Qurani·قرآني
বাংলা

দু'আ সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

235.0999999999999 হাদিস · #3370–3604.1

হাদিস 3500 — Jami At Tirmidhi 48:131
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ عُمَرَ الْهِلاَلِيُّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ إِيَاسٍ الْجُرَيْرِيِّ، عَنْ أَبِي السَّلِيلِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلاً، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ سَمِعْتُ دُعَاءَكَ اللَّيْلَةَ فَكَانَ الَّذِي وَصَلَ إِلَىَّ مِنْهُ أَنَّكَ تَقُولُ ‏"‏ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي وَوَسِّعْ لِي فِي رِزْقِي وَبَارِكْ لِي فِيمَا رَزَقْتَنِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَهَلْ تَرَاهُنَّ تَرَكْنَ شَيْئًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَأَبُو السَّلِيلِ اسْمُهُ ضُرَيْبُ بْنُ نُفَيْرٍ وَيُقَالُ ابْنُ نُقَيْرٍ ‏.‏
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ। আজ রাতে আমি আপনার দু'আ শুনেছি। আমি তা হতে যা মনে রাখতে পেরেছি তা এই যে, আপনি বলেছেনঃ “হে আল্লাহ! আমার গুনাহ মাফ করে দাও, আমার ঘর প্রশস্ত কর এবং তুমি আমাকে যে রিযিক দিয়েছ তাতে বারকাত দান কর”। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি মনে কর যে, এ দু'আ কিছু বাদ দিয়েছে। যঈফ, দু'আট হাসান। রাওয়ূন নাযীর (১১৬৭), গায়াতুল মারাম (১১২) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আবূ সালীলের নাম যুরাইব, পিতা নুকাইর অথবা নুফাইর।
হাদিস 3501 — Jami At Tirmidhi 48:132
দাঈফদাঈফহাসান
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، وَهُوَ ابْنُ يَزِيدَ الْحِمْصِيُّ عَنْ بَقِيَّةَ بْنِ الْوَلِيدِ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ زِيَادٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا، يَقُولُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ قَالَ حِينَ يُصْبِحُ اللَّهُمَّ أَصْبَحْنَا نُشْهِدُكَ وَنُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ وَمَلاَئِكَتَكَ وَجَمِيعَ خَلْقِكَ بِأَنَّكَ الله لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ وَحْدَكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ ‏.‏ إِلاَّ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ مَا أَصَابَ فِي يَوْمِهِ ذَلِكَ وَإِنْ قَالَهَا حِينَ يُمْسِي غَفَرَ اللَّهُ لَهُ مَا أَصَابَ فِي تِلْكَ اللَّيْلَةِ مِنْ ذَنْبٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ ‏.‏
। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি সকাল বেলায় উপনীত হয়ে বলে হে আল্লাহ। আমরা ভোরে উপনীত হলাম, আমরা তোমাকে সাক্ষী বানালাম, আরও সাক্ষী বানালাম তোমার আরশ বহনকারীদেরকে এবং তোমার ফিরিশতাগণকে ও তোমার সকল সৃষ্টিকে এই বিষয়ে যে, তুমিই অংশীদার নেই এবং মুহাম্মাদ তোমার বান্দা ও রাসূল", আল্লাহ তা'আলা তার সে দিনে সম্পাদিত সকল গুনাহ মাফ করে দেন। আর সে যদি সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে ঐ কথা বলে, তাহলে আল্লাহ তা'আলা তার সেই রাতের কৃত সকল গুনাহ মাফ করে দেন। যঈফ, আলকালিমুত তায়্যিব (২৫), মিশকাত তাহকীক ছানী (২৩৯৮), যঈফা (১০৪১) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব।
হাদিস 3502 — Jami At Tirmidhi 48:133
হাসানহাসানহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ زَحْرٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِي عِمْرَانَ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، قَالَ قَلَّمَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُومُ مِنْ مَجْلِسٍ حَتَّى يَدْعُوَ بِهَؤُلاَءِ الْكَلِمَاتِ لأَصْحَابِهِ ‏ "‏ اللَّهُمَّ اقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا يَحُولُ بَيْنَنَا وَبَيْنَ مَعَاصِيكَ وَمِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ جَنَّتَكَ وَمِنَ الْيَقِينِ مَا تُهَوِّنُ بِهِ عَلَيْنَا مُصِيبَاتِ الدُّنْيَا وَمَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا وَاجْعَلْهُ الْوَارِثَ مِنَّا وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَى مَنْ ظَلَمَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا وَلاَ تَجْعَلْ مُصِيبَتَنَا فِي دِينِنَا وَلاَ تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلاَ مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلاَ تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لاَ يَرْحَمُنَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى بَعْضُهُمْ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِي عِمْرَانَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ‏.‏
। ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিম্নোক্ত বাক্যে তার সাহাবীগণের জন্য দু'আ না করে হঠাৎ কোন মাজলিস হতে খুব কমই বিদায় হতেনঃ “হে আল্লাহ! আমাদের মাঝে তুমি এত পরিমাণ আল্লাহভীতি ভাগ কর যা আমাদের মাঝে ও তোমার প্রতি অবাধ্যাচারী হওয়ার মাঝে বাধা হতে পারে এবং আমাদের মাঝে তোমার প্রতি আনুগত্য এত পরিমাণ প্রদান কর যার দ্বারা তুমি আমাদেরকে তোমার জান্নাতে পৌছে দিবে, এতটা দৃঢ় প্রত্যয় প্রদান কর যার মাধ্যমে তুমি পৃথিবীর যে কোন অনিষ্ট আমাদের জন্য সহজসাধ্য করবে, যতক্ষণ আমাদের তুমি জীবিত রাখ ততক্ষণ আমাদের কৰ্ণ, আমাদের চক্ষু ও আমাদের শক্তি-সামর্থ্য দিয়ে আমাদের জীবনোপকরণ দান কর (কিংবা আমাদের চোখ-কান মৃত্যু পর্যন্ত তাজা ও সুস্থ রাখ), আর তাকে আমাদের উত্তরাধিকার বানিয়ে দাও। আমাদের উপর যে যুলুম করে তার প্রতি আমাদের প্রতিশোধ সুনির্ধারিত কর, আমাদের প্রতি যে দুশমনী করে তার বিরুদ্ধে আমাদেরকে সহযোগিতা কর, আমাদের ধর্ম পালনে আমাদেরকে বিপদাক্রান্ত করো না, দুনিয়া অর্জনকে আমাদের ও আমাদের জ্ঞানের উদ্দেশে রূপান্তর করো না এবং আমাদের প্রতি যে দয়া করবে না তাকে আমাদের উপর প্রভাবশালী (শাসক নিয়োগ) করো না”। হাসানঃ আল-কালিমুত তাইয়্যিব (হাঃ ২২৫/১৬৯), মিশকাত তাহকীক সানী (হাঃ ২৪৯২)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীসটি কিছু বর্ণনাকারী খালিদ ইবনু আবী ইমরান হতে, তিনি নাফি' হতে, তিনি ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে এই সনদে রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস 3503 — Jami At Tirmidhi 48:134
সহিহ Isnaadসহিহ IsnaadহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ الشَّحَّامُ، حَدَّثَنِي مُسْلِمُ بْنُ أَبِي بَكْرَةَ، قَالَ سَمِعَنِي أَبِي، وَأَنَا أَقُولُ اللَّهُمَّ، إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْكَسَلِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ ‏.‏ قَالَ يَا بُنَىَّ مِمَّنْ سَمِعْتَ هَذَا قَالَ قُلْتُ سَمِعْتُكَ تَقُولُهُنَّ ‏.‏ قَالَ الْزَمْهُنَّ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُهُنَّ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ [صَحِيحٌ][غَرِيبٌ] ‏.‏
