Qurani·قرآني
বাংলা

দু'আ সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

235.0999999999999 হাদিস · #3370–3604.1

হাদিস 3550 — Jami At Tirmidhi 48:181
হাসানহাসানহাসানহাসান
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَعْمَارُ أُمَّتِي مَا بَيْنَ سِتِّينَ إِلَى سَبْعِينَ وَأَقَلُّهُمْ مَنْ يَجُوزُ ذَلِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের স্বাভাবিক বয়স ষাট হতে সত্তর বছরের মাঝে হবে এবং তাদের কম সংখ্যকই এই বয়সসীমা পার করবে। হাসানঃ ২৩৩১ নং হাদীস পূর্বে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আবূ হুরাইরাহর বরাতে আবূ সালামাহর সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু আমরের বর্ণনার প্রেক্ষিতে এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীস আমরা শুধুমাত্র উপর্যুক্ত সনদেই অবগত হয়েছি। এ হাদীস আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে অন্যসূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 3551 — Jami At Tirmidhi 48:182
সহিহসহিহহাসান SahihIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الْحَفَرِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ طُلَيْقِ بْنِ قَيْسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَدْعُو يَقُولُ ‏ "‏ رَبِّ أَعِنِّي وَلاَ تُعِنْ عَلَىَّ وَانْصُرْنِي وَلاَ تَنْصُرْ عَلَىَّ وَامْكُرْ لِي وَلاَ تَمْكُرْ عَلَىَّ وَاهْدِنِي وَيَسِّرِ الْهُدَى لِي وَانْصُرْنِي عَلَى مَنْ بَغَى عَلَىَّ رَبِّ اجْعَلْنِي لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ رَهَّابًا لَكَ مِطْوَاعًا لَكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيبًا رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِي وَاغْسِلْ حَوْبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِي وَثَبِّتْ حُجَّتِي وَسَدِّدْ لِسَانِي وَاهْدِ قَلْبِي وَاسْلُلْ سَخِيمَةَ صَدْرِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ قَالَ مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুআ করতেন এবং বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমাকে সহযোগিতা কর এবং আমার বিরুদ্ধে (কাউকে) সহযোগিতা করো না, আমাকে সাহায্য কর এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করো না, আমার জন্য পরিকল্পনা এঁটে দাও এবং আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পনা এঁটো না, আমাকে হিদায়াত দান কর, আমার জন্য হিদায়াতের পথ সহজসাধ্য কর এবং যে লোক আমার উপর যুলম ও সীমালঙ্ঘন করে তার বিরুদ্ধে আমাকে সহযোগিতা কর। হে আল্লাহ! আমাকে তোমার জন্য কৃতজ্ঞ বান্দা কর, তোমার জন্য অধিক যিকরকারী, তোমাকে বেশি ভয়কারী, তোমার অনেক আনুগত্যকারী, তোমার কাছে অনুনয়-বিনয়কারী ও তোমার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী কর। হে আমার প্রভু! আমার তওবা কবুল কর, আমার সকল গুনাহ ধুয়ে-মুছে ফেল, আমার দু'আ কবুল কর, আমার সাক্ষ্য-প্রমাণ বহাল কর, আমার যবানকে দৃঢ় কর, আমার অন্তরে হিদায়াত দান কর এবং আমার বুক হতে সমস্ত হিংসা দূর কর”। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (৩৮৩০)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। মাহমূদ ইবনু গাইলান-মুহাম্মাদ ইবনু বিশর আল-আবদী হতে, তিনি সুফইয়ান সাওরী (রাহঃ) হতে এই সনদে উপর্যুক্ত হাদীসের একই রকম বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 3552 — Jami At Tirmidhi 48:183
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ دَعَا عَلَى مَنْ ظَلَمَهُ فَقَدِ انْتَصَرَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي حَمْزَةَ ‏.‏ وَقَدْ تَكَلَّمَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي أَبِي حَمْزَةَ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ وَهُوَ مَيْمُونٌ الأَعْوَرُ ‏.‏ حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الرُّؤَاسِيُّ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي حَمْزَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক তার প্রতি অত্যাচারকারীর বিরুদ্ধে দু’আ করল সে প্রতিশোধ গ্রহণ করল। যঈফ, যঈফা (৪৫৯৩) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু আবূ হামযার রিওয়ায়াত হিসেবে এ হাদীস জেনেছি। কিছু বিশেষজ্ঞ আলিম আবূ হামযার স্মৃতিশক্তির সমালোচনা করেছেন। তিনি হলেন মাইমূন আল-আওয়ার। কুতাইবা-হুমাইদ ইবনু আবদুর রহমান আর-রুয়াসী হতে, তিনি আবূল আহওয়াস হতে, তিনি আবূ হামযা (রাহঃ) হতে উক্ত সূত্রে একইরকম হাদীস বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 3553 — Jami At Tirmidhi 48:184
সহিহদাঈফসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكِنْدِيُّ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ، قَالَ وَأَخْبَرَنِي سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ قَالَ عَشْرَ مَرَّاتٍ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ‏.‏ كَانَتْ لَهُ عِدْلَ أَرْبَعِ رِقَابٍ مِنْ وَلَدِ إِسْمَاعِيلَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ مَوْقُوفًا ‏.‏
। আবূ আইউব আল-আনসারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক দশবার বলে, “আল্লাহ ব্যতীত কোন মা'বূদ নেই, তিনি এক, তার কোন অংশীদার নেই, সার্বভৌমত্ব তার, সকল প্রশংসা তার। তিনি জীবন দান করেন, তিনি মৃত্যু দেন এবং সমস্ত কিছুর উপর তিনিই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী”, সে হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর বংশের [অর্থাৎ কুরাইশ বংশের] চারজন দাস মুক্ত করার সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে। সহীহঃ যঈফাহ (৫১২৬) নং হাদীসের অধীনে, বুখারী ও মুসলিম “তিনি জীবিত করেন মৃত্যুদান করেন" এই অংশ বাদে। আবূ ঈসা বলেন, আবূ আইউব (রাযিঃ) হতে এ হাদীসটি মাওকুফরূপেও বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 3554 — Jami At Tirmidhi 48:185
Munkarদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا هَاشِمٌ، وَهُوَ ابْنُ سَعِيدٍ الْكُوفِيُّ حَدَّثَنِي كِنَانَةُ، مَوْلَى صَفِيَّةَ قَالَ سَمِعْتُ صَفِيَّةَ، تَقُولُ دَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَبَيْنَ يَدَىَّ أَرْبَعَةُ آلاَفِ نَوَاةٍ أُسَبِّحُ بِهَا فَقُلْتُ لَقَدْ سَبَّحْتُ بِهَذِهِ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ أَلاَ أُعَلِّمُكِ بِأَكْثَرَ مِمَّا سَبَّحْتِ بِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْتُ بَلَى عَلِّمْنِي ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ قُولِي سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ صَفِيَّةَ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ هَاشِمِ بْنِ سَعِيدٍ الْكُوفِيِّ وَلَيْسَ إِسْنَادُهُ بِمَعْرُوفٍ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏
। উম্মুল মুমিনীন সাফিয়্যা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকটে এলেন, তখন আমার নিকট চার হাজার খেজুরের বিচি ছিল, যা দিয়ে আমি তাসবীহ পাঠ করে থাকি। তিনি বললেনঃ তুমি কি এগুলো দিয়ে তাসবীহ গণনা করেছ? আমি কি তোমাকে এমন তাসবীহ শিখাব না যা সাওয়াবের দিক হতে এর চেয়ে বেশি হবে? আমি বললাম, হ্যাঁ আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ তুমি বল, “আল্লাহ তা'আলা তার সৃষ্টিকুলের সমপরিমাণ পবিত্র”। মুনকার, আর-রাদু আলাত তা’কীবিল হাসীস (৩৫-৩৮) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। কেননা সাফিয়্যা (রাঃ)-এর এ হাদীস আমরা শুধু হাশিম ইবনু সাঈদ আল-কূফীর সূত্রে জেনেছি। এর সনদ তেমন সুপরিচিত নয়। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস 3555 — Jami At Tirmidhi 48:186
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ سَمِعْتُ كُرَيْبًا، يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ جُوَيْرِيَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَرَّ عَلَيْهَا وَهِيَ فِي مَسْجِدٍ ثُمَّ مَرَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِهَا قَرِيبًا مِنْ نِصْفِ النَّهَارِ فَقَالَ لَهَا ‏"‏ مَا زِلْتِ عَلَى حَالِكِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَتْ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَلاَ أُعَلِّمُكِ كَلِمَاتٍ تَقُولِينَهَا سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ هُوَ مَوْلَى آلِ طَلْحَةَ وَهُوَ شَيْخٌ مَدَنِيٌّ ثِقَةٌ وَقَدْ رَوَى عَنْهُ الْمَسْعُودِيُّ وَسُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ هَذَا الْحَدِيثَ ‏.‏
। উম্মুল মু'মিনীন জুওয়াইরিয়াহ বিনতুল হারিস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছ দিয়ে অতিক্রম করলেন, সে সময় তিনি তার (ঘরে) নামাযের জায়গায় ছিলেন। আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্ৰায় দুপুরে তার কাছ দিয়ে গমন করেন এবং তাকে বললেনঃ তুমি কি তখন হতে এই অবস্থায় আছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমি তোমাকে কি কিছু বাক্য শিখিয়ে দিব না যা তুমি বলবে? “আল্লাহ তা'আলা তার সৃষ্টিকুলের সমপরিমাণ মহাপবিত্র" (৩ বার), “আল্লাহ তা'আলা তার সত্তার সন্তোষ মোতাবিক মহাপবিত্র” (৩ বার), "আল্লাহ তা'আলা তার আবূশের ওজনের সমপরিমাণ মহাপবিত্র” (৩ বার), "আল্লাহ তার কালামের সমান মহাপবিত্র" (তিন বার)। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (৩৮০৮), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রহমান হলেন ত্বালহা পরিবারের মুক্তদাস। তিনি একজন প্রবীণ শাঈখ, মাদীনার বাসিন্দা এবং নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী। আল-মাসউদী ও সুফইয়ান সাওরীও তার সনদে উক্ত হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন।
