Qurani·قرآني
বাংলা

তালাক

122 হাদিস · #1150–1271

হাদিস 1190 — Muwatta Malik 29:14
Maqtu Daif
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ، كَانَ يَقُولُ فِي وَلَدِ الْمُلاَعَنَةِ وَوَلَدِ الزِّنَا أَنَّهُ إِذَا مَاتَ وَرِثَتْهُ أُمُّهُ حَقَّهَا فِي كِتَابِ اللَّهِ تَعَالَى وَإِخْوَتُهُ لأُمِّهِ حُقُوقَهُمْ وَيَرِثُ الْبَقِيَّةَ مَوَالِي أُمِّهِ إِنْ كَانَتْ مَوْلاَةً وَإِنْ كَانَتْ عَرَبِيَّةً وَرِثَتْ حَقَّهَا وَوَرِثَ إِخْوَتُهُ لأُمِّهِ حُقُوقَهُمْ وَكَانَ مَا بَقِيَ لِلْمُسْلِمِينَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَبَلَغَنِي عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، مِثْلُ ذَلِكَ ‏.‏ وَعَلَى ذَلِكَ أَدْرَكْتُ أَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا ‏
রেওয়ায়ত ৩৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাঁহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, যে স্ত্রীলোক ও তাহার স্বামীর মধ্যে লি'আন অনুষ্ঠিত হইয়াছে সেই স্ত্রীলোকের সন্তান এবং জারজ সন্তানের ব্যাপারে উরওয়া ইবন যুবায়র (রহঃ) বলিতেনঃ সেই সন্তানের মৃত্যু হইলে তাহার মাতা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী তাহার নির্ধারিত অংশ পাইবে এবং তাহার ভগ্নিগণও তাহাদের অংশ পাইবে। অবশিষ্ট যাহা থাকে তাহা পাইবে তাহার জননীকে যে আযাদ করিয়াছে সে, যদি সে আযাদ স্ত্রীলোক হয়। আর যদি সে স্ত্রীলোক আরবী (আযাদ) হয় তবে সে তাহার অংশ পাইবে। এবং তাহার ভগ্নিগণও তাহদের অংশ পাইবে। অবশিষ্ট মাল মুসলিমদের কল্যাণের জন্যে (বায়তুলমালে) থাকিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সুলায়মান ইবন ইয়াসারের নিকট হইতেও আমার নিকট অনুরূপ রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের শহরবাসী আলিমগণকেও আমি এই ফায়সালার উপর পাইয়াছি।
হাদিস 1191 — Muwatta Malik #1191
Maqtu Daif
হাদিস 1192 — Muwatta Malik 29:1
Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِيَاسِ بْنِ الْبُكَيْرِ، أَنَّهُ قَالَ طَلَّقَ رَجُلٌ امْرَأَتَهُ ثَلاَثًا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا ثُمَّ بَدَا لَهُ أَنْ يَنْكِحَهَا فَجَاءَ يَسْتَفْتِي فَذَهَبْتُ مَعَهُ أَسْأَلُ لَهُ فَسَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ وَأَبَا هُرَيْرَةَ عَنْ ذَلِكَ فَقَالاَ لاَ نَرَى أَنْ تَنْكِحَهَا حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَكَ ‏.‏ قَالَ فَإِنَّمَا طَلاَقِي إِيَّاهَا وَاحِدَةٌ ‏.‏ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِنَّكَ أَرْسَلْتَ مِنْ يَدِكَ مَا كَانَ لَكَ مِنْ فَضْلٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৭. মুহাম্মদ ইবন ইয়াস ইবন বুকাইর (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি সহবাসের পূর্বে স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়াছে, তারপর সেই স্ত্রীকে সে বিবাহ করার ইচ্ছা করিল। তাই সে ফতোয় জিজ্ঞাসা করিতে আসিল। ফতোয়া জিজ্ঞাসা করার জন্য আমিও তাহার সহিত গমন করিলাম। অতঃপর এই বিষয়ে আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস ও আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর নিকট সে জিজ্ঞাসা করিল। তাহারা উভয়ে বলিলেনঃ তোমার জন্য উহাকে বিবাহ করার কোন পথ দেখি না, যতক্ষণ না তুমি ছাড়া অন্য স্বামীর পাণি সে গ্রহণ করে। সে বলিলঃ আমি উহাকে একত্রে তিন তালাক দিয়াছি। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলিলেন, তোমার হাতে এই ব্যাপারে যতদূর ক্ষমতা ছিল তুমি উহা পূর্ণভাবে প্রয়োগ করিয়া ফেলিয়াছ।
