Qurani·قرآني
বাংলা

তালাক

122 হাদিস · #1150–1271

হাদিস 1230 — Muwatta Malik 29:27
Mauquf Daif
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ فِي الْحَكَمَيْنِ اللَّذَيْنِ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى ‏{‏وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَابْعَثُوا حَكَمًا مِنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِنْ أَهْلِهَا إِنْ يُرِيدَا إِصْلاَحًا يُوَفِّقِ اللَّهُ بَيْنَهُمَا إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا خَبِيرًا‏}‏ إِنَّ إِلَيْهِمَا الْفُرْقَةَ بَيْنَهُمَا وَالاِجْتِمَاعَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ أَحْسَنُ مَا سَمِعْتُ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ الْحَكَمَيْنِ يَجُوزُ قَوْلُهُمَا بَيْنَ الرَّجُلِ وَامْرَأَتِهِ فِي الْفُرْقَةِ وَالاِجْتِمَاعِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭২. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আলী ইবন আবি তালীব (রাঃ) হাকামাইন (حكمين সালিসের ব্যক্তিদ্বয়) সম্পর্কে বলিয়াছেন (যাহাদের বিষয়ে) আল্লাহ্ তা'আলা বলিয়াছেনঃ ‏وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَابْعَثُوا حَكَمًا مِنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِنْ أَهْلِهَا إِنْ يُرِيدَا إِصْلاَحًا يُوَفِّقِ اللَّهُ بَيْنَهُمَا إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا خَبِيرًا‏ অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মধ্যে তোমরা যদি বিবাদের আশংকা কর তবে স্বামীর পরিজন হইতে একজন এবং স্ত্রীর পরিজন হইতে একজন হাকম (ফয়সালাকারী, বিবাদ মীমাংসাকারী) প্রেরণ কর যদি তাহারা উভয়ে মীমাংসার ইচ্ছা করেন। আল্লাহ তাহদের তওফীক দান করিবেন, আল্লাহ নিশ্চয় সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত । অর্থাৎ-তাহাদের হাতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের বিচ্ছেদ ও মিলন-এই দুইয়ের সুযোগ রহিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সালিসের ব্যক্তিদ্বয়ের ফয়সালা স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ ও মিলনের ব্যাপারে প্রযোজ্য হইবে, ইহাই সর্বোত্তম যাহা আমি আলিম ব্যক্তিদের নিকট শুনিয়াছি।
হাদিস 1231 — Muwatta Malik 29:28
দাঈফ
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، وَسَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، وَالْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، وَابْنَ، شِهَابٍ وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ كَانُوا يَقُولُونَ إِذَا حَلَفَ الرَّجُلُ بِطَلاَقِ الْمَرْأَةِ قَبْلَ أَنْ يَنْكِحَهَا ثُمَّ أَثِمَ إِنَّ ذَلِكَ لاَزِمٌ لَهُ إِذَا نَكَحَهَا ‏.‏
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، وَعَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، وَسَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، وَالْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، وَابْنَ، شِهَابٍ وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ كَانُوا يَقُولُونَ إِذَا حَلَفَ الرَّجُلُ بِطَلاَقِ الْمَرْأَةِ قَبْلَ أَنْ يَنْكِحَهَا ثُمَّ أَثِمَ إِنَّ ذَلِكَ لاَزِمٌ لَهُ إِذَا نَكَحَهَا ‏.‏
হাদিস 1232 — Muwatta Malik 29:29
