। সাঈদ ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি কোন এক সফরে ইবনু উমার (রাঃ)-এর সাথী ছিলাম। আমি (বিতর আদায়ের উদ্দেশ্যে) তার পিছনে থেকে গেলাম। তিনি আমাকে প্রশ্ন করলেন, তুমি কোথায় ছিলে? আমি বললাম, বিতর আদায় করছিলাম। তিনি বললেন, তোমার জন্য কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মধ্যে অনুসরণীয় আদর্শ নেই? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাওয়ারীর উপর বিতরের নামায আদায় করতে দেখেছি। —সহীহ। বুখারী ও মুসলিম। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ ইবনু উমারের হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল সাহাবী ও অন্যান্যরা এ হাদীসের ভিত্তিতে বলেছেন, কোন লোকের জন্য তার বাহনের পিঠে বিতরের নামায আদায় করা জায়িয। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক একই রকম কথা বলেছেন। অপর একদল বিশেষজ্ঞ বলেছেন, কোন ব্যক্তি তার সাওয়ারীর উপর বিতর আদায় করবে না। যখন সে বিতর আদায় করার ইচ্ছা করবে তখন নীচে নেমে এসে মাটির বুকে বিতর আদায় করবে। কুফাবাসীদের একদল এ মত দিয়েছেন।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পূর্বাহ্নের বার রাকাআত নামায আদায় করে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য জান্নাতে একটি সোনার প্রাসাদ তৈরী করেন। যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৩৮০) এ অনুচ্ছেদে উম্মু হানী, আবূ হুরাইরা, নুআইম ইবনু হাম্মার, আবূ যার, আইশা, আবূ উমামা, উতবা ইবনু আবদ সুলামী, ইবনু আবী আওফা, আবূ সাঈদ, যাইদ ইবনু আরকাম ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি গারীব। শুধুমাত্র উল্লেখিত সূত্রেই এ হাদীসটি আমরা জানতে পেরেছি।
। আবদুর রহমান ইবনু আবু লাইলা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাকে এমন কোন লোকই জানায়নি যে, সে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পূর্বাহ্নের নামায আদায় করতে দেখেছে। কিন্তু উম্মু হানী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন তার ঘরে গেলেন, অতঃপর গোসল করে আট রাকাআত নামায আদায় করলেন। আমি তাকে এতো সংক্ষিপ্তভাবে আর কখনও নামায আদায় করতে দেখিনি। হ্যাঁ তিনি রুকূ-সিজদা ঠিকমত আদায় করছিলেন। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৭৯)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান সহীহ। ইমাম আহমাদের মতে, এ অনুচ্ছেদে উম্মু হানী (রাঃ)-এর হাদীসটি সবচাইতে সহীহ। নু'আইম (রাঃ)-এর পিতার নাম নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতের অমিল আছে। মতান্তরে তার নাম খাম্মার, আম্মার, হাববার, হাম্মাম ও হাম্মার। সঠিক নাম হাম্মার। ঐতিহাসিক আবু নু'আইম ভুলবশত হিমায বলে সন্দীহান হয়েছেন এবং পরে পিতার নাম উল্লেখ বাদ দিয়েছেন। আবু ঈসা বলেনঃ এ ব্যাপারে আবদ ইবনু হুমাইদ আবু নু'আইম হতে আমাকে অবহিত করেছেন
। আবু দারদা ও আবু যার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ হে আদম সন্তান! দিনের প্রথম ভাগে আমার জন্য চার রাক’আত নামায আদায় কর, আমি তোমার দিনের শেষ পর্যন্ত প্রয়োজন পূরণ করে দিব। —সহীহ। তা’লীকুর রাগীব- (১/২৩৬)। আবু ঈসা বলেনঃ হাদীসটি হাসান গরীব।
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পূর্বাহ্নের জোড়া নামাযের নিয়মিত হিফাযত করে, তার গুনাহ সমুহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, তা সমুদ্রের ফেনার সমান হলেও। যঈফ, মিশকাত (১৩১৮) আবূ ঈসা বলেনঃ ওয়াকী, নাযার ইবনু শুমাইল এবং আরও অনেকে এই হাদীসটি নাহহাস ইবনু কাহম হতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু আমরা তাকে এই হাদীস ছাড়া চিনতে পারিনি।