হাদিস 1193 — Muwatta Malik 29:2
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّهُ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ يَسْأَلُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ رَجُلٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ ثَلاَثًا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا قَالَ عَطَاءٌ فَقُلْتُ إِنَّمَا طَلاَقُ الْبِكْرِ وَاحِدَةٌ ‏.‏ فَقَالَ لِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ إِنَّمَا أَنْتَ قَاصٌّ الْوَاحِدَةُ تُبِينُهَا وَالثَّلاَثَةُ تُحَرِّمُهَا حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৮. আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আস (রাঃ) এর নিকট এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করিতে আসিল, যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে তিন তালাক দিয়াছে। আতা বলিলেন, কুমারীর জন্য হইতেছে এক তালাক। তখন আবদুল্লাহ্ ইবন আমর আমাকে বলিলঃ তুমি তো হইলে একজন বক্তা (ফতোয়া দেওয়া তোমার কাজ নহে)। এক তালাক তাহাকে স্বামী হইতে পৃথক করিবে এবং তিন তালাক তাহাকে হারাম করিবে যাবৎ সে (স্ত্রী) অন্য স্বামীর পাণি গ্রহণ না করে।
হাদিস 1194 — Muwatta Malik 29:3
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَشَجِّ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّهُ كَانَ جَالِسًا مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ وَعَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ فَجَاءَهُمَا مُحَمَّدُ بْنُ إِيَاسِ بْنِ الْبُكَيْرِ فَقَالَ إِنَّ رَجُلاً مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ ثَلاَثًا قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا فَمَاذَا تَرَيَانِ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ إِنَّ هَذَا الأَمْرَ مَا لَنَا فِيهِ قَوْلٌ فَاذْهَبْ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ فَإِنِّي تَرَكْتُهُمَا عِنْدَ عَائِشَةَ فَسَلْهُمَا ثُمَّ ائْتِنَا فَأَخْبِرْنَا ‏.‏ فَذَهَبَ فَسَأَلَهُمَا فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لأَبِي هُرَيْرَةَ أَفْتِهِ يَا أَبَا هُرَيْرَةَ فَقَدْ جَاءَتْكَ مُعْضِلَةٌ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ الْوَاحِدَةُ تُبِينُهَا وَالثَّلاَثَةُ تُحَرِّمُهَا حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ‏.‏ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مِثْلَ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَعَلَى ذَلِكَ الأَمْرُ عِنْدَنَا وَالثَّيِّبُ إِذَا مَلَكَهَا الرَّجُلُ فَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا إِنَّهَا تَجْرِي مَجْرَى الْبِكْرِ الْوَاحِدَةُ تُبِينُهَا وَالثَّلاَثُ تُحَرِّمُهَا حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৩৯. মু'আবিয়া ইবন আবি আইয়াশ আনসারী (রাঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন যুবায়র (রাঃ) ও আসিম ইবন উমর (রাঃ)-এর সহিত বসা ছিলেন। এমন সময় তাহদের নিকট মুহাম্মদ ইবন ইয়াস ইবন বুকাইর উপস্থিত হইলেন এবং বলিলেনঃ এক বেদুঈন ব্যক্তি তাহার স্ত্রীকে সঙ্গমের পূর্বে তিন তালাক দিয়াছে সেই ব্যাপারে আপনাদের অভিমত কি? আবদুল্লাহ্ ইবন যুবায়র বলিলেনঃ এই বিষয়ে আমাদের নিকট কোন রেওয়ায়ত পৌছে নাই, তাই তুমি আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস ও আবু হুরায়রা (রাঃ)-র নিকট গমন কর এবং তাঁহাদের উভয়ের নিকট প্রশ্ন কর। আমি তাহদের উভয়কে আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ)-র নিকট দেখিয়া আসিয়াছি। তাহাদের নিকট হইতে ফতোয়া জিজ্ঞাসা করার পর আমার কাছে আসিয়া বলিয়া যাইবে। মুহাম্মদ ইবন ইয়াস সেখানে গেলেন এবং উভয়কে প্রশ্ন করিলেন। ইবন আব্বাস আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলিলেন, হে আবূ হুরায়রা! আপনি ফতোয়া বলুন। আপনার নিকট কঠিন মাসআলা উপস্থিত হইয়াছে। আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেনঃ এক তালাক স্ত্রীকে স্বামী হইতে পৃথক করিবে (বিচ্ছেদ ঘটাইবে), তিন তালাক তাহাকে হারাম করিয়া দিবে যাবৎ সে অন্য স্বামীর পাণি গ্রহণ না করে। ইবন আব্বাসও অনুরূপ বলিলেন। মালিক (রহঃ) বলেন, এই বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্তও অনুরূপ। মালিক (রহঃ) বলেনঃ অকুমারী (ثيبة) নারীর কেহ মালিক হইলে এবং উহার সহিত সংগত না হইলে তবে তালাকের ব্যাপারে তাহারও কুমারীর মতো মাসআলা হইবে। এক তালাক তাহাকে পৃথক করিবে এবং তিন তালাক তাহাকে হারাম করিবে যাবৎ সে অন্য স্বামীর পাণি গ্রহণ না করে।
হাদিস 1195 — Muwatta Malik 29:4
Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَوْفٍ، - قَالَ وَكَانَ أَعْلَمَهُمْ بِذَلِكَ - وَعَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ، طَلَّقَ امْرَأَتَهُ الْبَتَّةَ وَهُوَ مَرِيضٌ فَوَرَّثَهَا عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ مِنْهُ بَعْدَ انْقِضَاءِ عِدَّتِهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪০. আবু সালমা ইবন আবদুর রহমান ইবন আউফ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ) তাঁহার স্ত্রীকে আল-বাত্তা (পূর্ণ) তালাক প্রদান করিলেন। তখন তিনি পীড়িত ছিলেন। সেই স্ত্রীকে উসমান (রাঃ) আবদুর রহমান ইবন আওফের সম্পদ হইতে মীরাস দিলেন ইদ্দত সমাপ্তির পর।
হাদিস 1196 — Muwatta Malik 29:5
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَضْلِ، عَنِ الأَعْرَجِ، أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ، وَرَّثَ نِسَاءَ ابْنِ مُكْمِلٍ مِنْهُ وَكَانَ طَلَّقَهُنَّ وَهُوَ مَرِيضٌ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪১. আরজ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, ইবন মুকমিলের পত্নীগণকে তাহার সম্পত্তি হইতে উসমান ইবন আফফান (রাঃ) মীরাস দিয়াছেন ইবন- মুকমিল? উহাদিগকে তালাক দিয়াছিলেন পীড়িত অবস্থায়।
হাদিস 1197 — Muwatta Malik 29:6
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَمِعَ رَبِيعَةَ بْنَ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، يَقُولُ بَلَغَنِي أَنَّ امْرَأَةَ، عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ سَأَلَتْهُ أَنْ يُطَلِّقَهَا فَقَالَ إِذَا حِضْتِ ثُمَّ طَهُرْتِ فَآذِنِينِي فَلَمْ تَحِضْ حَتَّى مَرِضَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ فَلَمَّا طَهُرَتْ آذَنَتْهُ فَطَلَّقَهَا الْبَتَّةَ أَوْ تَطْلِيقَةً لَمْ يَكُنْ بَقِيَ لَهُ عَلَيْهَا مِنَ الطَّلاَقِ غَيْرُهَا وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ يَوْمَئِذٍ مَرِيضٌ فَوَرَّثَهَا عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ مِنْهُ بَعْدَ انْقِضَاءِ عِدَّتِهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪২. মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি রবী"আ ইবন আবী আবদির রহমানকে বলিতে শুনিয়াছেন, তিনি বলেনঃ আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছিয়াছে যে, ‘আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ)-এর এক স্ত্রী তাহার নিকট