Qurani·قرآني
বাংলা

তাফসীর সম্পর্কিত অধ্যায়সমূহ

774 হাদিস · #2950–3723

হাদিস 3090 — Jami At Tirmidhi 47:142
হাসান Isnaadহাসান IsnaadহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، وَعَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ بَعَثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِبَرَاءَةَ مَعَ أَبِي بَكْرٍ ثُمَّ دَعَاهُ فَقَالَ ‏ "‏ لاَ يَنْبَغِي لأَحَدٍ أَنْ يُبَلِّغَ هَذَا إِلاَّ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِي ‏"‏ ‏.‏ فَدَعَا عَلِيًّا فَأَعْطَاهُ إِيَّاهَا ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ‏.‏
। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর (রাযিঃ)-কে সূরা বারাআতের প্রাথমিক আয়াতগুলো সহকারে মক্কা মুআজ্জামায় পাঠান। তারপর তাকে ফেরত ডেকে এনে বললেন? আমার পরিবারের কোন সদস্য ব্যতীত অন্য কাউকে দিয়ে এটা পাঠানো উচিত নয়। এরপর তিনি আলী (রাযিঃ)-কে ডাকলেন এবং তাকেই এটি দিলেন। সনদ হাসান। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান; আনাস (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াত হিসেবে গারীব।
হাদিস 3091 — Jami At Tirmidhi 47:143
সহিহ Isnaadসহিহ Isnaadদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ مِقْسَمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ بَعَثَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَبَا بَكْرٍ وَأَمَرَهُ أَنْ يُنَادِيَ بِهَؤُلاَءِ الْكَلِمَاتِ ثُمَّ أَتْبَعَهُ عَلِيًّا فَبَيْنَا أَبُو بَكْرٍ فِي بَعْضِ الطَّرِيقِ إِذْ سَمِعَ رُغَاءَ نَاقَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْقَصْوَاءَ فَخَرَجَ أَبُو بَكْرٍ فَزِعًا فَظَنَّ أَنَّهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا هُوَ عَلِيٌّ فَدَفَعَ إِلَيْهِ كِتَابَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَمَرَ عَلِيًّا أَنْ يُنَادِيَ بِهَؤُلاَءِ الْكَلِمَاتِ فَانْطَلَقَا فَحَجَّا فَقَامَ عَلِيٌّ أَيَّامَ التَّشْرِيقِ فَنَادَى ذِمَّةُ اللَّهِ وَرَسُولِهِ بَرِيئَةٌ مِنْ كُلِّ مُشْرِكٍ فَسِيحُوا فِي الأَرْضِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَلاَ يَحُجَّنَّ بَعْدَ الْعَامِ مُشْرِكٌ وَلاَ يَطُوفَنَّ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ وَلاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلاَّ مُؤْمِنٌ وَكَانَ عَلِيٌّ يُنَادِي فَإِذَا عَيِيَ قَامَ أَبُو بَكْرٍ فَنَادَى بِهَا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর (রাযিঃ)-কে (আমীরুল হাজ্জ নিয়োগ করে) পাঠান এবং এই বাক্যগুলো ঘোষণার জন্যে তাকে নির্দেশ দেন। তারপর তিনি ‘আলী (রাযিঃ)-কে পাঠান। আবূ বকর (রাযিঃ) পথিমধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উটনী কাসওয়ার শব্দ শুনতে পান। আবূ বকর (রাযিঃ) সন্ত্রস্ত হয়ে বের হলেন। তিনি ভেবেছিলেন হয়ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসেছেন। কিন্তু তিনি ছিলেন আলী (রাযিঃ)। আলী (রাযিঃ) আবূ বকর (রাযিঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর লেখা ফরমানটি দিলেন এবং তাতে তাকে এসব বিষয় ঘোষণা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন। তারা দু’জনেই গন্তব্যের দিকে এগিয়ে গেলেন এবং হজ্জ সম্পন্ন করলেন। আলী (রাযিঃ) আইয়্যামে তাশরীকে (কুরবানীর দিন) দাঁড়িয়ে বললেনঃ প্রত্যেক মুশরিকের সাথে আল্লাহ ও তার রাসূলের সম্পর্কচ্ছেদের ঘোষনা দেয়া হল। অতএব তোমরা আর চার মাস দেশে চলাফেরা কর। এ বছরের পর আর কোন মুশরিক হাজ্জ করতে পারবে না। নগ্ন অবস্থায় কেউ বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করবে না। শুধু মুমিন ব্যতীত অন্য কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। আলী (রাযিঃ) এভাবে ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়লে আবূ বকর (রাযিঃ) দাঁড়িয়ে একই রকম ঘোষণা দিতে থাকেন। সনদ সহীহ। