতেছিলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তাহারা উহার জন্য কাঁদিতেছে অথচ উহাকে কবরে আযাব দেওয়া হইতেছে।
হাদিস 557 — Muwatta Malik 16:38
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَمُوتُ لأَحَدٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ ثَلاَثَةٌ مِنَ الْوَلَدِ فَتَمَسَّهُ النَّارُ إِلاَّ تَحِلَّةَ الْقَسَمِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৮. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ মুসলিমদের কাহারও তিনটি সন্তানের মৃত্যু হইলে তাহাকে (জাহান্নামের) আগুন স্পর্শ করিবে না। তবে কসম হালাল হওয়া পরিমাণ সময় অর্থাৎ অতি অল্প সময় অথবা জাহান্নামের উপর দিয়া (পুলসিরাত) অতিক্রম করাকালীন।
হাদিস 558 — Muwatta Malik 16:39
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ السَّلَمِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ يَمُوتُ لأَحَدٍ مِنَ الْمُسْلِمِينَ ثَلاَثَةٌ مِنَ الْوَلَدِ فَيَحْتَسِبُهُمْ إِلاَّ كَانُوا جُنَّةً مِنَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَتِ امْرَأَةٌ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَا رَسُولَ اللَّهِ أَوِ اثْنَانِ قَالَ ‏"‏ أَوِ اثْنَانِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৯. আবূ নাযর[1] সালামী (রহঃ) হইতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ মুসলিমদের কাহারও যদি তিনটি সন্তান মারা যায়, অতঃপর সে যদি উহাদের ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করে, তবে সন্তান তাহার জন্য (জাহান্নামের) আগুন হইতে (রক্ষার) ঢালস্বরূপ হইবে। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জনৈকা মহিলা বলিলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! দুইটি সন্তানের মৃত্যু হইলেও কি? তিনি বলিলেনঃ দুইটি সন্তানের (মৃত্যু) হইলে)-ও।
হাদিস 559 — Muwatta Malik 16:40
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ أَبِي الْحُبَابِ، سَعِيدِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَا يَزَالُ الْمُؤْمِنُ يُصَابُ فِي وَلَدِهِ وَحَامَّتِهِ حَتَّى يَلْقَى اللَّهَ وَلَيْسَتْ لَهُ خَطِيئَةٌ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪০. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ সর্বদা মুমিনের উপর মুসিবত পৌছিয়া থাকে, তাহার সন্তান ও আত্মীয়দের (মৃত্যু ও রোগের) কারণে। এমন কি এইভাবে সে আল্লাহর সহিত মিলিত হয় নিষ্পাপ অবস্থায়।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।