। মুসলিম ইবনু আবূ বাকরাহ (রহঃ) বলেন, আমার পিতা আমাকে বলতে শুনলেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার কাছে আমি দুশ্চিন্তা, অলসতা ও কবরের শাস্তি হতে আশ্রয় প্রার্থনা করি।” তিনি বললেন, হে প্রিয় বৎস! এটা তুমি কার নিকট শুনেছ? আমি বললাম, আমি এ বাক্যগুলো আপনাকেই বলতে শুনেছি। তিনি বললেন, তোমার জন্য এগুলোকে আবশ্যকীয় করে নাও। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি এ শব্দগুলো বলতে শুনেছি। সানাদ সহীহ। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 3504 — Jami At Tirmidhi 48:135
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنِ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ، رضى الله عنه قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَلاَ أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ إِذَا قُلْتَهُنَّ غَفَرَ اللَّهُ لَكَ وَإِنْ كُنْتَ مَغْفُورًا لَكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ قُلْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ وَأَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِيهِ، بِمِثْلِ ذَلِكَ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ فِي آخِرِهَا ‏"‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ ‏.‏
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ আমি কি তোমাকে কিছু বাক্য শিখিয়ে দিব না, যেগুলো তুমি বললে আল্লাহ তা'আলা তোমাকে মাফ করবেন, যদিও তুমি ক্ষমতাপ্রাপ্ত। তিনি বললেন, তুমি বলঃ “আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তিনি অতি সম্মান সম্পন্ন, অতি মহান। আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, তিনি অতি সহনশীল, অতি দয়ালু। আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, তিনি অতি পবিত্র, তিনি মহান আরশের মালিক"। আলী ইবনু খাশরাম (রাহঃ) বলেনঃ আলী ইবনু হুসাইন ইবনু ওয়াকিদ তার পিতার সূত্রে আমাদের নিকট একই রকম,হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি হাদীসের শেষে বলেছেনঃ "আলহামদু লিল্লাহে রব্বিল আলামীন” (সকল প্রশংসা আল্লাহ্ তা'আলার জন্য যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক)। যঈফ, রাওযুন নায়ীর (৬৭৯-৭১৭) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু আবূ ইসহাক-আল-হারিস-আলী (রাঃ) সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি।
হাদিস 3505 — Jami At Tirmidhi 48:136
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَعْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ دَعْوَةُ ذِي النُّونِ إِذْ دَعَا وَهُوَ فِي بَطْنِ الْحُوتِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ ‏.‏ فَإِنَّهُ لَمْ يَدْعُ بِهَا رَجُلٌ مُسْلِمٌ فِي شَيْءٍ قَطُّ إِلاَّ اسْتَجَابَ اللَّهُ لَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ مَرَّةً عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ سَعْدٍ، ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رَوَى غَيْرُ، وَاحِدٍ، هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ سَعْدٍ، وَلَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ عَنْ أَبِيهِ، ‏.‏ وَرَوَى بَعْضُهُمْ، عَنْ يُونُسَ بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ، فَقَالُوا عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَعْدٍ، وَكَانَ، يُونُسُ بْنُ أَبِي إِسْحَاقَ رُبَّمَا ذَكَرَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ عَنْ أَبِيهِ، وَرُبَّمَا، لَمْ يَذْكُرْهُ ‏.‏