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)-এর রিওয়ায়াত হিসেবে এই সূত্রে হাসান গারীব।
হাদিস 3092 — Jami At Tirmidhi 47:144
সহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ يُثَيْعٍ، قَالَ سَأَلْنَا عَلِيًّا بِأَىِّ شَيْءٍ بُعِثْتَ فِي الْحَجَّةِ قَالَ بُعِثْتُ بِأَرْبَعٍ أَنْ لاَ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ وَمَنْ كَانَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَهْدٌ فَهُوَ إِلَى مُدَّتِهِ وَمَنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ عَهْدٌ فَأَجَلُهُ أَرْبَعَةُ أَشْهُرٍ وَلاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلاَّ نَفْسٌ مُؤْمِنَةٌ وَلاَ يَجْتَمِعُ الْمُشْرِكُونَ وَالْمُسْلِمُونَ بَعْدَ عَامِهِمْ هَذَا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ وَهُوَ حَدِيثُ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ وَرَوَاهُ الثَّوْرِيُّ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ بَعْضِ أَصْحَابِهِ عَنْ عَلِيٍّ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، وَغَيْرُ، وَاحِدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ يُثَيْعٍ، عَنْ عَلِيٍّ، نَحْوَهُ ‏.‏ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أُثَيْعٍ، عَنْ عَلِيٍّ، نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رُوِيَ عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، كِلْتَا الرِّوَايَتَيْنِ يُقَالُ عَنْهُ عَنِ ابْنِ أُثَيْعٍ، وَعَنِ ابْنِ يُثَيْعٍ، وَالصَّحِيحُ، هُوَ زَيْدُ بْنُ أُثَيْعٍ وَقَدْ رَوَى شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ زَيْدٍ، غَيْرَ هَذَا الْحَدِيثِ فَوَهِمَ فِيهِ وَقَالَ زَيْدُ بْنُ أُثَيْلٍ وَلاَ يُتَابَعُ عَلَيْهِ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏
। যাইদ ইবনু ইউসাই (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা আলী (রাযিঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, আপনাকে হাজ্জ উপলক্ষে কোন জিনিস সহকারে পাঠানো হয়েছিল। তিনি বললেন, আমাকে (হাজ্জে) চারটি বিষয় সহকারে পাঠানো হয়েছিলঃ (১) কোন উলঙ্গ ব্যক্তি বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করতে পারবে না; (২) যাদের সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চুক্তি আছে তা তার নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে আর যাদের সাথে তার কোন চুক্তি নেই তারা চার মাসের অবকাশ পাবে (নিরাপত্তা সহকারে বিচরণ করার); (৩) মুমিন ব্যতীত কোন ব্যক্তি জান্নাতে যেতে পারবে না এবং (৪) এ বছরের পর মুসলিমগণ ও মুশরিকরা (হাজ্জে) একত্র হতে পারবে না (এরপর হতে মুশরিকদের জন্য হজ্জে যোগদান চিরতরে নিষিদ্ধ)। সহীহঃ (৮৭১) নং হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এটি আবূ ইসহাক হতে ইবনু উয়াইনার বর্ণিত হাদীস। সুফইয়ান সাওরীও এটি আবূ ইসহাক হতে, তিনি তার কোন সহযোগী হতে, তিনি আলী (রাযিঃ) হতে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। নাসর