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ، كَانَ يَقُولُ فِيمَنْ قَالَ كُلُّ امْرَأَةٍ أَنْكِحُهَا فَهِيَ طَالِقٌ إِنَّهُ إِذَا لَمْ يُسَمِّ قَبِيلَةً أَوِ امْرَأَةً بِعَيْنِهَا فَلاَ شَىْءَ عَلَيْهِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَهَذَا أَحْسَنُ مَا سَمِعْتُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَقُولُ لاِمْرَأَتِهِ أَنْتِ الطَّلاَقُ وَكُلُّ امْرَأَةٍ أَنْكِحُهَا فَهِيَ طَالِقٌ وَمَالُهُ صَدَقَةٌ إِنْ لَمْ يَفْعَلْ كَذَا وَكَذَا فَحَنِثَ قَالَ أَمَّا نِسَاؤُهُ فَطَلاَقٌ كَمَا قَالَ وَأَمَّا قَوْلُهُ كُلُّ امْرَأَةٍ أَنْكِحُهَا فَهِيَ طَالِقٌ فَإِنَّهُ إِذَا لَمْ يُسَمِّ امْرَأَةً بِعَيْنِهَا أَوْ قَبِيلَةً أَوْ أَرْضًا أَوْ نَحْوَ هَذَا فَلَيْسَ يَلْزَمُهُ ذَلِكَ وَلْيَتَزَوَّجْ مَا شَاءَ وَأَمَّا مَالُهُ فَلْيَتَصَدَّقْ بِثُلُثِهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৩. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ), আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ), আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ), সালিম ইবন আবদিল্লাহ (রহঃ), কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ), ইবন শিহাব (রহঃ) এবং সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) তাঁহারা সকলেই বলিতেনঃ কোন লোক বিবাহের পূর্বে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কসম খাইলে তারপর কসম ভাঙ্গিলেও বিবাহ করার পর তালাক অবশ্যম্ভাবী হইবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) বলিতেন, যে ব্যক্তি বলিয়াছে, যে কোন নারীকে আমি বিবাহ করি সে তালাকপ্রাপ্ত হইবে, যদি সে কোন গোত্রকে নির্দিষ্ট না করে অথবা কোন নারীকে নির্দিষ্ট না করে তবে তাহার উপর জরুরী হইবে না। মালিক (রহঃ) বলেন, ইহাই উত্তম যাহা আমি শুনিয়াছি। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে বলিল, তোমাকে তালাক এবং যে কোন নারীকে বিবাহ করি তাহাকেও তালাক এবং আমার মাল সব (আল্লাহর রাস্তায়) সদকাস্বরূপ। যদি আমি অমুক অমুক কাজ না করি। পরে কসম ভাঙ্গিয়াছে (এবং সেই সেই কাজও করে নাই)। তিনি [মালিক (রহঃ)] বলেনঃ সে ব্যক্তির স্ত্রী তালাক হইয়া যাইবে যেমন সে বলিয়াছে, আর তাহার উক্তিঃ যে কোন নারীকে আমি বিবাহ করি উহার প্রতি তালাক, ইহার বিধান সে যদি কোন নারীকে অথবা গোত্রকে অথবা কোন স্থানকে অথবা এরূপ অন্য কিছুকে নির্দিষ্ট না করিয়া থাকে তবে এইরূপ কসমের দ্বারা তাহার উপর কিছুই বাধ্যতামূলক হইবে না, যত ইচ্ছা সে বিবাহ করিতে পারবে। আর তাহার মালের এক-তৃতীয়াংশ সদকা করিয়া দিতে হইবে।
হাদিস 1233 — Muwatta Malik 29:30
Maqtu Daif
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ مَنْ تَزَوَّجَ امْرَأَةً فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يَمَسَّهَا فَإِنَّهُ يُضْرَبُ لَهُ أَجَلٌ سَنَةً فَإِنْ مَسَّهَا وَإِلاَّ فُرِّقَ بَيْنَهُمَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৪. সাঈদ ইবন মুসায়্যিব (রহঃ) বলিতেন, যে ব্যক্তি কোন নারীকে বিবাহ করিয়াছে এবং উহার সহিত সহবাস করার ক্ষমতা তাহার নাই, তবে তাহাকে এক বৎসর সময় দেওয়া হইবে। (এই সময়ের মধ্যে) যদি স্ত্রীর সহিত সহবাস করিতে পারে তবে মহিলাটি তাহার স্ত্রী থাকিবে, অন্যথায় উভয়কে পৃথক করিয়া দেওয়া হইবে।
হাদিস 1234 — Muwatta Malik 29:31