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিত পূর্বাহ্নের নামায আদায় করতেন, এমনকি আমরা বলাবলি করতাম, তিনি কখনও এ নামায ছাড়বেন না। তিনি আবার কখনও এমনভাবে এ নামায ছেড়ে দিতেন, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি হয়ত আর কখনও তা আদায় করবেন না। যঈফ, ইরওয়া (৪৬০) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব।
আবদুল্লাহ ইবনুস সায়িব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে যাওয়ার পর যুহরের পূর্বে চার রাকাআত নামায আদায় করতেন। তিনি বলেছেনঃ এটা এমন একটা সময় যখন আকাশের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়। আমি এ সময় আমার কোন ভাল কাজ উপরে উঠে যাক এ আকাংখা করি। —সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১১৫৭)। এ অনুচ্ছেদে আলী ও আবু আইয়ূব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ আব্দুল্লাহ ইবনু সায়িবের হাদীসটি হাসান গারীব। وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ بَعْدَ الزَّوَالِ لاَ يُسَلِّمُ إِلاَّ فِي آخِرِهِنَّ “বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য ঢলে যাওয়ার পর এক সালামে চার রাক"আত নামায আদায় করতেন।
আবদুল্লাহ ইবনু আবী আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তির আল্লাহ তা'আলার কাছে অথবা কোন আদম সন্তানের কাছে কোন প্রয়োজন রয়েছে সে যেন প্রথমে উত্তমরূপে ওযু করে, তারপর দুই রাকাআত নামায আদায় করে, তারপর আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা করে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি দরূদ ও সালাম পাঠ করে, তারপর এ দু'আ পাঠ করেঃ "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ..... আরহামার রাহিমীন"। অর্থাৎ “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি ধৈর্যশীল ও মহামহিম। মহান আরশের মালিক আল্লাহ তা'আলা খুবই পবিত্র। সকল প্রশংসা সারা বিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহ তা'আলার জন্য। (হে আল্লাহ!) আমি তোমার নিকট তোমার রহমত লাভের উপায়সমূহ, তোমার ক্ষমা লাভের কঠিন ওয়াদা, প্রত্যেক ভাল কাজের ঐশ্বর্য এবং সকল খারাপ কাজ হতে নিরাপত্তা চাইছি। হে মহা অনুগ্রহকারী! আমার প্রতিটি অপরাধ ক্ষমা কর, আমার প্রতিটি দুশ্চিন্তা দূর করে দাও এবং যে প্রয়োজন ও চাহিদা তোমার সন্তোষ লাভের কারণ হয় তা পরিপূর্ণ করে দাও।” অত্যন্ত দুর্বল, ইবনু মাজাহ (১৩৮৪) আবূ ঈসা বলেনঃ হাদীসটি গারীব। এ হাদীসের সনদ সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য রয়েছে। কেননা এ হাদীসের এক রাবী ফাইদ ইবনু আবদুর রহমান হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল। ফাইদের উপনাম আবূল ওয়ারকা।
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যেভাবে কুরআনের সুরা শিক্ষা দিতেন, ঠিক সেভাবে প্রতিটি কাজে আমাদেরকে ইস্তিখারা (কল্যাণ প্রার্থনা) শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেনঃ যখন তোমাদের কেউ কোন কাজের ইচ্ছা করে তখন সে যেন ফরয ছাড়া দুই রাকাআত নামায আদায় করে নেয়, অতঃপর বলেঃ “আল্লাহুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা..... সুম্মা আরফিনী বিহি।" হে আল্লাহ! আমি তোমার জ্ঞানের সাহায্য চাইছি, তোমার শক্তির সাহায্য চাইছি এবং তোমার মহান অনুগ্রহ চাইছি। তুমিই শক্তি ও ক্ষমতার অধিকারী, আমার কোন ক্ষমতা নেই। তুমি অফুরন্ত জ্ঞানের অধিকারী, আমার কোন জ্ঞান নেই। তুমি অদৃশ্যবিষয়ে সম্পূর্ণরূপে ও সম্যকভাবে জানো। হে আল্লাহ! তুমি যদি এ কাজটি আমার জন্য, আমার দীনের দৃষ্টিকোণ হতে, আমার জীবন যাপনের ব্যাপারে এবং আমার কাজের পরিণামের দিক হতে অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি বলেছেনঃ আমার দুনিয়া ও আখিরাতের ব্যাপারে ভাল মনে কর তবে তা আমার জন্য নির্দিষ্ট করে দাও এবং আমার জন্য সহজ করে দাও। পক্ষান্তরে তুমি যদি এ কাজটি আমার জন্য আমার দীনের দৃষ্টিকোণ হতে, আমার জীবন যাপনের ব্যাপারে এবং আমার কাজকর্মের পরিণামের দিক হতে, অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি বলেছেনঃ আমার ইহকাল-পরকালের ব্যাপারে ক্ষতিকর মনে কর, তবে তুমি সে কাজটি আমার থেকে দূরে সরিয়ে দাও। এবং আমাকে তা থেকে বিরত রাখ। যেখান হতে হোক তুমি আমার জন্য কল্যাণ নির্ধারণ করে দাও।” অতঃপর তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অথবা রাবী বলেন, (এ কাজটির স্থলে) প্রার্থনাকারী যেন নিজের উদ্দিষ্ট কাজের নাম করে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ– (১৩৮০)। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ ও আবু আইয়ূব (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেনঃ জাবিরের হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। উল্লেখিত হাদীসটি আমরা শুধুমাত্র আবদুর রহমান ইবনু আবুল মাওয়ালীর সূত্রেই জেনেছি। তিনি মাদীনার একজন শাইখ এবং সিকাহ (নির্ভরযোগ্য) রাবী। তার নিকট হতে সুফিয়ান একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। আব্দুর রহমানের নিকট হতে অনেক ইমামই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তিনি হলেন, আব্দুর রহমান ইবনু যাইদ ইবনু আবীল মাওয়ালী।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, উম্মু সুলাইম (রাঃ) একদিন সকাল বেলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন। তিনি বললেন, আমাকে এমন কিছু বাক্য শিখিয়ে দিন যা আমি নামাযে পাঠ করব। তিনি বললেনঃ দশবার ‘আল্লাহু আকবার দশবার সুবহানাল্লাহ' এবং দশবার "আলহামদু লিল্লাহ পাঠ কর। অতঃপর তোমার যা খুশি তাই চাও। তিনি (আল্লাহ তা'আলা) বলবেনঃ হ্যা, হ্যা (কুবুল করলাম)। -সনদ সহীহ। এ অনুচ্ছেদে ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর, ফযল ইবনু আব্বাস ও আবু রাফি (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেন, আনাসের হাদীসটি হাসান গারীব। সালাতুত তাসবীহ প্রসঙ্গে রাসূল হতে আরো কয়েকটি হাদীস বর্ণিত আছে। কিন্তু এগুলো খুব একটা সহীহ নয়। ইবনুল মুবারক ও অন্য কয়েকজন বিশেষজ্ঞ সালাতুত তাসবীহ ও তার ফাযীলাত প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন। আবু ওয়াহব বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারককে সালাতুত তাসবীহ প্রসঙ্গে আমি প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, আল্লাহু আকবার বলবে, অতঃপর “সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা'আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহ গাইরুকা" পাঠ করবে। অতঃপর পনের বার “সুবহানাল্লাহি ওয়াল-হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার" পাঠ করবে। অতঃপর আউযু বিল্লাহ, বিসমিল্লাহ এবং সূরা ফাতিহা ও তার সাথে অন্য সূরা পাঠ করবে। অতঃপর দশবার সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার" পাঠ করবে। অতঃপর রুকূতে গিয়ে দশবার, রুকু হতে মাথা তুলে দশবার, সিজদায় গিয়ে দশবার, সিজদা হতে মাথা তুলে দশবার এবং দ্বিতীয় সিজদায় দশবার উক্ত দু’আ পাঠ করবে। এভাবে চার রাকাআত নামায আদায় করবে। এতে প্রতি রাকাআতে পঁচাত্তর বার পাঠ করা হবে। প্রতি রাকাআতের প্রথমে এ দু’আ পনের বার পাঠ করবে, অতঃপর দশবার করে উক্ত দু’আ পাঠ করবে। যদি এ নামায রাতের বেলা আদায় করা হয় তবে আমি প্রতি দুই রাকাআত পর পর সালাম ফিরানো ভাল মনে করি। আর যদি দিনের বেলা আদায় করে তবে চাইলে দুই রাকাআত পর পর বা চার রাকাআত পরও সালাম ফিরাতে পারে। আবু ওয়াহব বলেন, ‘আবদুল আযীয আমাকে জানিয়েছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেছেন, রুকু সাজদায় পরযায়ক্রমে তিনবার করে সুবহানা রব্বিয়াল আযীম' ও 'সুবহানা রব্বিয়াল আলা' পাঠ করার পর উল্লেখিত দু’আ পাঠ করবে। আবদুল আযীয বলেন, আমি ইবনুল মুবারককে প্রশ্ন করলাম, যদি এ নামাযে ভুল হয়ে যায় তবে ভুলের সিজদাতে উক্ত দু’আ পাঠ করতে হবে? তিনি বললেন, না, এ দু’আ তো মোট তিনশো বার পাঠ করতে হবে। -সহীহ। তা’লীকুর রাগীব