ইবনু আলী প্রমুখ সুফিয়ান ইবনু উয়াইনাহ হতে, তিনি আবু ইসহাক হতে, তিনি যাইদ ইবনু ইউসাই হতে, তিনি আলী (রাযিঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের মত বর্ণনা করেছেন। আলী ইবনু খাশরাম-সুফইয়ান ইবনু তিনি আলী (রাযিঃ) হতে এই সূত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, ইবনু উয়াইনাহ উভয় রিওয়ায়াত ইবনু উসাই ও ইবনু ইউসাই উভয়ের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। সঠিক হল যাইদ ইবনু উসাই। শু'বাহ (রাহঃ) উক্ত হাদীস ব্যতীত অন্য হাদীস আবূ ইসহাকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে সন্দেহে পতিত হয়েছেন এবং যাইদ ইবনু উসাইল নাম বলেছেন; কিন্তু এ ক্ষেত্রে শু’বাহর অনুসরণ করা হয়নি।
হাদিস 3093 — Jami At Tirmidhi 47:145
দাঈফদাঈফহাসানহাসান
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ دَرَّاجٍ، عَنْ أَبِي الْهَيْثَمِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِذَا رَأَيْتُمُ الرَّجُلَ يَعْتَادُ الْمَسْجِدَ فَاشْهَدُوا لَهُ بِالإِيمَانِ ‏.‏ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى ‏:‏ ‏(‏ إِنَّمَا يَعْمُرُ مَسَاجِدَ اللَّهِ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ ‏)‏ ‏.‏ ‏"‏ ‏.‏ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ دَرَّاجٍ، عَنْ أَبِي الْهَيْثَمِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ ‏"‏ يَتَعَاهَدُ الْمَسْجِدَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَأَبُو الْهَيْثَمِ اسْمُهُ سُلَيْمَانُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَبْدٍ الْعُتْوَارِيُّ وَكَانَ يَتِيمًا فِي حَجْرِ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ ‏.‏
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কোন ব্যক্তিকে মসজিদে যাতায়াতে অভ্যস্ত দেখলে তার ঈমানের সাক্ষী দিও। আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “আল্লাহ্ তা'আলার মাসজিদসমূহের রক্ষণাবেক্ষণ তো তারাই করে যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান এনেছে......" (সূরাঃ আত-তাওবা-১৮)। দুর্বল, ২৭৫০ নং হাদীস পূর্বে বর্ণিত হয়েছে ইবনু আবূ উমার-আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াহব হতে তিনি আমর ইবনুল হারিস হতে তিনি দাররাজ হতে তিনি আবুল হাইসাম হতে তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) এর সূত্রেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উপরের হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। তবে তাতে “তোমরা যাকে মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ করতে দেখ” এরূপ বর্ণিত আছে। দুর্বল, দেখুন পূর্বের হাদীস আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। আবূল হাইসামের নাম সুলাইমান ইবনু আমর ইবনু আবদুল উতওয়ারী। তিনি ইয়াতীম ছিলেন এবং আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)-এর পরিবারে লালিত-পালিত হন।
হাদিস 3094 — Jami At Tirmidhi 47:146
