রেওয়ায়ত ৩৮. আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রাঃ) বলিয়াছেনঃ আমি একটি গাধীর উপর সওয়ার হইয়া আসিলাম। আমি সেই সময় সাবালগ হওয়ার কাছাকাছি বয়সে উপনীত হইয়াছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন মিনাতে লোকদের নামায পড়াইতেছিলেন। আমি কোন একটি কাতারের মাঝ দিয়া চলিলাম, তারপর (সওয়ারী হইতে) অবতরণ করিয়া গাধীকে চরিবার জন্য ছাড়িয়া দিলাম এবং আমি কাতারে শামিল হইলাম। ইহার জন্য আমাকে কেউ কোন তিরস্কার করেন নাই।
রেওয়ায়ত ৩৯. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, নামায কায়েম আছে, এমন অবস্থায় সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) কোন কোন সময় কাতারের মাঝ দিয়া চলাচল করিতেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যদি নামায আদায় হইয়া যায় এবং ইমাম নিয়ত করিয়া ফেলেন, তখন কোন ব্যক্তি কাতারের মাঝ দিয়া ব্যতীত অন্য কোন রাস্তায় মসজিদে প্রবেশ করিতে (নামাযে শামিল হওয়ার জন্য) না পারিলে, তাহার জন্য এ ব্যাপারে (কাতারের মধ্য দিয়া প্রবেশ করার) অবকাশ আছে বলিয়া আমি মনে করি।
রেওয়ায়ত ৪০. মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, মুসল্লির সম্মুখ দিয়া যাহা কিছু চলাচল করে, তাহা নামায নষ্ট করে না। এইরূপ বলিয়াছেন আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ)। সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ মুসল্লির সামনে দিয়া যাহা কিছু চলাচল করে উহার কোনটাই নামাযকে নষ্ট করে না।
রেওয়ায়ত ৪২. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) উটের পিঠের হাড় দ্বারা সুতরা করিতেন। হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- তিনি সুতরা সামনে না করিয়া মরুভূমিতে নামায পড়িতেন। (কারণ সেখানে লোকজনের চলাচল তেমন ছিল না।)
রেওয়ায়ত ৪২. আবু জাফর কারী (রহঃ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে দেখিয়াছি, তিনি সিজদার জন্য যখন নত হইতেন, তখন তাহার কপাল রাখার স্থান হইতে খুব হালকাভাবে হাত বুলাইয়া কাঁকর সরাইতেন।
রেওয়ায়ত ৪৩. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবু যর (রাঃ) বলিতেনঃ কাঁকর সরাইবার জন্য মাত্র একবার হাত বুলানো যায়। তবে উহা হইতে বিরত থাকাটা লাল বর্ণের উট অপেক্ষাও উত্তম।
রেওয়ায়ত ৪৪. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) সফ (কাতারসমূহ) বরাবর করার নির্দেশ দিতেন। যখন এই কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিরা তাহার নিকট আসিত এবং সফসমূহ বরাবর হইয়াছে বলিয়া তাহাকে জানাইত, তখন তিনি তকবীর বলিতেন।