। জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে (কারো প্রতি) হঠাৎ দৃষ্টি পড়া বিষয়ে প্রশ্ন করলাম। তিনি আমাকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিতে আদেশ করলেন। সহীহঃ হিজাবুল মারয়াহ (৩৫), সহীহ আবী দাউদ (১৮৬৪), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ যুর'আর নাম হরিম।
। বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতে মারফু' হিসেবে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে ‘আলী! বারবার (অননুমোদিত জিনিসের প্রতি) তাকাবে না। তোমার প্রথম দৃষ্টি জায়িয (ও ক্ষমাযোগ্য) হলেও পরের দৃষ্টি (ক্ষমাযোগ্য) নয়। হাসানঃ হিজাবুল মারয়াহ (৩৪), সহীহ আবী দাউদ (১৮৬৫)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা এটি শুধু শারীকের রিওয়ায়াত হিসেবে জেনেছি।
হাদিস 2778 — Jami At Tirmidhi 43:48
দাঈফদাঈফহাসান SahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا سُوَيْدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ نَبْهَانَ، مَوْلَى أُمِّ سَلَمَةَ أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ حَدَّثَتْهُ أَنَّهَا، كَانَتْ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَمَيْمُونَةُ قَالَتْ فَبَيْنَا نَحْنُ عِنْدَهُ أَقْبَلَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ فَدَخَلَ عَلَيْهِ وَذَلِكَ بَعْدَ مَا أُمِرْنَا بِالْحِجَابِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " احْتَجِبَا مِنْهُ " . فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَيْسَ هُوَ أَعْمَى لاَ يُبْصِرُنَا وَلاَ يَعْرِفُنَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَفَعَمْيَاوَانِ أَنْتُمَا أَلَسْتُمَا تُبْصِرَانِهِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
। উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন যে, তিনি ও মাইমূনা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পাশে হাযির ছিলেন। তিনি বলেন, আমরা দু'জন তার নিকটে অবস্থানরত থাকতেই ইবনু উম্মু মাকতুম (রাঃ) তার নিকট এলেন। এটা পর্দার নির্দেশ অবতীর্ণ হওয়ার পরের ঘটনা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা উভয়ে তার থেকে পর্দা কর। আমি (উম্মু সালামা) বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি কি অন্ধ নন? তিনি তো আমাদেরকে দেখতেও পারছেন না চিনতেও পারছেন না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরাও কি অন্ধ, তোমরাও কি তাকে দেখতে পাচ্ছ না। যঈফ, মিশকাত (৩১১৬), ইরওয়া (১৮০৬) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
। আমর ইবনুল আস (রাযিঃ)-এর মুক্তদাস (আবূ কাইস 'আবদুর রাহমান ইবনু সাবিত) হতে বর্ণিত, কোন একদিন আমর ইবনুল "আস (রাযিঃ) আসমা বিনতু উমাইসের নিকট যাবার অনুমতি প্রার্থনার জন্য তাকে আলী (রাযিঃ)-এর নিকট পাঠান। তিনি তাকে অনুমতি দিলেন। তিনি (আমর) যখন প্রয়োজনীয় আলাপ শেষ করলেন, তখন উক্ত গোলাম এ প্রসঙ্গে আমর ইবনুল আস (রাযিঃ)-কে প্রশ্ন করল। তিনি বললেন,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বামীদের অনুমতি ব্যাতিত তাদের স্ত্রীদের নিকট যেতে আমাদেরকে নিষেধ করেছেন। সহীহঃ আদাবুয যিফাফ নতুন সংস্করণ (২৮২-২৮৩) উকবা ইবনু আমির, আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও জাবির (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 2780 — Jami At Tirmidhi 43:51
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ .
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ .
। হুমাইদ ইবনু আবদুর রহমান (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি মু'আবিয়াহ (রাযিঃ)-কে মদীনায় এক ভাষণে বলতে শুনেছেনঃ হে মাদীনাবাসীগণ! তোমাদের আলিমগণ কোথায়? আমি তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এসব কুসসা' (অন্যের চুল) ব্যবহার করতে নিষেধ করতে শুনেছি। তিনি আরো বলতেনঃ বনী ইসরাঈলগণ তখনি ধ্বংস হয়েছে, যখন তাদের রমণীগণ কুসসা (অপরের চুল) ব্যবহার শুরু করে। সহীহঃ গাইয়াতুল মারাম (১০০), বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। মু'আবিয়াহ (রাযিঃ) হতে বিভিন্ন সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত আছে।
। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন সব নারীর উপর লানত করেছেন, যারা অঙ্গে উল্কি আঁকে ও অন্যকে দিয়ে উল্কি আঁকায় এবং সৌন্দর্যের জন্য ভ্রুর চুল উপড়িয়ে আল্লাহ তা'আলার সৃষ্টিকে পরিবর্তন করে। সহীহঃ আদাবুয যিফাফ (২০২-২০৪) নতুন সংস্করণ। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। শুবাহ ও অন্যান্য হাদীস বিশারদগণ এ হাদীসটি মানসূর হতে বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 2783 — Jami At Tirmidhi 43:55
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ يَحْيَى قَوْلَ نَافِعٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ يَحْيَى قَوْلَ نَافِعٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যেসব নারী পুরুষের বেশ ধারণ করে এবং যেসব পুরুষ নারীদের বেশ ধারণ করে তাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৯০৪), বুখারী। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীর বেশধারী পুরুষদেরকে এবং পুরুষের বেশধারী নারীদেরকে লা’নাত করেছেন। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস, বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।