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ ‏:‏ ‏(‏ وَالَّذِينَ يَكْنِزُونَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ ‏)‏ قَالَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي بَعْضِ أَسْفَارِهِ فَقَالَ بَعْضُ أَصْحَابِهِ أُنْزِلَ فِي الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ مَا أُنْزِلَ ‏.‏ لَوْ عَلِمْنَا أَىُّ الْمَالِ خَيْرٌ فَنَتَّخِذَهُ فَقَالَ ‏"‏ أَفْضَلُهُ لِسَانٌ ذَاكِرٌ وَقَلْبٌ شَاكِرٌ وَزَوْجَةٌ مُؤْمِنَةٌ تُعِينُهُ عَلَى إِيمَانِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ سَأَلْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ فَقُلْتَ لَهُ سَالِمُ بْنُ أَبِي الْجَعْدِ سَمِعَ مِنْ ثَوْبَانَ فَقَالَ لاَ ‏.‏ فَقُلْتُ لَهُ مِمَّنْ سَمِعَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ سَمِعَ مِنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ وَذَكَرَ غَيْرَ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
। সাওবান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যারা সোনা ও রূপা জমা করে রাখে এবং তা আল্লাহ তা'আলার পথে ব্যায় করে না তাদেরকে পীড়াদায়ক আযাবের সুসংবাদ দাও”— (সূরা আত-তওবাঃ ৩৪), এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার সময় আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ভ্রমণে ছিলাম। কোন কোন সাহাবী বলেন, এ আয়াতটি সোনা ও রূপার সমালোচনায় অবতীর্ণ হয়েছে। কোন সম্পদ উৎকৃষ্ট আমরা তা জানতে পারলে তা জমা করতাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, উৎকৃষ্ট সম্পদ হল (আল্লাহ তা'আলার) যিকরকারী জিহ্বা, কৃতজ্ঞ অন্তর ও ঈমানদার স্ত্রী, যে স্বামীকে দীনদারির ব্যাপারে সহযোগিতা করে। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৮৫৬)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈলকে প্রশ্ন করে বললাম, সালিম ইবনু আবূল জা'দ (রহঃ) সাওবান (রাযিঃ) হতে (হাদীস) শুনেছেন কি? তিনি বলেন, না। আমি তাকে বললাম, তাহলে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের মধ্যে কার নিকটে শুনেছেন? তিনি বললেন, তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ ও আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ)-এর নিকট শুনেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আরো কয়েকজন সাহাবীর নামও তিনি উল্লেখ করেছেন।
হাদিস 3095 — Jami At Tirmidhi 47:147
হাসানহাসানদাঈফ
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ يَزِيدَ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ غُطَيْفِ بْنِ أَعْيَنَ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَفِي عُنُقِي صَلِيبٌ مِنْ ذَهَبٍ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ يَا عَدِيُّ اطْرَحْ عَنْكَ هَذَا الْوَثَنَ ‏"‏ ‏.‏ وَسَمِعْتُهُ يَقْرَأُ فِي سُورَةِ بَرَاءَةََ ‏:‏ ‏(‏ اتَّخَذُوا أَحْبَارَهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَابًا مِنْ دُونِ اللَّهِ ‏)‏ قَالَ ‏"‏ أَمَا إِنَّهُمْ لَمْ يَكُونُوا يَعْبُدُونَهُمْ وَلَكِنَّهُمْ كَانُوا إِذَا أَحَلُّوا لَهُمْ شَيْئًا اسْتَحَلُّوهُ وَإِذَا حَرَّمُوا عَلَيْهِمْ شَيْئًا حَرَّمُوهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ السَّلاَمِ بْنِ حَرْبٍ ‏.‏ وَغُطَيْفُ بْنُ أَعْيَنَ لَيْسَ بِمَعْرُوفٍ فِي الْحَدِيثِ ‏.‏
। আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি গলায় স্বর্ণের ক্রুশ পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে এলাম। তিনি বললেনঃ হে ‘আদী! তোমার গলা হতে এই প্রতিমা সরিয়ে ফেল। (এই বলে) আমি তাকে সূরা বারাআতের নিম্নোক্ত আয়াত পাঠ করতে শুনলাম (অনুবাদ) “তারা আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত তাদের পণ্ডিতগণকে ও সংসারবিরাগীগণকে তাদের প্রভু বানিয়ে নিয়েছে" (সূরা আত-তওবা ৩১)। তারপর তিনি বললেনঃ তারা অবশ্য তাদের পূজা করত না। তবে তারা কোন জিনিসকে যখন তাদের জন্য হালাল বলত তখন সেটাকে তারা হালাল বলে মেনে নিত। আবার তারা কোন জিনিসকে যখন তাদের জন্য হারাম বলত তখন নিজেদের জন্য উহাকে হারাম বলে মেনে নিত। হাসান। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা এ হাদীস শুধু আবদুস সালাম ইবনু হারবের সূত্রে জেনেছি। হাদীস শাস্ত্রে গুতাইফ ইবনু আইয়ান খুবএকটা প্রসিদ্ধ নন।