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ مَتَى يُضْرَبُ لَهُ الأَجَلُ أَمِنْ يَوْمِ يَبْنِي بِهَا أَمْ مِنْ يَوْمِ تُرَافِعُهُ إِلَى السُّلْطَانِ فَقَالَ بَلْ مِنْ يَوْمِ تُرَافِعُهُ إِلَى السُّلْطَانِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ فَأَمَّا الَّذِي قَدْ مَسَّ امْرَأَتَهُ ثُمَّ اعْتَرَضَ عَنْهَا فَإِنِّي لَمْ أَسْمَعْ أَنَّهُ يُضْرَبُ لَهُ أَجَلٌ وَلاَ يُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৫. মালিক (রহঃ) ইবন শিহাবের নিকট প্রশ্ন করিলেন, স্বামীকে কখন হইতে সময় নির্দিষ্ট করিয়া দেওয়া হইবে? নির্জন বাস (خوة) হইতে না (হাকিমের নিকট) বিষয় উপস্থাপিত হওয়ার সময় হইতে? তিনি বলিলেন, সময় দেওয়া হইবে হাকিমের নিকট মোকদ্দমা উপস্থাপনের দিন হইতে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর সহিত সহবাস করিয়াছে, অতঃপর সহবাসে অক্ষমতা প্রকাশ পাইয়াছে, এই ব্যক্তির জন্য কোন সময় নির্দিষ্ট করা এবং তাহাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো হইবে না। এই সম্পর্কে আমি (মালিক) কিছুই শুনি নাই, অর্থাৎ এই ব্যাপারে পূর্ববর্তী ফকীহদের নিকট হইতে কোন রেওয়ায়ত বা সিদ্ধান্তের কথা তিনি শুনেন নাই।
হাদিস 1235 — Muwatta Malik 29:32
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِرَجُلٍ مِنْ ثَقِيفٍ أَسْلَمَ وَعِنْدَهُ عَشْرُ نِسْوَةٍ حِينَ أَسْلَمَ الثَّقَفِيُّ ‏ "‏ أَمْسِكْ مِنْهُنَّ أَرْبَعًا وَفَارِقْ سَائِرَهُنَّ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৬. ইবন শিহাব (রহঃ) বলিয়াছেন, আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সাকীফ গোত্রের এক ব্যক্তি মুসলিম হইয়াছেন। তাহার দশটি বিবি ছিল। যখন তিনি ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে উহাদের মধ্য হইতে চারটিকে রাখিতে এবং অন্য সকলকে ত্যাগ করিতে নির্দেশ দিলেন।
হাদিস 1236 — Muwatta Malik 29:33
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، وَحُمَيْدَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، وَعُبَيْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ، كُلُّهُمْ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، يَقُولُ أَيُّمَا امْرَأَةٍ طَلَّقَهَا زَوْجُهَا تَطْلِيقَةً أَوْ تَطْلِيقَتَيْنِ ثُمَّ تَرَكَهَا حَتَّى تَحِلَّ وَتَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ فَيَمُوتَ عَنْهَا أَوْ يُطَلِّقَهَا ثُمَّ يَنْكِحُهَا زَوْجُهَا الأَوَّلُ فَإِنَّهَا تَكُونُ عِنْدَهُ عَلَى مَا بَقِيَ مِنْ طَلاَقِهَا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَعَلَى ذَلِكَ السُّنَّةُ عِنْدَنَا الَّتِي لاَ اخْتِلاَفَ فِيهَا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৭. আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেনঃ আমি উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, যেই স্ত্রীকে তাহার স্বামী এক তালাক অথবা দুই তালাক দিয়াছে, তারপর ইদ্দতের সময় অতিবাহিত করিয়া হালাল হওয়া এবং দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করা পর্যন্ত তাহাকে প্রথম স্বামী পরিত্যাগ করিয়া রাখিয়াছে, এমতাবস্থায় দ্বিতীয় স্বামী তাহাকে বিবাহ করার পর দ্বিতীয় স্বামীর মৃত্যু হওয়া অথবা সেই স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর প্রথম স্বামী পুনরায় সেই স্ত্রীকে বিবাহ করিয়াছে, তবে সেই স্ত্রী অবশিষ্ট (এক অথবা দুই) তালাকের অধিকারিণী হইয়া প্রথম স্বামীর স্ত্রীরূপে বহাল থাকিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকটও মাস'আলার ফয়সালা এইরূপ, ইহাতে কোন মতানৈক্য নাই।
হাদিস 1237 — Muwatta Malik 29:34