হাদিস 3556 — Jami At Tirmidhi 48:187
সহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، قَالَ أَنْبَأَنَا جَعْفَرُ بْنُ مَيْمُونٍ، صَاحِبُ الأَنْمَاطِ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ، عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ حَيِيٌّ كَرِيمٌ يَسْتَحِي إِذَا رَفَعَ الرَّجُلُ إِلَيْهِ يَدَيْهِ أَنْ يَرُدَّهُمَا صِفْرًا خَائِبَتَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَرَوَاهُ بَعْضُهُمْ وَلَمْ يَرْفَعْهُ ‏.‏
। সালমান আল-ফারিসী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা অত্যধিক লজ্জাশীল ও দাতা। যখন কোন ব্যক্তি তার দরবারে তার দুই হাত তুলে (প্রার্থনা করে) তখন তিনি তার হাত দু'খানা শূন্য ও বঞ্চিত ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (৩৮৬৫)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীস কিছু বর্ণনাকারী রিওয়ায়াত করেছেন, কিন্তু তা মারফুরূপে নয়।
হাদিস 3557 — Jami At Tirmidhi 48:188
হাসান Sahihসহিহহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلاَنَ، عَنِ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلاً، كَانَ يَدْعُو بِأُصْبُعَيْهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَحِّدْ أَحِّدْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَمَعْنَى هَذَا الْحَدِيثِ إِذَا أَشَارَ الرَّجُلُ بِأُصْبُعَيْهِ فِي الدُّعَاءِ عِنْدَ الشَّهَادَةِ لاَ يُشِيرُ إِلاَّ بِأُصْبُعٍ وَاحِدَةٍ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক লোক দুই আঙ্গুলে (ইঙ্গিত করে) দু'আ করছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ একটির মাধ্যমে একটির মাধ্যমে। হাসান সহীহঃ মিশকাত (৯১৩)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। এ হাদীসের মর্ম এই যে, কোন লোক দু'আর মাঝে (নামাযের তাশাহহুদে) দুই আঙ্গুলে নয়, বরং এক আঙ্গুলে ইঙ্গিত করবে।
হাদিস 3558 — Jami At Tirmidhi 48:189
হাসান Sahihহাসান Sahihহাসানসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، وَهُوَ ابْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ، أَنَّ مُعَاذَ بْنَ رِفَاعَةَ، أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَامَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ عَلَى الْمِنْبَرِ ثُمَّ بَكَى فَقَالَ قَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَ الأَوَّلِ عَلَى الْمِنْبَرِ ثُمَّ بَكَى فَقَالَ ‏ "‏ سَلُوا اللَّهَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فَإِنَّ أَحَدًا لَمْ يُعْطَ بَعْدَ الْيَقِينِ خَيْرًا مِنَ الْعَافِيَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ رضى الله عنه ‏.‏
। মু'আয ইবনু রিফা'আহ (রহঃ) হতে তার বাবার বরাতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আবূ বাকর সিদ্দীক (রাযিঃ) মসজিদে নববীর মিম্বারে দাঁড়ালেন, তারপর কেঁদে দিলেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গত বছর এ মিম্বারে দাড়িয়ে কাঁদেন, তারপর বলেনঃ আল্লাহ তা'আলার নিকট তোমরা ক্ষমা, শান্তি ও হিফাযাত প্রার্থনা কর। কেননা ঈমানের পর তোমাদের কাউকে শান্তি ও হিফাযাতের চাইতে বেশি উত্তম আর কিছুই দেয়া হয়নি। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (৩৮৪৯)। আবূ ঈসা বলেন,উক্ত সনদসূত্রে এ হাদীসটি হাসান এবং আবূ বাকর (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াত হিসেবে গারীব।
হাদিস 3559 — Jami At Tirmidhi 48:190
দাঈফদাঈফহাসান
حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ يَزِيدَ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو يَحْيَى الْحِمَّانِيُّ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِي نُصَيْرَةَ، عَنْ مَوْلًى، لأَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِي بَكْرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَا أَصَرَّ مَنِ اسْتَغْفَرَ وَلَوْ فَعَلَهُ فِي الْيَوْمِ سَبْعِينَ مَرَّةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ إِنَّمَا نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي نُصَيْرَةَ وَلَيْسَ إِسْنَادُهُ بِالْقَوِيِّ ‏.‏
। আবূ বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ক্ষমা প্রার্থনা করেছে (গুনাহ হতে) সে গুনাহর উপর অটল থাকেনি, যদিও সে প্রতিদিন সত্তরবার গুনাহ করে থাকে। যঈফ, মিশকাত (২৩৪০), যঈফ আবূ দাউদ (২৬৭) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু আবূ নুসাইরার সূত্রেই হাদীসটি জেনেছি। এ হাদীসের সনদসূত্র তেমন মজবুত নয়।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।