হাদিস 3096 — Jami At Tirmidhi 47:148
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ الْبَغْدَادِيُّ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ، حَدَّثَهُ قَالَ قُلْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ فِي الْغَارِ لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ يَنْظُرُ إِلَى قَدَمَيْهِ لأَبْصَرَنَا تَحْتَ قَدَمَيْهِ ‏.‏ فَقَالَ ‏ "‏ يَا أَبَا بَكْرٍ! مَا ظَنُّكَ بِاثْنَيْنِ اللَّهُ ثَالِثُهُمَا؟ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ إِنَّمَا يُعْرَفُ مِنْ حَدِيثِ هَمَّامٍ تَفَرَّدَ بِهِ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ حَبَّانُ بْنُ هِلاَلٍ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ هَمَّامٍ نَحْوَ هَذَا ‏.‏
। আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, আবূ বাকর (রাযিঃ) তাকে বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (সাওর) গিরিগুহায় অবস্থানকালে বললাম, যদি কাফিরদের কেউ তার পদদ্বয়ের দিকে (নীচের দিকে) তাকায়, তাহলে সে নিশ্চত আমাদেরকে তার পায়ের নীচেই দেখবে। তিনি বললেনঃ হে আবূ বাকর! যে দু'জনের সাথে তৃতীয়জন হিসেবে আল্লাহ তা'আলা আছেন সেই দু'জনের ব্যাপারে আপনার কি ধারণা? সহীহঃ তাখরাজু ফিকুহিস সীরাহ (১৭৩), বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। এ হাদীসটি হাম্মামের সূত্রেই বর্ণিত আছে। একমাত্র তিনিই এটি বর্ণনা করেছেন। হাব্বান ইবনু হিলাল প্রমুখও হাম্মামের সূত্রে এ হাদীস একই রকম বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 3097 — Jami At Tirmidhi 47:149
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، يَقُولُ لَمَّا تُوُفِّيَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُبَىٍّ دُعِيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلصَّلاَةِ عَلَيْهِ فَقَامَ إِلَيْهِ فَلَمَّا وَقَفَ عَلَيْهِ يُرِيدُ الصَّلاَةَ تَحَوَّلْتُ حَتَّى قُمْتُ فِي صَدْرِهِ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَعَلَى عَدُوِّ اللَّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَىٍّ الْقَائِلِ يَوْمَ كَذَا كَذَا وَكَذَا يَعُدُّ أَيَّامَهُ ‏.‏ قَالَ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَبَسَّمُ حَتَّى إِذَا أَكْثَرْتُ عَلَيْهِ قَالَ ‏"‏ أَخِّرْ عَنِّي يَا عُمَرُ ‏.‏ إِنِّي خُيِّرْتُ فَاخْتَرْتُ قَدْ قِيلَ لِي ‏:‏ ‏(‏ اسْتَغْفِرْ لَهُمْ أَوْ لاَ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ إِنْ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ سَبْعِينَ مَرَّةً فَلَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَهُمْ ‏)‏ لَوْ أَعْلَمُ أَنِّي لَوْ زِدْتُ عَلَى السَّبْعِينَ غُفِرَ لَهُ لَزِدْتُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ صَلَّى عَلَيْهِ وَمَشَى مَعَهُ فَقَامَ عَلَى قَبْرِهِ حَتَّى فُرِغَ مِنْهُ قَالَ فَعَجَبٌ لِي وَجُرْأَتِي عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ فَوَاللَّهِ مَا