Qurani·قرآني
বাংলা

নামায সংক্ষেপ করা

102 হাদিস · #326–427

হাদিস 376 — Muwatta Malik 9:51
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَمِّهِ أَبِي سُهَيْلِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ كُنْتُ مَعَ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ فَقَامَتِ الصَّلاَةُ وَأَنَا أُكَلِّمُهُ، فِي أَنْ يَفْرِضَ، لِي فَلَمْ أَزَلْ أُكَلِّمُهُ وَهُوَ يُسَوِّي الْحَصْبَاءَ بِنَعْلَيْهِ حَتَّى جَاءَهُ رِجَالٌ قَدْ كَانَ وَكَلَهُمْ بِتَسْوِيَةِ الصُّفُوفِ ‏.‏ فَأَخْبَرُوهُ أَنَّ الصُّفُوفَ قَدِ اسْتَوَتْ فَقَالَ لِي اسْتَوِ فِي الصَّفِّ ‏.‏ ثُمَّ كَبَّرَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৫. আবূ সুহায়ল ইবন মালিক (রহঃ) তাহার পিতা মালিক ইবন আবি আমির ইয়াসাহাবী হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেনঃ আমি উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। অতঃপর নামাযের ইকামত আরম্ভ হইল, আমি তখন তাহার সাথে আমার জন্য ভাতা নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে আলাপ করিতেছিলাম। আমি বিরতি ছাড়াই তাহার সাথে আলাপরত ছিলাম। তিনি তাহার উভয় জুতার সাহায্যে কাকর (সরাইয়া) জায়গা সমান করিতেছিলেন। এমন সময় কতিপয় লোক তাহার নিকট আসিলেন, যাহাদিগকে তিনি সফ বরাবর করার কাজে নিযুক্ত করিয়াছিলেন এবং তাঁহাকে জানাইলেন যে, সফসমূহ বরাবর হইয়াছে। তিনি আমাকে বললেন, কাতারে বরাবর হইয়া দাঁড়াইয়া যাও। অতঃপর তিনি আল্লাহু আকবার বলিলেন।
হাদিস 377 — Muwatta Malik 9:52
Maqtu Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ بْنِ أَبِي الْمُخَارِقِ الْبَصْرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ مِنْ كَلاَمِ النُّبُوَّةِ إِذَا لَمْ تَسْتَحِي فَافْعَلْ مَا شِئْتَ وَوَضْعُ الْيَدَيْنِ إِحْدَاهُمَا عَلَى الأُخْرَى فِي الصَّلاَةِ يَضَعُ الْيُمْنَى عَلَى الْيُسْرَى وَتَعْجِيلُ الْفِطْرِ وَالاِسْتِينَاءُ بِالسَّحُورِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৬. আবদুল করীম ইবন আবুল মুখারিক (রহঃ) বলিয়াছেন, নবুয়তের কালাম হইতেছে এই কালাম, যখন তুমি লজ্জা পরিহার কর, তবে তুমি যাহা ইচ্ছা তাহা করিতে পার। নামাযে উভয় হাতের একটিকে অপরটির উপর রাখা (এইভাবে) যে, ডান হাত বাম হাতের উপর রাখিবে, ইফতারে ত্বরা করা ও সাহরী (খাওয়া)-তে বিলম্ব করা।
হাদিস 378 — Muwatta Malik 9:53
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي حَازِمِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، أَنَّهُ قَالَ كَانَ النَّاسُ يُؤْمَرُونَ أَنْ يَضَعَ الرَّجُلُ الْيَدَ الْيُمْنَى عَلَى ذِرَاعِهِ الْيُسْرَى فِي الصَّلاَةِ ‏.‏ قَالَ أَبُو حَازِمٍ لاَ أَعْلَمُ إِلاَّ أَنَّهُ يَنْمِي ذَلِكَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৭. সাহল ইবন সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, লোকদিগকে নির্দেশ প্রদান করা হইত যেন নামাযে প্রত্যেকে তাহার ডান হাত বাম হাতের কজির উপর রাখে। আবু হাযিম (রহঃ) বলেনঃ আমি জানি যে, তিনি এই বাক্যের সনদ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌছাইতেন।
হাদিস 379 — Muwatta Malik 9:54
Mauquf Sahih
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ لاَ يَقْنُتُ فِي شَىْءٍ مِنَ الصَّلاَةِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৮. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) কোন নামাযেই কুনূত পাঠ করিতেন না।
হাদিস 380 — Muwatta Malik 9:55
সহিহ
حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الأَرْقَمِ، كَانَ يَؤُمُّ أَصْحَابَهُ فَحَضَرَتِ الصَّلاَةُ يَوْمًا فَذَهَبَ لِحَاجَتِهِ ثُمَّ رَجَعَ فَقَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِذَا أَرَادَ أَحَدُكُمُ الْغَائِطَ فَلْيَبْدَأْ بِهِ قَبْلَ الصَّلاَةِ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৪৯. আবদুল্লাহ ইবন আরকাম (রাঃ) তাহার সহচরদের ইমামতি করিতেন। একদিন নামায শুরু হইল। সেই মুহুর্তে তিনি স্বীয় প্রয়োজন সারার উদ্দেশ্যে বাহিরে গমন করিলেন। অনন্তর (তথা হইতে) ফিরিলেন। তারপর তিনি বলিলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ফরমাইতে শুনিয়াছিঃ তোমাদের কেউ (পায়খানা-পেশাবের জন্য) ঢালু জায়গায় যাওয়ার মনস্থ করিলে তবে নামাযের পূর্বে উহা সারিয়া নিবে।