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ الأَحْنَفِ، أَنَّهُ تَزَوَّجَ أُمَّ وَلَدٍ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ - قَالَ - فَدَعَانِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ الْخَطَّابِ فَجِئْتُهُ فَدَخَلْتُ عَلَيْهِ فَإِذَا سِيَاطٌ مَوْضُوعَةٌ وَإِذَا قَيْدَانِ مِنْ حَدِيدٍ وَعَبْدَانِ لَهُ قَدْ أَجْلَسَهُمَا فَقَالَ طَلِّقْهَا وَإِلاَّ وَالَّذِي يُحْلَفُ بِهِ فَعَلْتُ بِكَ كَذَا وَكَذَا ‏.‏ قَالَ فَقُلْتُ هِيَ الطَّلاَقُ أَلْفًا ‏.‏ قَالَ فَخَرَجْتُ مِنْ عِنْدِهِ فَأَدْرَكْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ بِطَرِيقِ مَكَّةَ فَأَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي كَانَ مِنْ شَأْنِي فَتَغَيَّظَ عَبْدُ اللَّهِ وَقَالَ لَيْسَ ذَلِكَ بِطَلاَقٍ وَإِنَّهَا لَمْ تَحْرُمْ عَلَيْكَ فَارْجِعْ إِلَى أَهْلِكَ ‏.‏ قَالَ فَلَمْ تُقْرِرْنِي نَفْسِي حَتَّى أَتَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ - وَهُوَ يَوْمَئِذٍ بِمَكَّةَ أَمِيرٌ عَلَيْهَا - فَأَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي كَانَ مِنْ شَأْنِي وَبِالَّذِي قَالَ لِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ قَالَ فَقَالَ لِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ لَمْ تَحْرُمْ عَلَيْكَ فَارْجِعْ إِلَى أَهْلِكَ ‏.‏ وَكَتَبَ إِلَى جَابِرِ بْنِ الأَسْوَدِ الزُّهْرِيِّ - وَهُوَ أَمِيرُ الْمَدِينَةِ - يَأْمُرُهُ أَنْ يُعَاقِبَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَأَنْ يُخَلِّيَ بَيْنِي وَبَيْنَ أَهْلِي - قَالَ - فَقَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فَجَهَّزَتْ صَفِيَّةُ امْرَأَةُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ امْرَأَتِي حَتَّى أَدْخَلَتْهَا عَلَىَّ بِعِلْمِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ثُمَّ دَعَوْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَوْمَ عُرْسِي لِوَلِيمَتِي فَجَاءَنِي ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৮. মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুর রহমান ইবন যায়দ ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর উম্মে ওয়ালাদ-কে সাবিতুল আহনাফ (রহঃ) বিবাহ করিলেন। সাবিত বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান ইবন যায়দ ইবন খাত্তাব (রাঃ) আমাকে ডাকিয়া পাঠাইলেন, আমি তাহার নিকট আসিলাম এবং তাহার সমীপে প্রবেশ করিয়া দেখিলাম, সেখানে কয়েকটি চাবুক ও দুইটি লৌহ শিকল (আর তাহার নিকটে রহিয়াছে) উপবিষ্ট তাহার দুইজন ক্রীতদাস। তারপর আমাকে বলিলেন, তুমি স্ত্রীকে তালাক দাও, নতুবা আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে এইরূপ এইরূপ করিব (অর্থাৎ চাবুক মারিব ও শিকল পরাইব)। সাবিত বলিলেনঃ (চাপ দেখিয়া) আমি বলিলাম, এই স্ত্রীকে তালাক এক হাজার বার। তারপর সাবিত বলেন- আমি তাহার নিকট হইতে প্রস্থান করিলাম। মক্কার পথে আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর সাক্ষাত পাইলাম, আমি তাহাকে আমার ব্যাপার অবহিত করিলাম। (শুনিয়া) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) রাগান্বিত হইলেন এবং বলিলেনঃ ইহা (কোন) তালাক নহে, তোমার স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয় নাই। তুমি তোমার স্ত্রী গ্রহণ কর, আমার মনে (কিন্তু) শান্তি আসিল না। তাই আমি আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র (রাঃ)-এর নিকট হাযির হইলাম। তিনি ছিলেন তখন মক্কার শাসনকর্তা। আমি তাহাকে বিষয়টি অবহিত করিলাম এবং আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যাহা বলিয়াছেন তাহাও জানাইলাম। (ঘটনা শ্রবণ করিয়া) আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র (রাঃ) আমাকে বলিলেনঃ তোমার স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয় নাই, তুমি তাহার দিকে রুজু কর। তিনি জাবির ইবন আসওয়াদ যুহরী তৎকালীন মদীনার গভর্নরকে নির্দেশ দিয়া লিখিলেন, আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমানকে শাস্তি দাও এবং সাবিতের স্ত্রীর সহিত তাহার মিলনের পথে বাধা অপসারিত কর। সাবিত বলেনঃ তখন আমি মদীনাতে যাই। অতঃপর আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর পত্নী সফিয়্যা তাহার স্বামীর জ্ঞাতসারে আমার স্ত্রীকে সজ্জিত করিয়া আমার নিকট প্রেরণ করিলেন। অতঃপর আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে ওয়ালীমার যিয়াফতে আমন্ত্রণ জানাইলাম। তিনি উহা গ্রহণ করেন এবং ওয়ালীমায় যোগদান করেন।
হাদিস 1238 — Muwatta Malik 29:35
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، قَرَأَ ‏{‏يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ‏}‏ لِقُبُلِ عِدَّتِهِنَّ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ يَعْنِي بِذَلِكَ أَنْ يُطَلِّقَ فِي كُلِّ طُهْرٍ مَرَّةً ‏.‏
রেওয়ায়ত ৭৯. আবদুল্লাহ ইবন দীনার বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) পাঠ করিলেনঃ ‏يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ‏ হে নবী, তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীগণকে তালাক দিতে ইচ্ছা কর উহাদিগকে তালাক দিও ইদতের প্রারম্ভিক (সময়ের) প্রতি লক্ষ্য করিয়া। মালিক (রহঃ) বলেনঃ প্রতি তুহরে (ঋতু হইতে পবিত্র থাকার সময়ে) একটি করিয়া তালাক দেওয়া ইহার উদ্দেশ্য।
হাদিস 1239 — Muwatta Malik 29:36
দাঈফ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ كَانَ الرَّجُلُ إِذَا طَلَّقَ امْرَأَتَهُ ثُمَّ ارْتَجَعَهَا قَبْلَ أَنْ تَنْقَضِيَ عِدَّتُهَا كَانَ ذَلِكَ لَهُ وَإِنْ طَلَّقَهَا أَلْفَ مَرَّةٍ فَعَمَدَ رَجُلٌ إِلَى امْرَأَتِهِ فَطَلَّقَهَا حَتَّى إِذَا شَارَفَتِ انْقِضَاءَ عِدَّتِهَا رَاجَعَهَا ثُمَّ طَلَّقَهَا ثُمَّ قَالَ لاَ وَاللَّهِ لاَ آوِيكِ إِلَىَّ وَلاَ تَحِلِّينَ أَبَدًا ‏.‏ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى ‏{‏الطَّلاَقُ مَرَّتَانِ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ‏}‏ فَاسْتَقْبَلَ النَّاسُ الطَّلاَقَ جَدِيدًا مِنْ يَوْمِئِذٍ مَنْ كَانَ طَلَّقَ مِنْهُمْ أَوْ لَمْ يُطَلِّقْ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৮০. হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলিয়াছেন (পূর্বে নিয়ম ছিল) স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পূর্বে উহার দিকে রুজু করার অধিকার প্রত্যেক ব্যক্তির ছিল, যদিও স্ত্রীকে হাজার তালাক দিয়া থাকে। এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে তালাক দিল। যখনই ইদ্দত সমাপ্তির প্রান্তে পৌঁছিয়াছে তখন স্বামী তাহার দিকে রুজু করিল। তারপর আবার তালাক দিল, অতঃপর সে বলিলঃ আমি তোমাকে আর কখনও আমার নিকট আশ্রয় দিব না, আমার জন্য তুমি কখনও হালাল হইবে না। তারপর আল্লাহ তা'আলা (আয়াত) নাযিল করিলেনঃ ‏الطَّلاَقُ مَرَّتَانِ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ‏ অর্থাৎ, এই তালাক দুই বার। অতঃপর স্ত্রীকে হয় বিধিমত রাখিয়া দিবে অথবা সদয়ভাবে মুক্ত করিয়া দিবে। সেই দিন হইতে লোকেরা নূতনভাবে গণনা আরম্ভ করিল, যাহারা (ইতিপূর্বে) তালাক দিয়াছিল তাহারাও এবং যাহারা তালাক দেয় নাই তাহারাও।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।