كَانَ إِلاَّ يَسِيرًا حَتَّى نَزَلَتْ هَاتَانِ الآيَتَانِ ‏:‏ ‏(‏وَلَا تُصَلِّ عَلَى أَحَدٍ مِنْهُمْ مَاتَ أَبَدًا وَلاَ تَقُمْ عَلَى قَبْرِهِ ‏)‏ إِلَى آخِرِ الآيَةِ قَالَ فَمَا صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْدَهُ عَلَى مُنَافِقٍ وَلاَ قَامَ عَلَى قَبْرِهِ حَتَّى قَبَضَهُ اللَّهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, "উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ)-কে আমি বলতে শুনেছিঃ আবদুল্লাহ ইবনু উবাই মারা গেলে তার জানাযা আদায়ের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আবেদন করা হয়। তিনি সেখানে যেতে শুরু করলেন। তিনি জানাযার উদ্দেশে দাঁড়ালে আমি ঘুরে গিয়ে তার বুক বারবার সামনে দাড়িয়ে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল আল্লাহ তা'আলার দুশমন ইবনু উবাইর জানাযা কি আপনি আদায় করবেন, যে অমুক দিন এই কথা বলেছে, অমুক দিন এই কথা বলেছে? এভাবে নির্দিষ্ট দিন তারিখ উল্লেখ করে “উমর (রাযিঃ) বলতে লাগলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হাসি দিতে থাকলেন। এমনকি আমি যখন তাকে অনেক কিছু বললাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে উমার! আমার সামনে হতে সরে যাও। আমাকে এখতিয়ার দেয়া হয়েছে। কাজেই আমি (জানাযা আদায়ের) এখতিয়ার গ্রহণ করেছি। আমাকে বলা হয়েছে (আয়াতের অর্থ) “তুমি এদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর বা না কর, এমনকি তুমি যদি সত্তর বারও তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর, তবুও আল্লাহ তা'আলা তাদের কখনো ক্ষমা করবেন না”— (সূরা আত-তওবা ৮০)। আমি যদি জানতাম তাদের জন্য সত্তর বারের বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করলে আল্লাহ তা'আলা তাদের ক্ষমা করে দিবেন, তাহলে আমি তাই করতাম। উমার (রাযিঃ) বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাযা আদায় করলেন এবং তার জানাযার সাথে গেলেন। তিনি তার কবরের সামনে দাঁড়ান এবং সকল কাজ শেষ করেন। উমর (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে আমার দুঃসাহসিকতায় আশ্চর্যবোধ হল। আল্লাহ ও তার রাসূলই ভালো জানেন। আল্লাহর শপথ! কিছুক্ষণ পরেই এ দুটি আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ (অনুবাদ) "তাদের কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তুমি কখনো তার জানাযা আদায় করবে না এবং তার কবরের পাশে কখনো দাঁড়াবে না। কেননা তারা আল্লাহ ও তার রাসূলকে অস্বীকার করেছে এবং পাপাচারী অবস্থায় এদের মৃত্যু হয়েছে" (সূরা আত-তওবা্ ৮৪)। উমর (রাযিঃ) বলেনঃ এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত আর কোন মুনাফিকের জানায আদায় করেননি এবং এদের কবরের পাশেও দাঁড়াননি। সহীহঃ আহকা-মুল জানা-য়িয (৯৩, ৯৫)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
হাদিস 3098 — Jami At Tirmidhi 47:150
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ جَاءَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَىٍّ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حِينَ مَاتَ أَبُوهُ فَقَالَ أَعْطِنِي قَمِيصَكَ أُكَفِّنْهُ فِيهِ وَصَلِّ عَلَيْهِ وَاسْتَغْفِرْ لَهُ ‏.‏ فَأَعْطَاهُ قَمِيصَهُ وَقَالَ ‏"‏ إِذَا فَرَغْتُمْ فَآذِنُونِي ‏"‏ ‏.‏ فَلَمَّا أَرَادَ أَنْ يُصَلِّيَ جَذَبَهُ عُمَرُ وَقَالَ أَلَيْسَ قَدْ نَهَى اللَّهُ أَنْ تُصَلِّيَ عَلَى الْمُنَافِقِينَ فَقَالَ ‏"‏ أَنَا بَيْنَ خِيرَتَيْنِ ‏:‏ ‏(‏اسْتَغْفِرْ لَهُمْ أَوْ لاَ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ فَصَلَّى عَلَيْهِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ‏:‏ ‏(‏وَلَا تُصَلِّ عَلَى أَحَدٍ مِنْهُمْ مَاتَ أَبَدًا وَلاَ تَقُمْ عَلَى قَبْرِهِ ‏)‏ فَتَرَكَ الصَّلاَةَ عَلَيْهِمْ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
। ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলে, ‘আবদুল্লাহ্ (রাযিঃ)-এর বাবা ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই মারা গেলে আবদুল্লাহ্ (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে এসে বলেন, আপনার জামাটি আমাকে দিন, তা দিয়ে তাকে (বাবাকে) কাফন দিব এবং আপনি তার জানাযা আদায় করুন, তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তার জামা দিলেন এবং বললেনঃ তোমরা (গোসল, কাফন ইত্যাদি হতে) অবসর হলে আমাকে খবর দিও। তিনি নামায আদায়ের প্রস্তুতি নিলে উমর (রাযিঃ) তাকে টেনে ধরে বললেন, আল্লাহ তা'আলা কি আপনাকে মুনাফিকদের জানায আদায় করতে নিষেধ করেননি? তিনি বললেন; আমাকে দুটাে ব্যাপারেই স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে- “তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর বা না কর"। যাই হোক তিনি তার জানাযা আদায় করলেন। আল্লাহ তা'আলা তখন এ আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) “তাদের কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে তুমি কখনো তার জানাযা আদায় করবে না এবং তার কবরের পাশেও কখনো দাড়াবে না....” (সূরা আত-তওবা ৮৪)। এরপর তিনি তাদের জানাযা আদায় করা ছেড়ে দেন। সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (১৫২৩), বুখারী (৪৬৭০), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
হাদিস 3099 — Jami At Tirmidhi 47:151
সহিহসহিহহাসান SahihIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ أَبِي أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ تَمَارَى رَجُلاَنِ فِي الْمَسْجِدِ الَّذِي أُسِّسَ عَلَى التَّقْوَى مِنْ أَوَّلِ يَوْمٍ فَقَالَ رَجُلٌ هُوَ مَسْجِدُ قُبَاءَ وَقَالَ الآخَرُ هُوَ مَسْجِدُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ هُوَ مَسْجِدِي هَذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ عِمْرَانَ بْنِ أَبِي أَنَسٍ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا عَنْ أَبِي سَعِيدٍ مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ رَوَاهُ أُنَيْسُ بْنُ أَبِي يَحْيَى عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ رضى الله عنه ‏.‏
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “যে মসজিদ প্রথম দিন হতেই তাকওয়ার ভিত্তির উপর নির্মিত হয়েছে" (সূরা আত-তওবা ১০৮), সেই মাসজিদ প্রসঙ্গে দুই ব্যক্তি বিতর্কে লিপ্ত হয়। একজন বলল, তা হচ্ছে মসজিদে কুবা। অন্যজন বলল, তা হচ্ছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাসজিদ (মসজিদে নববী)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা আমার এই মাসজিদ। সহীহঃ মুসলিম, এর চেয়ে পুর্ণাঙ্গভাবে (৩২৩) নং হাদীসে পূর্বে উল্লেখ হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। ইমরান ইবনু আবী আনাসের হাদীস হিসেবে গারীব। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) হতে এটি অন্য সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। হাদীসটি উনাইস ইবনু আবী ইয়াহইয়া তার পিতা হতে, তিনি আবূ সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।