। সা'দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলার নবী যুন-নূন ইউনুস (আঃ) মাছের পেটে থাকাকালে যে দু'আ করেছিলেন তা হলঃ “তুমি ব্যতীত কোন মা'বূদ নেই, তুমি অতি পবিত্র। আমি নিশ্চয় যালিমদের দলভুক্ত"- (সূরা আম্বিয়া ৮৭)। যে কোন মুসলিম লোক কোন বিষয়ে কখনো এ দু'আ করলে অবশ্যই আল্লাহ তা'আলা তার দু'আ কবুল করেন। সহীহঃ আল-কালিমুত তাইয়্যিব (হাঃ ১২২/৭৯), তা’লীকুর রাগীব (২/২৭৫, ৩/৪৩), মিশকাত তাহকীক সানী (হাঃ ২২৯২)। মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ কখনো বলেন, ইবরাহীম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সা'দ (রাযিঃ) হতে। এ হাদীস একাধিক বর্ণনাকারী ইউনুস ইবনু আবী ইসহাক হতে, তিনি ইবরাহীম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সা'দ (রাযিঃ) হতে তিনি সা'দ হতে এই সনদে রিওয়ায়াত করেছেন এবং তাতে “আন আবীহি" (তার বাবা হতে) উল্লেখ করেননি। কতিপয় বর্ণনাকারী, যেমন আবূ আহমাদ আয-যুবাইরী-ইউনুস ইবনু আবী ইসহাক হতে তারপর তারা প্রত্যেকে-ইবরাহীম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সা'দ হতে তার বাবা সা'দ (রাযিঃ)-এর সনদে মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফের বর্ণনার মতই উল্লেখ করেছেন। ইউনুস ইবনু আবী ইসহাক কখনো কখনো এ হাদীসটির সনদে “আন আবীহি" উল্লেখ করতেন। আবার কখনো তা উল্লেখ করেননি।
হাদিস 3506 — Jami At Tirmidhi 48:137
সহিহসহিহহাসান Sahihহাসান
حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ حَمَّادٍ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِائَةً غَيْرَ وَاحِدٍ مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ يُوسُفُ وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضى الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলার নিরানব্বইটি নাম আছে অর্থাৎ এক কম এক শত। যে লোক এই নামসমূহ মুখস্থ করবে বা পড়বে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। সহীহঃ মিশকাত তাহকীক সানী (হাঃ ২২৮৮), বুখারী ও মুসলিম। ইউসুফ ইবনু হাম্মাদ বলেন, আব্দুল আলা হিশাম ইবনু হাসসান হতে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদে পূর্বোক্ত হাদীসের একই রকম বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 3507 — Jami At Tirmidhi 48:138
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ الْجُوزَجَانِيُّ، حَدَّثَنِي صَفْوَانُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ لِلَّهِ تَعَالَى تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِائَةً غَيْرَ وَاحِدَةٍ مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ هُوَ اللَّهُ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلاَمُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ الْغَفَّارُ الْقَهَّارُ الْوَهَّابُ الرَّزَّاقُ الْفَتَّاحُ الْعَلِيمُ الْقَابِضُ الْبَاسِطُ الْخَافِضُ الرَّافِعُ الْمُعِزُّ الْمُذِلُّ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ الْحَكَمُ الْعَدْلُ اللَّطِيفُ الْخَبِيرُ الْحَلِيمُ الْعَظِيمُ الْغَفُورُ الشَّكُورُ الْعَلِيُّ الْكَبِيرُ الْحَفِيظُ الْمُقِيتُ الْحَسِيبُ الْجَلِيلُ الْكَرِيمُ الرَّقِيبُ الْمُجِيبُ الْوَاسِعُ الْحَكِيمُ الْوَدُودُ الْمَجِيدُ الْبَاعِثُ الشَّهِيدُ الْحَقُّ الْوَكِيلُ الْقَوِيُّ الْمَتِينُ الْوَلِيُّ الْحَمِيدُ الْمُحْصِي الْمُبْدِئُ الْمُعِيدُ الْمُحْيِي الْمُمِيتُ الْحَىُّ الْقَيُّومُ الْوَاجِدُ الْمَاجِدُ الْوَاحِدُ الصَّمَدُ الْقَادِرُ الْمُقْتَدِرُ الْمُقَدِّمُ الْمُؤَخِّرُ الأَوَّلُ الآخِرُ الظَّاهِرُ الْبَاطِنُ الْوَالِي الْمُتَعَالِي الْبَرُّ التَّوَّابُ الْمُنْتَقِمُ الْعَفُوُّ الرَّءُوفُ مَالِكُ الْمُلْكِ ذُو الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ الْمُقْسِطُ الْجَامِعُ الْغَنِيُّ الْمُغْنِي الْمَانِعُ الضَّارُّ النَّافِعُ النُّورُ الْهَادِي الْبَدِيعُ الْبَاقِي الْوَارِثُ الرَّشِيدُ الصَّبُورُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ حَدَّثَنَا بِهِ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ صَالِحٍ ‏.‏ وَلاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ صَفْوَانَ بْنِ صَالِحٍ وَهُوَ ثِقَةٌ عِنْدَ أَهْلِ الْحَدِيثِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلاَ نَعْلَمُ - فِي كَبِيرِ شَيْءٍ مِنَ الرِّوَايَاتِ لَهُ إِسْنَادٌ صَحِيحٌ ذِكْرَ الأَسْمَاءِ إِلاَّ فِي هَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ هَذَا الْحَدِيثَ بِإِسْنَادٍ غَيْرِ هَذَا عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَذَكَرَ فِيهِ الأَسْمَاءَ وَلَيْسَ لَهُ إِسْنَادٌ صَحِيحٌ ‏.‏
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলার নিরানব্বইটি নাম আছে অর্থাৎ এক কম এক শত। যে ব্যক্তি তা গণনা (মুখস্ত) করবে সে জান্নাতে যাবে। তিনিই আল্লাহ যিনি ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই। তিনি আর-রহমান (মহান দয়ালু), আর-রহীমু (অসীম করুণাময়), আল-মালিকু (স্বত্বাধিকারী), আল-কুদ্দুসু (মহাপবিত্র), আস-সালামু (অধিক শান্তিদাতা), আল-মু'মিনু (নিরাপত্তাদানকারী), আল-মুহাইমিনু (চিরসাক্ষী), আল-আযীযু (মহাপরাক্রমশালী), আল-জাব্বারু (মহাশক্তিধর), আল-মুতাকাব্বিরু (মহাগৌরবান্বিত), আল-খালিকু (স্রষ্টা), আল-বারিউ (সৃজনকর্তা), আল-মুসাব্বির (অবয়বদানকারী), আল-গাফফারু (ক্ষমাকারী), আল-কাহহারু (শাস্তিদাতা), আল-ওয়াহহাবু (মহান দাতা), আর-রাযযাকু (রিযিকদাতা), আল-ফাত্তাহ (মহাবিজয়ী), আল-আলীমু (মহাজ্ঞানী), আল-কাবিযু (হরণকারী), আল-বাসিতু (সম্প্রসারণকারী), আল-খাফিযু (অবনতকারী), আর-রাফিউ (উন্নতকারী), আল-মুইয্যু (ইজ্জতদাতা), আল-মুযিলু (অপমানকারী), আস-সামীউ (শ্রবণকারী), আল-বাহীরু (মহাদ্রষ্টা), আল-হাকামু (মহাবিচারক), আল-আদলু (মহান্যায়পরায়ণ), আল-লাতীফু (সূক্ষ্মদৰ্শী), আল-খাবীবু (মহা সংবাদরক্ষক), আল-হালীমু (মহাসহিষ্ণু), আল-আযামু (মহান), আল-গাফুরু (মহাক্ষমাশীল), আশ-শাকুরু (কৃতজ্ঞতাপ্রিয়), আল-আলীয়ু (মহা উন্নত), আল-কাবীর (অতীব মহান), আল-হাফীজু (মহারক্ষক), আল-মুকীতু (মহাশক্তিদাতা), আল-হাসীবু (হিসাব গ্রহণকারী), আল-জালীলু (মহামহিমান্বিত), আল-কারীমু (মহাঅনুগ্রহশীল), আর-রাকী বু (মহাপর্যবেক্ষক), আল-মুজীবু (কুবুলকারী), আল-ওয়াসিউ (মহাবিস্তারক), আল-হাকীমু (মহাবিজ্ঞ), আল-ওয়াদুদু (মহত্তম বন্ধু), আল-মাজীদু (মহাগৌরবান্বিত), আল-বাইছু (পুনরুত্থানকারী), আশ-শাহীদু (সর্বদশী), আল-হাক্ক (মহাসত্য), আল-ওয়াকীল (মহাপ্রতিনিধি), আল-কাবিয়ু (মহাশক্তিধর), আল-মাতীৰু (দৃঢ় শক্তির অধিকারী), আল-ওয়ালিয়ু (মহাঅভিভাবক), আল-হামীদু (মহাপ্রশংসিত), আল-মুহসিয়ু (পুখানুপুঙ্খ হিসাব সংরক্ষণকারী), আল-মুবদিও (সৃষ্টির সূচনাকারী), আল-মুঈদু (পুনরুত্থানকারী), আল-হাইয়ু (চিরঞ্জাব), আল-কাইয়ুম (চিরস্থায়ী), আল মুহয়ী (জীবনদাতা), আল-মুমীতু (মৃত্যুদাতা), আল-ওয়াজিদু (ইচ্ছামাত্র সম্পাদনকারী), আল-মাজিদু (মহাগৌরবান্বিত), আল-ওয়াহিদু (একক), আস-সামাদু (স্বয়ংসম্পূর্ণ), আল-কাদিরু (সর্বশক্তিমান), আল-মুকতাদিরু (মহাক্ষমতাবান), আল-মুকাদিমু (অগ্রসরকারী), আল-মুআখখির (বিলম্বকারী), আল-আওয়ালু (অনাদি), আল-আখিরু (অনন্ত), আয-যাহিরু (প্রকাশ্য), আল-বাতিনু (লুকায়িত), আল-ওয়ালিউ (অধিপতি), আল-মুতাআলী (চিরউন্নত), আল-বাররু (কল্যাণদাতা), আত-তাওওয়াবু (তাওবা কুবুলকারী), আল-মুনতাকিমু (প্রতিশোধ গ্রহণকারী), আল-আফুকবু (ক্ষমাকারী, উদারতা প্রদর্শনকারী), আর-রাউফু (অতিদয়ালু), মালিকুল মুলকি (সার্বভৌমত্বের মালিক), যুলজালালি ওয়াল ইকরাম (গৌরব ও মহত্বের অধিকারী), আল-মুকসিতু (ন্যায়বান), আল-জামিউ (সমবেতকারী), আল-গানিয়ু (ঐশ্বর্যশালী), আল-মুগনিয়ু (ঐশ্বৰ্যদাতা), আল-মানিউ (প্রতিরোধকারী), আয-যাররু (অনিষ্টকারী), আন-নাফিউ (উপকারকারী), আন-নূরু (আলো), আল-হাদিউ (পথপ্রদর্শক), আল-বাদীউ (সূচনাকারী), আল-বাকিউ (চিরবিরাজমান), আল-ওয়ারিস (স্বত্বাধিকারী), আর-রাশীদ (সৎপথে চালনাকারী), আস-সাবুরু (মহা ধৈর্যশীল)। নাম সমূহ উল্লেখে হাদীসটি দুর্বল। প্রাগুক্ত আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। একাধিক রাবী এ হাদীস সাফওয়ান ইবনু সালিহ্-এর সূত্রে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আমরা শুধু সাফওয়ান ইবনু সালিহ্-এর সূত্রে এ হাদীস জেনেছি। হাদীস বিশারদদের মতে তিনি নির্ভরযোগ্য রাবী। উক্ত হাদীস আবূ হুরাইরা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ভিন্নরূপেও বর্ণিত হয়েছে। আমরা ঐ একটি হাদীস ব্যতীত অধিক সংখ্যক হাদীসের মাধ্যমে যার সনদ সূত্র সহীহ। আল্লাহ্ তা'আলার নামসমূহ প্রসঙ্গে অবগত নই। অবশ্য আদম ইবনু আবূ ইয়াস এ হাদীস ভিন্ন সনদসূত্রে আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে আল্লাহ্ তা'আলার নামসমূহ উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তার সনদসূত্র সহীহ নয়।
হাদিস 3508 — Jami At Tirmidhi 48:139
সহিহহাসান Sahihসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَلَيْسَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ ذِكْرُ الأَسْمَاءِ ‏.‏ قَالَ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ رَوَاهُ أَبُو الْيَمَانِ عَنْ شُعَيْبِ بْنِ أَبِي حَمْزَةَ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ الأَسْمَاءَ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর নিরানব্বই নাম রয়েছে। যে লোক তা কণ্ঠস্থ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। সহীহঃ মিশকাত তাহকীক সানী (হাঃ ২২৮৮)। এ হাদীসে সেই নামগুলোর উল্লেখ নেই। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 3509 — Jami At Tirmidhi 48:140
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ، أَنَّ حُمَيْدًا الْمَكِّيَّ، مَوْلَى ابْنِ عَلْقَمَةَ حَدَّثَهُ أَنَّ عَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ حَدَّثَهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِذَا مَرَرْتُمْ بِرِيَاضِ الْجَنَّةِ فَارْتَعُوا ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا رِيَاضُ الْجَنَّةِ قَالَ ‏"‏ الْمَسَاجِدُ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ وَمَا الرَّتْعُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যখনই জান্নাতের বাগানসমূহ পার হতে যাবে তখনই ওখান হতে পাকা ফল সংগ্রহ করবে। রাবী বলেনঃ আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! জান্নাতের বাগানসমূহ কি? তিনি বললেনঃ মসজিদসমূহ। আমি আবার বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! পাকা ফল সংগ্রহ করার অর্থ কি? তিনি বললেনঃ "সুবহানাল্লাহ ওয়ালহামদু লিল্লাহ, ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার” (আল্লাহ মহাপবিত্র, সকল প্রশংসা আল্লাহর, আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, আল্লাহ মহান) বলা। যঈফ, যঈফা (১১৫০) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।