তালাক চাহিলেন। তিনি বলেনঃ তোমার মাসিক ঋতুর পর তুমি যখন পবিত্র হও তখন আমাকে অবগত করিও। তাহার ঋতু আসার পূর্বে আবদুর রহমান ইবন আওফ অসুস্থ হইয়া পড়িলেন। সে যখন ঋতু হইতে পবিত্র হইল তখন আবদুর রহমান ইবন আওফকে খবর দিল। তিনি স্ত্রীকে আল-বাত্তা তালাক দিলেন অথবা এমন তালাক দিলেন যেই তালাক দেওয়ার পরে আর কোন তালাক দেওয়ার অবকাশ থাকে না। ‘আবদুর রহমান ইবন আওফ তখন পীড়িত ছিলেন। অতঃপর ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পর উসমান (রাঃ) আবদুর রহমান ইবন আওফের সম্পদ হইতে স্ত্রীকে মীরাস দিলেন।
হাদিস 1198 — Muwatta Malik 29:7
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، قَالَ كَانَتْ عِنْدَ جَدِّي حَبَّانَ امْرَأَتَانِ هَاشِمِيَّةٌ وَأَنْصَارِيَّةٌ فَطَلَّقَ الأَنْصَارِيَّةَ وَهِيَ تُرْضِعُ فَمَرَّتْ بِهَا سَنَةٌ ثُمَّ هَلَكَ عَنْهَا وَلَمْ تَحِضْ فَقَالَتْ أَنَا أَرِثُهُ لَمْ أَحِضْ فَاخْتَصَمَتَا إِلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ فَقَضَى لَهَا بِالْمِيرَاثِ فَلاَمَتِ الْهَاشِمِيَّةُ عُثْمَانَ فَقَالَ هَذَا عَمَلُ ابْنِ عَمِّكِ هُوَ أَشَارَ عَلَيْنَا بِهَذَا يَعْنِي عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৩. মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন হাবান (রহঃ) বলেনঃ আমার দাদা হাব্বানের ছিল দুই পত্নী। একজন হাশিমী বংশের, অপর জন আনসার গোত্রের। তারপর তিনি আনসারী স্ত্রীকে তালাক দিলেন। তখন সেই স্ত্রী সন্তানকে দুধপান করাইতেছিল। এইরূপে এক বৎসর অতিবাহিত হইলে পর হাব্বান ইন্তিকাল করেন। তাহার স্ত্রী আর ঋতুমতী হয় নাই। স্ত্রী দাবি করিল যে, আমি তাহার মীরাস (সম্পদের অংশ) পাইব। আমার মাসিক ঋতু আসে নাই। বিবাদ লইয়া উভয় পত্নী উসমান ইবন আফফান (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হইল। উসমান (রাঃ) আনসারী পত্নীর জন্য মীরাস প্রদানের ফয়সালা দিলেন। ইহাতে হাশিমীয় পত্নী উসমান (রাঃ)-কে দোষারোপ[1] করিলেন। তিনি বলিলেনঃ ইহা তোমার চাচাতো ভাই-এর ফয়সালা। তিনি আমাদিগকে ইহার ইঙ্গিত দিয়াছেন। চাচাতো ভাই হইলেন ‘আলী ইবন আবী তালিব (রাঃ)।
হাদিস 1199 — Muwatta Malik 29:8
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ شِهَابٍ، يَقُولُ إِذَا طَلَّقَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ ثَلاَثًا وَهُوَ مَرِيضٌ فَإِنَّهَا تَرِثُهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَإِنْ طَلَّقَهَا وَهُوَ مَرِيضٌ قَبْلَ أَنْ يَدْخُلَ بِهَا فَلَهَا نِصْفُ الصَّدَاقِ وَلَهَا الْمِيرَاثُ وَلاَ عِدَّةَ عَلَيْهَا وَإِنْ دَخَلَ بِهَا ثُمَّ طَلَّقَهَا فَلَهَا الْمَهْرُ كُلُّهُ وَالْمِيرَاثُ الْبِكْرُ وَالثَّيِّبُ فِي هَذَا عِنْدَنَا سَوَاءٌ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৪. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তিনি ইবন শিহাবকে বলিতে শুনিয়াছেন, কোন ব্যক্তি পীড়িতাবস্থায় স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে তবে সে (স্বামীর) মীরাস পাইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কোন ব্যক্তি তাহার পীড়িত অবস্থায় স্ত্রীকে তালাক দেয় তাহার সহিত সংগত হওয়ার পূর্বে তবে সে স্ত্রী মহরের অর্ধেক পাইবে এবং সে (স্বামীর) মীরাস পাইবে, তাহার ইদ্দত পালন করিতে হইবে না। আর যদি সে স্ত্রীর সহিত সংগত হইয়া থাকে তারপর তালাক দেয় তবে সে পূর্ণ মহর-এর হকদার হইবে এবং মীরাসও পাইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কুমারী এবং অকুমারী এই ব্যাপারে আমাদের মতে সমান।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।