হাদিস 381 — Muwatta Malik 9:56
Mauquf Daif
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ لاَ يُصَلِّيَنَّ أَحَدُكُمْ وَهُوَ ضَامٌّ بَيْنَ وَرِكَيْهِ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫০. যায়দ ইবন আসলাম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ তোমাদের কেউ যেন এমন সময় কখনও নামায না পড়ে, যখন (পায়খানা-প্রস্রাবের বেগবশত) তাহার পাছাদ্বয় মিলাইয়া (চাপ দিয়া) রাখে।
হাদিস 382 — Muwatta Malik 9:57
সহিহ
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الْمَلاَئِكَةُ تُصَلِّي عَلَى أَحَدِكُمْ مَا دَامَ فِي مُصَلاَّهُ الَّذِي صَلَّى فِيهِ مَا لَمْ يُحْدِثِ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫১. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইয়াছেনঃ তোমাদের এক ব্যক্তি যে মুসল্লায় নামায পড়িয়াছে, সে মুসল্লায় যতক্ষণ বসা থাকে এবং ওযু টুটিয়া যায় মত কোন কাজ না করে ততক্ষণ ফেরেশতাগণ এই বলিয়া তাহার জন্য দোআ করিতে থাকেনঃ (اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ) অর্থাৎ হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার গুনাহ্ মাফ কর, হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার প্রতি রহমত বর্ষণ কর। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ হাদীসে বর্ণিত (مَا لَمْ يُحْدِثِ) মা-লাম য়ুহদিস বাক্যটির অর্থ আমার মতে, (মুসল্লি কর্তৃক) এমন কোন কাজ করা যাহাতে ওযু ভাঙিয়া যায়, ইহা অন্যকিছু নহে।
হাদিস 383 — Muwatta Malik 9:58
সহিহ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَزَالُ أَحَدُكُمْ فِي صَلاَةٍ مَا كَانَتِ الصَّلاَةُ تَحْبِسُهُ لاَ يَمْنَعُهُ أَنْ يَنْقَلِبَ إِلَى أَهْلِهِ إِلاَّ الصَّلاَةُ ‏"‏ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫২. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইয়াছেনঃ তোমাদের এক ব্যক্তি, যতক্ষণ নামায তাহাকে আবদ্ধ রাখিবে- নামায ছাড়া অন্য কোন বস্তু স্বীয় পরিবারবর্গের দিকে ফিরিয়া যাইতে তাহাকে বাধা প্রদান করে নাই, ততক্ষণ সে নামাযে থাকিবে।
হাদিস 384 — Muwatta Malik 9:59
Maqtu Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُمَىٍّ، مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ أَنَّ أَبَا بَكْرِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، كَانَ يَقُولُ مَنْ غَدَا أَوْ رَاحَ إِلَى الْمَسْجِدِ لاَ يُرِيدُ غَيْرَهُ لِيَتَعَلَّمَ خَيْرًا أَوْ لِيُعَلِّمَهُ ثُمَّ رَجَعَ إِلَى بَيْتِهِ كَانَ كَالْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ رَجَعَ غَانِمًا ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৩. আবু বকর ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) বলিতেন, যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে মসজিদের দিকে গমন করে এবং সে মসজিদে কোন ভাল কথা শিক্ষা করার জন্য অথবা শিক্ষা দেওয়ার জন্যই গমন করে, সে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করিবে আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদের মত (গণ্য) হইয়া, এমন মুজাহিদ যে গনীমতের মালসহকারে (গৃহে) ফিরিয়াছে।
হাদিস 385 — Muwatta Malik 9:60
Mauquf Sahih
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نُعَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُجْمِرِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ ثُمَّ جَلَسَ فِي مُصَلاَّهُ لَمْ تَزَلِ الْمَلاَئِكَةُ تُصَلِّي عَلَيْهِ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ فَإِنْ قَامَ مِنْ مُصَلاَّهُ فَجَلَسَ فِي الْمَسْجِدِ يَنْتَظِرُ الصَّلاَةَ لَمْ يَزَلْ فِي صَلاَةٍ حَتَّى يُصَلِّيَ ‏.‏
রেওয়ায়ত ৫৪. নুয়ায়ম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ তোমাদের একজন যখন নামায পড়ে, তারপর জায়নামাযে বসা থাকে, তবে ফেরেশতারা তাহার জন্য اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ (হে আল্লাহ ইহাকে ক্ষমা কর) اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ (হে আল্লাহ ইহাকে দয়া কর) বলিয়া দোআ করিতে থাকেন। অতঃপর সে যদি জায়নামায হইতে দাঁড়াইয়া যায় কিন্তু নামাযের অপেক্ষায় বসিয়া থাকে, তবে সে যেন নামাযেই রহিয়াছে।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।